📄 মালেক ইবন দীনার রাহিমাহুল্লাহ (১২৭ হিজরী)
মালেক ইবন দীনার রাহimahuallah বলতেন, إِنَّ الصَّدِّيقِينَ إِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْآنُ طَرِبَتْ قُلُوبُهُمْ إِلَى الْآخِرَةِ» ... ثُمَّ قَالَ: «خُذُوا»، [وفي رواية: جُدُّوا] فَيَقْرَأُ وَيَقُولُ: «اسْمَعُوا إِلَى قَوْلِ الصَّادِقِ مِنْ فَوْقِ عَرْشِهِ» “যারা সিদ্দীক (সদা আল্লাহর বাণীতে সত্যায়নকারী) তাদের কাছে যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তাদের অন্তর আখেরাতের প্রতি খুশিতে অগ্রসরমান হয়... তারপর তিনি বলেন, 'গ্রহণ কর, অপর বর্ণনায়, দান গ্রহণ কর, তারপর তিনি কুরআন পড়তেন এবং বলতেন, 'সত্যবাদীর কথা শোন, যিনি তাঁর 'আরশের উপর থেকে (বলছেন)." (৩৩৩)
টিকাঃ
৩৩৩. আবু নু'আইম, আল-হিলইয়াহ (২/৩৫৮); যাহাবী, আল-'আরش (২/১৯৯); আল-উলু, ১৩১।
📄 মাইসারাহ ইবন হাবীব আন-নাহদী, আবূ হাযেম (১৩০ হিজরী)
ইসহাক্ক ইবন রাহওয়াইহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে জারীর ইবন আবদুল হামীদ জানিয়েছেন, তিনি আত্মা ইবনুস সায়েব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি মাইসারাহ ইবন হাবীব আন-নাহদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি আল্লাহর বাণী, "আর আপনার রবের 'আরশ সেদিন বহন করবে আটজন" এর ব্যাখ্যায় বলেন, "তাঁরা ('আরশ বহনকারীরা) আল্লাহর নূরের আভার কারণে তাদের চোখ উপরে তুলতে পারে না." (৩৩৪) এখানে আমরা একই সাথে তিনজন বর্ণনাকারীকে একই আকীদাহ বর্ণনা করতে দেখছি। তারা হচ্ছেন, ইমাম জারীব ইবন আবদুল হামীদ, ইমাম আত্মা ইবনুস সায়েব, ইমাম মাইসারাহ ইবন হাবীব। এ ইমামরা সবাই আল্লাহকে 'আরশের উপর বিশ্বাস করেন। কোনো কোনো কিতাবে একই 'আছার' মাইসারাহ তার উস্তাদ ইমাম যাযান আবু আবদুল্লাহ আল-কিন্দী (৮২ হিজরী) থেকে বর্ণনা করেছেন বলে দেখা যায়. (৩৩৫)
টিকাঃ
৩৩৪. হারব ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী, কিতাবুস সুন্নাহ ১৯১; নং ৩৪৪।
৩৩৫. আবুশ শাইখ, আল-আযামah নং ৪৮০।
📄 আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী (১৩১ হিজরী)
আইয়্যুব আস-সাখতিয়ানী রাহিমahullah মু'তাযিলাদের কথা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, «إِنَّما مدار القوم على أنْ يَقُولُوا ليسَ في السَّماءِ شيء» "এদের কথা যেদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে তা হচ্ছে এটা বলা যে, আসমানের উপর কিছু নেই (নাউযুবিল্লাহ)."(৩৩৬) অর্থাৎ আল্লাহ তার 'আরশের উপর এটা সাব্যস্ত না করার জন্যই মু'তাযিলাদের যত চেষ্টা নিবেদিত হয়.
টিকাঃ
৩৩৬. যাহাবী, আল-উলু, পৃ. ৯১; বিশুদ্ধ সনদে।
📄 রাবী‘আহ ইবন আবদুর রাহমান আর রায় (১৩৬ হিজরী)
সুফইয়ান ইবন 'উয়াইনাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রবী'আহ ইবন আবি আব্দির রহমানকে আল্লাহর বাণী (ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, তিনি কীভাবে 'আরশের উপর ইস্তেওয়া করলেন? তখন তিনি বললেন, ইস্তেওয়া ('আরশের উপর উঠা) কোনো অজানা জিনিস নয়, তার ধরন তো বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে পাওয়ার মতো জিনিস নয়, আল্লাহর পক্ষ থেকে রিসালাত বা বাণী পাঠানো হয়েছে, রাসূলের পক্ষ থেকে তা পৌঁছানোর দায়িত্ব ছিল আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে বিশ্বাস করা. (৩৩৭)
অনুরূপ তা 'আবদুল্লাহ ইবন সালেহ ইবন মুসলিম এর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, রবী'আহ ইবন আবী আব্দির রহমানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল.... তারপর তিনি পূর্বের বর্ণনার মতোই বর্ণনা করেন. (৩৩৮)
একই বর্ণনা উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহা থেকেও বর্ণিত হয়েছে. (৩৩৯) তবে তার সনদ শক্তিশালী নয়.
টিকাঃ
৩৩৭. লালেকাঈ, শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, ৬৬৫।
৩৩৮. বাইহাক্বী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত, ৮৬৮।
৩৩৯. লালেকাঈ, শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহلিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, ৬৬৩।