📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবূ যর জুনদুব ইবন জুনাদাহ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩২ হিজরী)

📄 আবূ যর জুনদুব ইবন জুনাদাহ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩২ হিজরী)


ইবন 'আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুমা বলেন, আবু যর রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুর কাছে যখন নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াত প্রাপ্তির ঘটনা পৌঁছলো, তখন তিনি তার ভাইকে বললেন, اركب إلى هذا الوادِي فَاعْلَمْ لِي عِلْمَ هذا الرَّجُلِ الذي يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيٌّ يَأْتِيهِ الْخَبَرُ مِنَ السَّمَاءِ “এ উপত্যকায় যাও, সেখান থেকে আমার জন্য এ লোকের খোঁজ-খবর নিয়ে আস, যিনি মনে করছেন যে, তিনি নবী, তার কাছে আসমান থেকে খবর আসে.” (২৮৩) এখানে আসমান থেকে খবর আসার অর্থ এটাই যে, তিনি আসমানের উপরে 'আরশের উপরে আছেন, সেখান থেকে তার কাছে খবর আসে। এর দ্বারা আল্লাহর উপরে থাকার যেসব আয়াত ও হাদীস এসেছে তারই সাথে প্রমাণ যোগ হচ্ছে। (২৮৪)

টিকাঃ
২৮৩. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৫২২, ৩৮৬১; সহীহ মুসলিম, হাদীس নং ২৪৭৪।
২৮৪. আব্দুল হাদী ইবন হাসান ওয়াহবী, আল-কালিমাতুল হিসان ফী বায়ানি উলুওয়ির রাহমান, পৃ. ৬৮।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 উবাদাহ ইবনুস সামেত রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩৪ হিজরী)

📄 উবাদাহ ইবনুস সামেত রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩৪ হিজরী)


উবাদাহ ইবনুস সামেত রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, أن في الجنة مائة درجة بين كل درجتين كما بين السماء والأرض، والفردوس أعلاها درجة، ومن فوقها العرش، ومنها تفجر أنهار الجنة الأربعة، فإذا سألتم الله فاسألوه الفردوس. “নিশ্চয় জান্নাতে রয়েছে একশত দরজা বা স্তর, দু' দরজা বা স্তরের মাঝখানে আসমান ও যমীনের মাঝখানের দূরত্বের মতো, আর ফিরদাউস তন্মধ্যে সবচেয়ে উপরের স্তর বা দরজা। তার উপরেই আল্লাহর 'আরশ। আর তা থেকেই জান্নাতের চারটি নালা প্রবাহিত হচ্ছে, সুতরাং যখন তোমরা চাইবে তখন তাঁর কাছে ফিরদাউস চাইবে.” (২৮৫)

টিকাঃ
২৮৫. যাহাবী, আল-'আরش (২/৬৮)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 হাসসান ইবন সাবেত রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩৫-৪০ হিজরীর মাঝে)

📄 হাসসান ইবন সাবেত রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩৫-৪০ হিজরীর মাঝে)


হাসসান ইবন সাবেত ইবনুল মুনযির আল-খাজরাযী আল-আনসারী, আবুল ওয়ালীদ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সভাকবি। তিনি তাঁর কবিতায় বলছেন, شَهِدْتُ بِإِذْنِ اللَّهِ أَنَّ مُحَمَّدًا ... رَسُولُ الَّذِي فَوقَ السَّمَوَات من عل وَأَن أَبَا يَحْيَى وَيَحْتَى كِلَيْهِمَا ... لَهُ عَمَلٌ فِي دِينِهِ مُتَقَبَّل وَأَنَّ الَّتِي بِالسُّدِّ مِنْ بَطْنِ نخلةٍ ... وَمَنْ دَانَهَا فِلْ مِنَ الْخَيْرِ مَعْزِلِ وَأَنَّ الَّذِي عادى الْيَهُودُ ابْن مَرْيَم .... رَسُول أَتَى مِن عِنْدِ ذِي الْعَرْشِ مُرْسل "আমি আল্লাহর হুকুমে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় মুহাম্মাদ তাঁর উপর থেকে নির্বাচিত রাসূল, যিনি আসমানসমূহের উপর থেকে তাকে নির্বাচন করেছেন। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইয়াহইয়া ও আবু ইয়াহইয়া (যাকারিয়া) তারা উভয়েরই রয়েছে দীনের মধ্যে কবুলযোগ্য আমল। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, বাতনে নাখলায় যে গাছটির পূজা করা হতো সেই উয্যা ও তার অনুসারীরা যাবতীয় কল্যাণ থেকে মুক্ত। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ইয়াহুদীরা যে ইবন মারইয়াম ('ঈসা) এর বিরোধিতা করেছে, তিনি 'আরশ ওয়ালার পক্ষ থেকে রাসূল হিসেবে প্রেরিত ছিলেন.” (২৮৬)
তাছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাসসান ইবন সাবেত রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু যে শোক-গাঁথা রচনা করেছেন তাতে এসেছে, مَا بَالُ عَيْنِكَ لَا تَنَامُ ! كَأَنَّهَا ... كُحِلَتْ مَآقِيهَا بِكُحْلِ الْأَرْمَدِ؟ جَزَعًا عَلَى الْمَهْدِي أَصْبَحَ ثَاوِيًا .... يَا خَيْرَ مَنْ وَطِيءَ الْحُصَى لَا تَبْعَدِ يَا رَبِّ ! فَاجْمَعْنَا مَعًا وَنَبِيَّنَا ... فِي جَنَّةٍ تُفْقِي عُيُونَ الْحُسَّدِ فِي جَنَّةِ الْفِرْدَوْسِ وَاكْتُبْهَا لَنَا ... يَا ذَا الْجَلالِ وَذَا الْعُلا والسودد! صَلَّى الإِلَهُ وَمَنْ يُحَبُّ بِعَرْشِهِ ... وَالطَّيِّبُونَ عَلَى الْمُبَارَكِ أَحْمَدِ! "তোমার দু'টি চোখের কী হলো? তুমি কেন ঘুমাতে পার না, মনে হয় যেন, তোমার চোখের অশ্রু বয়ে যাওয়ার স্থানে নির্ঘুমের সুরমা লাগিয়েছ। হিদায়াতকারীর শোকে? যিনি মাটির নিচের অধিবাসী হয়ে গেছেন, হে পাথরের উপর বিচরণকারী উত্তম ব্যক্তি, আপনি কখনও দূরে যাবেন না। হে রব, আমাদেরকে আমাদের সাথে একসাথে রাখুন এমন জান্নাতে, হিংসুকদের হিংসা সেখানে কাজ করবে না। জান্নাতুল ফিরদাউসে, আর তা আমাদের জন্য লিখে দিন, হে মহান, হে সর্বোচ্চ সত্তা ও মর্যাদার অধিকারী। আল্লাহ সালাত পেশ করুন, আর তার 'আরশের চারপাশে যারা ঘিরে আছেন তারাও এবং উত্তম ব্যক্তিবর্গও বরকত প্রদানকৃত আহমাদের উপর.” (২৮৭)

টিকাঃ
২৮৬. দিওয়ানু হাসসান পৃ. ৩১৯; ইবনুল কালবী, আল-আসنام পৃ. ৪৪; ইবন সা'দ, আত-ত্বাবাক্কাত; আবু বকর ইবন আবী শাইবাহ, আল-আদাব পৃ. ৩৪৫; আযরাকী, আখবারু মাক্কাহ (১/১২৯); আবু ইয়া'লা, আল-মুসনাদ (৫/৬১), নং ২৬৫৩; আবু নু'আইম, আল-হিলইয়া (১/১১৯); ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ ৬০, ১৯৭; ইবন আবিল ইয্য, শারহুত-ত্বাহাওয়িয়‍্যাহ পৃ. ২৮২।
২৮৭. ইবন সা'দ, আত-ত্বাবাক্বাত (২/২৪৬); দিওয়ানে হাসসান ৬৫, ৬৬।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সাদ ইবন আবী ওয়াক্কাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৫৫ হিজরী)

📄 সাদ ইবন আবী ওয়াক্কাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৫৫ হিজরী)


সা'দ ইবন আবী ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু তিনি সা'দ ইবন মু'আয রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু কর্তৃক বনু কুরায়যার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়ের হাদীসটি বর্ণনা করেন। যাতে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছিলেন, "অবশ্যই তুমি এমন বিচার করেছ যা সাত আসমানের উপরে যিনি আছেন সেই আল্লাহর বিচার.” (২৮৯)

টিকাঃ
২৮৯. নাসায়ী, আল-কুবরা (৩/২৯৩); বাইহাকী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত (২/৩২১), হাদীস ৮৮৫।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00