📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সায়েত আল-শুনানী (১১৭ হিজরী)

📄 সায়েত আল-শুনানী (১১৭ হিজরী)


প্রখ্যাত তাবে'য়ী সাবেত আল-বুনানী রাহিমahullah বলেন, كان داود عليه السلام يطيل الصلاة، ثم يركع، ثم يرفع رأسه إلى السماء ثم يقول: إليك رفعت رأسي، نظر العبيد إلى أربابها، يا ساكن السماء. "দাউদ 'আলাইহিস সালাম লম্বা সময় সালাত আদায় করতেন, তারপর রুকূ করতেন, তারপর আসমানের দিকে মাথা উঠিয়ে বলতেন, আপনার দিকেই মাথা উঠাচ্ছি, দাস কর্তৃক তাদের মনিবের দিকে তাকানোর মতো, হে আসমানের উপরে অবস্থানকারী.”(৩৩২)
তাছাড়া আমরা যদি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করি তো দেখতে পাব যে, এ মনীষী ছিলেন আল্লাহর 'আরশের উপর উঠা ও 'আরশের উপর থাকা সংক্রান্ত বহু হাদীসের বর্ণনাকারী, যা তার আকীদাহ ও মানহাজকে আমাদের নিকট স্পষ্ট করে দেয়.

টিকাঃ
৩৩২. আহমاد, আয-যুহদ, পৃ. ১১১; আল-লালেকা'ঈ, শারহু উসুলি ই'তিকাদি... ৩/৪০০; ইবন কুদামاه, ইসবাতু সিফাতিল উলু পৃ. ৫৫; আল-আরبا'ঈন ফী সিفاতি... পৃ. ৫৮।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 মালেক ইবন দীনার রাহিমাহুল্লাহ (১২৭ হিজরী)

📄 মালেক ইবন দীনার রাহিমাহুল্লাহ (১২৭ হিজরী)


মালেক ইবন দীনার রাহimahuallah বলতেন, إِنَّ الصَّدِّيقِينَ إِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْآنُ طَرِبَتْ قُلُوبُهُمْ إِلَى الْآخِرَةِ» ... ثُمَّ قَالَ: «خُذُوا»، [وفي رواية: جُدُّوا] فَيَقْرَأُ وَيَقُولُ: «اسْمَعُوا إِلَى قَوْلِ الصَّادِقِ مِنْ فَوْقِ عَرْشِهِ» “যারা সিদ্দীক (সদা আল্লাহর বাণীতে সত্যায়নকারী) তাদের কাছে যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তাদের অন্তর আখেরাতের প্রতি খুশিতে অগ্রসরমান হয়... তারপর তিনি বলেন, 'গ্রহণ কর, অপর বর্ণনায়, দান গ্রহণ কর, তারপর তিনি কুরআন পড়তেন এবং বলতেন, 'সত্যবাদীর কথা শোন, যিনি তাঁর 'আরশের উপর থেকে (বলছেন)." (৩৩৩)

টিকাঃ
৩৩৩. আবু নু'আইম, আল-হিলইয়াহ (২/৩৫৮); যাহাবী, আল-'আরش (২/১৯৯); আল-উলু, ১৩১।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 মাইসারাহ ইবন হাবীব আন-নাহদী, আবূ হাযেম (১৩০ হিজরী)

📄 মাইসারাহ ইবন হাবীব আন-নাহদী, আবূ হাযেম (১৩০ হিজরী)


ইসহাক্ক ইবন রাহওয়াইহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে জারীর ইবন আবদুল হামীদ জানিয়েছেন, তিনি আত্মা ইবনুস সায়েব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি মাইসারাহ ইবন হাবীব আন-নাহদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি আল্লাহর বাণী, "আর আপনার রবের 'আরশ সেদিন বহন করবে আটজন" এর ব্যাখ্যায় বলেন, "তাঁরা ('আরশ বহনকারীরা) আল্লাহর নূরের আভার কারণে তাদের চোখ উপরে তুলতে পারে না." (৩৩৪) এখানে আমরা একই সাথে তিনজন বর্ণনাকারীকে একই আকীদাহ বর্ণনা করতে দেখছি। তারা হচ্ছেন, ইমাম জারীব ইবন আবদুল হামীদ, ইমাম আত্মা ইবনুস সায়েব, ইমাম মাইসারাহ ইবন হাবীব। এ ইমামরা সবাই আল্লাহকে 'আরশের উপর বিশ্বাস করেন। কোনো কোনো কিতাবে একই 'আছার' মাইসারাহ তার উস্তাদ ইমাম যাযান আবু আবদুল্লাহ আল-কিন্দী (৮২ হিজরী) থেকে বর্ণনা করেছেন বলে দেখা যায়. (৩৩৫)

টিকাঃ
৩৩৪. হারব ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী, কিতাবুস সুন্নাহ ১৯১; নং ৩৪৪।
৩৩৫. আবুশ শাইখ, আল-আযামah নং ৪৮০।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী (১৩১ হিজরী)

📄 আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী (১৩১ হিজরী)


আইয়্যুব আস-সাখতিয়ানী রাহিমahullah মু'তাযিলাদের কথা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, «إِنَّما مدار القوم على أنْ يَقُولُوا ليسَ في السَّماءِ شيء» "এদের কথা যেদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে তা হচ্ছে এটা বলা যে, আসমানের উপর কিছু নেই (নাউযুবিল্লাহ)."(৩৩৬) অর্থাৎ আল্লাহ তার 'আরশের উপর এটা সাব্যস্ত না করার জন্যই মু'তাযিলাদের যত চেষ্টা নিবেদিত হয়.

টিকাঃ
৩৩৬. যাহাবী, আল-উলু, পৃ. ৯১; বিশুদ্ধ সনদে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00