📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী (১৩১ হিজরী)

📄 আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী (১৩১ হিজরী)


আইয়্যুব আস-সাখতিয়ানী রাহিমahullah মু'তাযিলাদের কথা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, «إِنَّما مدار القوم على أنْ يَقُولُوا ليسَ في السَّماءِ شيء» "এদের কথা যেদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে তা হচ্ছে এটা বলা যে, আসমানের উপর কিছু নেই (নাউযুবিল্লাহ)."(৩৩৬) অর্থাৎ আল্লাহ তার 'আরশের উপর এটা সাব্যস্ত না করার জন্যই মু'তাযিলাদের যত চেষ্টা নিবেদিত হয়.

টিকাঃ
৩৩৬. যাহাবী, আল-উলু, পৃ. ৯১; বিশুদ্ধ সনদে।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 রাবী‘আহ ইবন আবদুর রাহমান আর রায় (১৩৬ হিজরী)

📄 রাবী‘আহ ইবন আবদুর রাহমান আর রায় (১৩৬ হিজরী)


সুফইয়ান ইবন 'উয়াইনাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রবী'আহ ইবন আবি আব্দির রহমানকে আল্লাহর বাণী (ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, তিনি কীভাবে 'আরশের উপর ইস্তেওয়া করলেন? তখন তিনি বললেন, ইস্তেওয়া ('আরশের উপর উঠা) কোনো অজানা জিনিস নয়, তার ধরন তো বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে পাওয়ার মতো জিনিস নয়, আল্লাহর পক্ষ থেকে রিসালাত বা বাণী পাঠানো হয়েছে, রাসূলের পক্ষ থেকে তা পৌঁছানোর দায়িত্ব ছিল আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে বিশ্বাস করা. (৩৩৭)
অনুরূপ তা 'আবদুল্লাহ ইবন সালেহ ইবন মুসলিম এর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, রবী'আহ ইবন আবী আব্দির রহমানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল.... তারপর তিনি পূর্বের বর্ণনার মতোই বর্ণনা করেন. (৩৩৮)
একই বর্ণনা উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহা থেকেও বর্ণিত হয়েছে. (৩৩৯) তবে তার সনদ শক্তিশালী নয়.

টিকাঃ
৩৩৭. লালেকাঈ, শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, ৬৬৫।
৩৩৮. বাইহাক্বী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত, ৮৬৮।
৩৩৯. লালেকাঈ, শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহلিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, ৬৬৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 রবী‘ ইবন আনাস (১৩৯ হিজরী)

📄 রবী‘ ইবন আনাস (১৩৯ হিজরী)


প্রখ্যাত তাবে'য়ী রবী' ইবন আনাস থেকেও বর্ণিত যে, 'ইস্তেওয়া আলাল 'আরশ' এর অর্থ, 'আরশের উপর উঠা. (৩৪০)

টিকাঃ
৩৪০. ইবন আবী হাতেম, আত-তাফসীর (৬/১৯২৫)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সুলাইমান ইবন ছারখান আত-তাইমী (১৪৩ হিজরী)

📄 সুলাইমান ইবন ছারখান আত-তাইমী (১৪৩ হিজরী)


সুলাইমান ইবন ত্বারখান আত-তাইমী রাহিমahullah বলেন, «لَوْ سُئِلْتُ أينَ اللهُ ؟ لقلتُ: فِي السَّمَاءِ». "যদি আমাকে প্রশ্ন করা হয় যে, আল্লাহ কোথায়? তাহলে আমি বলতাম, তিনি আসমানের উপরে." (৩৪১)
অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, لَوْ سُئِلْتُ أَيْنَ اللَّهُ؟ لَقُلْتُ فِي السَّمَاءِ، فَإِنْ قَالَ فَأَيْنَ كَانَ عَرْشُهُ قَبْلَ السَّمَاءِ؟ لَقُلْتُ عَلَى الْمَاءِ، فَإِنْ قَالَ: فَأَيْنَ كَانَ عَرْشُهُ قَبْلَ الْمَاءِ؟ لَقُلْتُ لَا أَعْلَمُ ( قَالَ أَبُو عَبْدِ الله : وَذَلِكَ لِقَوْلِهِ تَعَالَى: ﴿وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاء﴾ [البقرة: ٢٥٥] يَعْنِي إِلَّا بِمَا بَيَّنَ. "যদি আমাকে প্রশ্ন করা হয়, আল্লাহ কোথায়? তাহলে অবশ্যই আমি বলবো, আসমানের উপর, অতঃপর যদি বলে, আসমান সৃষ্টির আগে তাঁর 'আরশ কোথায় ছিল? বলবো, পানির উপরে, তারপর যদি বলে, পানির আগে তাঁর 'আরশ কোথায় ছিল? তবে অবশ্যই বলব, জানি না। ইমাম আবু আবদুল্লাহ আল-বুখারী বলেন, এটা এজন্য যে, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, 'আর তারা তাঁর ইলমের কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টন করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ব্যতীত [সূরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত: ২৫৫] অর্থাৎ যা তিনি বর্ণনা করেছেন তা ব্যতীত.” (৩৪২) ইমাম বুখারী উক্ত কথার ব্যাখ্যা করে বলেন, কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, 'আর তারা তাঁর ইলমের কোনো কিছুকে পরিবেষ্টন করতে পারে না, তবে যা তিনি চান তা ব্যতীত' [সূরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত: ২৫৫] অর্থাৎ যা তিনি বর্ণনা করেছেন কেবল তাই জানতে পারে. (৩৪৩)

টিকাঃ
৩৪১. যাহাবী, আল-উলু, পৃ. ৯১৯, সহীহ সনদে।
৩৪২. বুখারী, খালকু আফ'আলিল 'ইবাদ, পৃ. ৩৩।
৩৪৩. বুখারী, খালকু আফ'আলিল 'ইবাদ, পৃ. ৩৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00