📄 জাবের ইবন আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৭৪ হিজরী)
জাবের ইবন আবদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু সা'দ ইবন মু'আয রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুর মৃত্যুর ঘটনার রাব্বুল আলামীনের 'আরশের কম্পনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। যাতে আল্লাহর 'আরশ ও তা সা'দ ইবন মু'আয রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুর প্রতি ভালোবাসার কথা বর্ণিত হয়েছে।(৩০৯)
টিকাঃ
৩০৯. যাহাবী, আল-উলু, ৬৮।
📄 ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা (৭৪ হিজরী)
যায়েদ ইবন আসলাম বলেন, আবদুল্লাহ ইবন 'উমার রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু একবার এক রাখালের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি রাখালকে বললেন, هَلْ مِنْ جَزَرَةٍ؟ فقال: ليس هاهنا ربها، قال ابن عمر : تقول له: أكلها الذئب . قال: فرفع رأسه إلى السَّماءِ وقال: فَأَيْنَ اللهُ؟ فقالَ ابنُ عمر : أنا والله أحقُّ أن أقول : أَيْنَ اللهُ؟ واشترى الراعي والغنم، فأعتقه، وأعطاه الغنم». "যবেহ করার মতো ছাগল হবে? তখন রাখাল বলল, ছাগলের মালিক তো এখানে নেই। ইবন 'উমার বললেন, তুমি তাকে বলবে, নেকড়ে তা খেয়ে ফেলেছে। তখন রাখাল তার মাথা আসমানের দিকে উঠিয়ে বলল, তাহলে আল্লাহ কোথায়? তখন ইবন 'উমার বললেন, আমি, আল্লাহর শপথ করে বলছি, বেশি যোগ্য একথা বলার যে, আল্লাহ কোথায়? ইবন 'উমার তখন এ রাখাল ও তার ছাগল সবই কিনে নিলেন, অতঃপর রাখাল দাসকে মুক্ত করে তাকে ছাগলগুলো দিয়ে দিলেন.” (৩১০)
টিকাঃ
৩১০. যাহাবী, আল-'উলু ৮৬০; উত্তম সনদে।
📄 আবূ জুরাইহ্ জাবের ইবন সুলাইম আল-আজাইযী রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু
আবু জুরাই জাবের ইবন সুলাইম আল-হুজাইমী রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু বর্ণনা করেন, إن رجلاً ممن كان قبلكم لبس برده فتبختر فيها فنظر الله إليه من فوق عرشه فمقته فأمر الأرض فأخذته فهو يتجلجل فأحذرك مقت الله عز وجل. “তোমাদের পূর্বে চলে যাওয়া জাতিসমূহের কোনো এক লোক তার চাদর পরিধান করে তাতে অহংকার করে চলছিল, আল্লাহ তা'আলা তাঁর 'আরশের উপর থেকে তার দিকে তাকালেন, লোকটির এ আচরণ আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করলো, তাই আল্লাহ যমীনকে নির্দেশ দিলেন তাকে গ্রাস করতে। ফলে যমীন তাকে গ্রহণ করে নিল, সে এখনও তাতে প্রবেশ করেই যাচ্ছে। সুতরাং আমি তোমাকে আল্লাহর ক্রোধ থেকে সাবধান করছি.”(৩১১)
টিকাঃ
৩১১. আত-ত্বাবরানী, আল-মু'জামুল কাবীর (৭/৬৩), নং ৬৩৮৪; আদ-দারেমী, আন-নাক্কছু 'আলা বিশর আল- মারীসী ৩৩৭; আত-তাইমী, আল-হুজ্জাহ ফী বায়ানিল মাহাজ্জাহ (২/১২৩); ইবন কুদামাহ, ইসবাতু সিফাতিল উলু, ৬৬, ৬৭, নং ৩৬; যাহাবী, আল-'আরশ (২/১২৬); আল-উলু ৩৬; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ূশ পৃ. ৩৪। অবশ্য হাদীসের মূল কথা সহীহ বুখারীতে এসেছে, হাদীس নং ৫৭৯০।