📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (২৩ হিজরী)

📄 ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (২৩ হিজরী)


لما قدم عمر رضي الله عنه الشام استقبله الناس وهو على بعيره فقالوا : يا أمير المؤمنين لو ركبت برذونا تلقاك عظماء الناس ووجوههم، فقال عمر رضي الله عنه : لا أراكم ههنا إنما الأمر من ههنا، وأشار بيده إلى السماء . "উমার রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু যখন শাম দেশে আসলেন, তখন মানুষ তাকে স্বাদুর সম্ভাষণ জানাতে এসেছিল, তখন তিনি তাঁর উটের উপর ছিলেন। তারা বললো, হে আমিরুল মুমিনীন, যদি আপনি কোনো দামী অনারব ঘোড়া বা খচ্চরের উপর উঠতেন... কারণ আপনার সাথে গণ্যমান্য ও বড় বড় মানুষেরা সাক্ষাত করবে, তখন 'উমার রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু বললেন, আমি তোমাদের এখানে দেখতে চাই না। যা কিছু ঘটবে তা তো ওখান থেকেই হবে, আর তিনি আসমানের দিকে ইঙ্গিত করলেন.” (২৬৬)
অপর বর্ণনায় 'উমার রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু খাওলা বিনতে সা'লাবাহ এর কথা শুনার জন্য দেরী করলে একজন কারণ জিজ্ঞাসা করলে 'উমার রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, هَذِهِ امْرَأَةٌ سَمِعَ اللَّهُ شَكْوَاهَا مِنْ فَوْقِ سَبْعِ سَمَوَاتٍ، هَذِهِ خَوْلَةُ بِنْتُ ثَعْلَبَةَ، وَاللَّهِ لَوْ لَمْ تَنْصَرِفْ عَنِّي إِلَى اللَّيْلِ مَا انْصَرَفْتُ عَنْهَا حَتَّى تَقْضِيَ حَاجَتَهَا، إِلَّا أَنْ تَحْضُرَ صَلَاةٌ فَأُصَلِّيَهَا ، ثُمَّ أَرْجِعَ إِلَيْهَا حَتَّى تَقْضِيَ حَاجَتَهَا». "এ এমন এক মহিলা, যার অভিযোগ আল্লাহ সাত আসমানের উপর থেকে শুনেছেন, এ হচ্ছে খাওলা বিনতে সা'লাবাহ, আল্লাহর শপথ, যদি সে আমার সাথে কথা বলা ত্যাগ না করে রাত পর্যন্তও চালিয়ে যায় তবে আমিও তার কথা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিব না, যতক্ষণ না সে তার প্রয়োজন শেষ করছে। তবে যদি সালাতের সময় হয় তবে আমি সেটা পড়বো, তারপর আবার তার কাছে ফিরে আসব, যতক্ষণ না সে তার প্রয়োজন পূরণ করছে.” (২৬৭)
অপর বর্ণনায় তিনি বলেছিলেন, وَيْلٌ لِدَيَّانِ الْأَرْضِ مِنْ دَيَّانِ السَّمَاءِ يَوْمَ يَلْقَوْنَهُ . "দুনিয়ার রাজা-বাদশাহ ও শাসকের জন্য ধ্বংস, আসমানের শাসকের সামনে, যেদিন তাঁর সাথে তার সাক্ষাত হবে.” (২৬৮)
ইমাম লালেকাঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, سِيَاقُ مَا رُوِيَ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه: ٥] وَأَنَّ اللَّهَ عَلَى عَرْشِهِ فِي السَّمَاءِ ... فَدَلَّتْ أَنَّهُ تَعَالَى فِي السَّمَاءِ وَعِلْمُهُ بِكَلِّ مَكَانٍ مِنْ أَرْضِهِ وَسَمَائِهِ. وَرَوَى ذَلِكَ مِنَ الصَّحَابَةِ : عَنْ عُمَرَ، وَابْنِ مَسْعُودٍ.... "মহান আল্লাহর বাণী, 'আল্লাহ 'আরশের উপর উঠেছেন' [সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ০৫] এর ব্যাপারে যা এসেছে তার বর্ণনা, আর এটার বর্ণনায় যে, নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপরে আসমানের উপরে.” এ আয়াত প্রমাণ করছে যে, আল্লাহ তা'আলা উপরে, আর তাঁর ইলম তাঁর যমীন ও আসমানের সর্বত্র, আর এটি বর্ণিত হয়েছে, 'উমার ও ইবন মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুমা থেকে.... আর এটিই ইমাম আহমاد এর মত.” (২৬৯) তারপর তিনি বহু আলেমের নাম বর্ণনা করেছেন, যারা এ আকীদাহ-বিশ্বাসের কথা বলেছেন.

টিকাঃ
২৬৬. ইবন আবী শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ (১৮/৩১৯), নং ৩৪৫৩৬; (১৯/১৩৮), নং ৩৫৫৮৪; আবু নু'আইম ফিল হিলইয়াহ (১/৪৭); ইবন কুদামাহ, ইসবাতু সিফাতিল উলু পৃ. ১৪৯; নং ৫৬।
২৬৭. দারেমী, আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ, নং ৭৯; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ূশ পৃ. ১২০।
২৬৮. দারেমী, আন-নাকদ্ব (১/৫১৫); যাহাবী, আল-উলু নং ১৭১; আল-আরশ।
২৬৯. শারহু উসূলি ই'তিক্বাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (২/৩৮৮)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ‘আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৮ম হিজরী)

📄 ‘আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৮ম হিজরী)


ইবন আবদুল বার বলেন, আমাদের কাছে সহীহ সনদে এসেছে যে, আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু স্ত্রীর জেরা থেকে বাঁচার জন্য যে কবিতা আবৃতি করেছিলেন তা হচ্ছে, شهدت بأن وعد الله حق ... وأن النار مثوى الكافرينا وأن العرش فوق الماء طافٍ ... وفوق العرش رب العالمينا وتحمله ملائكة شداد ... ملائكة الإله مسومينا "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য- আর জাহান্নাম কাফিরদের শেষ ঠিকানা। আর 'আরশের উপর রয়েছেন রাব্বুল আলামীন। আর নিশ্চয় 'আরশ তা তো পানির উপর ভাসছে। আর সে 'আরশকে বহন করছে শক্ত-সামর্থ্য আল্লাহর নিশান লাগানো ফিরিশতাগণ.” তখন তাঁর স্ত্রী বলেছিলেন, আমি আল্লাহর ওপর ঈমান আনলাম আর আমার চক্ষুকে মিথ্যা সাব্যস্ত করলাম.” (২৭০)

টিকাঃ
২৭০. ইবন আসাকির, তারিখ (২৮/১১২, ১১৪); যাহাবী, আস-সিয়ার (১/২৩৮)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 উম্মুল মুমিনীন যায়নাব বিনতে জাহাশ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহা (২১ হিজরী)

📄 উম্মুল মুমিনীন যায়নাব বিনতে জাহাশ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহা (২১ হিজরী)


كانت زينب تفخر على أزواج النبي - صلى الله عليه وسلم - وتقول: زوجكن أهاليكن، وزوجني الله من فوق سبع سموات. "যায়নাব রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের ওপর গর্ব করতেন এবং বলতেন, তোমাদেরকে তোমাদের পরিবার বিয়ে দিয়েছে আর আমাকে আল্লাহ স্বয়ং বিয়ে দিয়েছেন সাত আসমানের উপর থেকে.” (২৭১)
অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলতেন, زوجنيك الرحمن من فوق عرشه كان جبريل السفير بذلك، وأنا ابنة عمتك. “হে নবী, রহমান তাঁর 'আরশের উপর থেকে আমাকে আপনার সাথে বিয়ে দিয়েছেন, জিবরীল ছিলেন এ বিয়ের দুতিয়াল, আর আমি আপনার ফুফাতো বোন.” (২৭২)

টিকাঃ
২৭১. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৯৮৪।
২৭২. ইমাম 'আসসাল সহ আরও বর্ণনা করেছেন হাকিম, আল-মুস্তাদরাক (৪/২৭), নং ৬৭৭৭; ইবন কুদামাহ, ইসবাতু সিফাতিল 'উলু পৃ. ৯৭, নং ১৭।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩২ হিজরী)

📄 আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু (৩২ হিজরী)


আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বিভিন্নভাবে আল্লাহ তা'আলা তাঁর 'আরশের উপর থাকার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। যেমন,
• এক বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ما بين السماء القصوى والكرسي خمسمائة عام، وبين الكرسي والماء كذلك، والعَرْشُ فَوْقَ المَاءِ، وَاللَّهُ فَوْقَ العَرْشِ لَا يَخْفَى عليه شيءٌ مِنْ أَعْمَالِكُم». "শেষ আসমান ও কুরসীর মাঝে দূরত্ব হচ্ছে পাঁচশ' বছর এবং কুরসী ও পানির মাঝে অনুরূপ (দূরত্ব)। 'আরশ পানির উপরে আর আল্লাহ 'আরশের উপরে। তাঁর কাছে তোমাদের আমলের কিছুই গোপন থাকে না."
এই হাদীস লালেকাঈ ও বাইহাকী সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। (২৭৩)
এই হাদীস আরও বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন মুনযির, আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন হাম্বল, আবুল কাসিম ত্বাবারানী, আবু 'উমার ইবন 'আব্দিল বার, আবু 'উমার তলামানকী প্রমুখ ও আবু আহমাদ 'আসসাল। (২৭৪)
অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি আল্লাহর বাণী, "তারপর তিনি 'আরশের উপর উঠলেন”(২৭৫) এর তাফসীরে বলেন, الْعَرْشُ عَلَى الْمَاءِ، وَاللَّهُ فَوْقَ الْعَرْشِ، وَهُوَ يَعْلَمُ مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ». "আরশ পানির উপর আর আল্লাহ 'আরশের উপর, তবে তিনি জানেন যার উপর তোমরা রয়েছ.” (২৭৬)
অপর বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, إِنَّ الْعَبْدَ لَيهَمُّ بِالْأَمْرِ مِنَ التَّجَارَةِ وَالإِمَارَةِ حَتَّى يُبَسَّرَ لَهُ نَظَرَ اللَّهُ إِلَيْهِ مِنْ فَوْقِ سَبْعِ سَمَوَاتٍ فَيَقُولُ لِلْمَلَائِكَةِ اصْرِفُوهُ عَنْهُ فَإِنْ يَسَّرْتَهُ لَهُ أَدْخَلْتُهُ النَّارَ. "নিশ্চয় বান্দা কোনো ব্যবসা কিংবা শাসক হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে, সে চায় যেন তার জন্য তা সহজ করে দেয়া হোক, তখন আল্লাহ তার দিকে সাত আসমানের উপর থেকে তাকান আর ফিরিশতাদের বলেন, তাকে এ কাজ থেকে ফিরিয়ে দাও, যদি তার জন্য তা সহজ করে দিই তবে তো আমি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করালাম.” (২৭৭)
অপর বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, إِذَا حَدَّثْنَاكُمْ بِحَدِيثٍ أَتَيْنَاكُمْ بِتَصْدِيقِ ذَلِكَ فِي كِتَابِ اللهِ إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهَ وَالْحَمْدُ اللهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَتَبَارَكَ اللهُ، قَبَضَ عَلَيْهِنَّ مَلَكٌ فَضَمَّهُنَّ تَحْتَ جَنَاحِهِ وَصَعِدَ بِهِنَّ لَا يَمُرُّ بِهِنَّ عَلَى جَمْعِ مِنَ الْمَلَائِكَةِ إِلَّا اسْتَغْفَرُوا لِقَائِلِهِنَّ حَتَّى يَجِيءَ بِهِنَّ وَجْهَ الرَّحْمَنِ، ثُمَّ تَلَا عَبْدُ اللَّهِ إِلَيْهِ يَصْعَدُ الْكَلِمُ الطَّيِّبُ وَالْعَمَلُ الصَّالِحُ يَرْفَعْهُ [فاطر: ١٠] "আমি তোমাদের নিকট যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করি, তখন তোমাদের নিকট সেটার সত্যতার সপক্ষে আল্লাহর কিতাব থেকে প্রমাণ নিয়ে আসি। যখন কোনো বান্দা বলে, সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, তাবারাকাল্লাহ' তখন একজন ফিরিশতা সেগুলোকে কব্জা করে নেয়, তারপর সেগুলোকে তার ডানার নিচে মিলিয়ে নেয়, সেগুলোকে নিয়ে উপরে উঠতে থাকে, যখনই কোনো ফিরিশতাদের মজলিস দিয়ে অতিক্রম করে যায় তখনই তারা তার প্রবক্তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে, অবশেষে সেটা নিয়ে সে রহমানের চেহারার সামনে উপস্থিত হয়। তারপর আব্দুল্লাহ তিলাওয়াত করলেন, "তাঁর দিকেই উত্থিত হয় উত্তম বাক্যসমূহ, আর উত্তম আমল তিনিই উপরে উঠান". [সূরা ফাতির: আয়াত ১০] (২৭৮)
• অপর বর্ণনায় এসেছে, وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ وَكَانَ يَخْطُبُ بِهِ: يَبْرُزُ الرَّبُّ تَعَالَى لِأَهْلِ جَنَّتِهِ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ فِي كُثُبِ مِنْ كَافُورٍ أَبْيَضَ، فَيُحْدِثُ هُمْ مِنَ الْكَرَامَةِ مَا لَمْ يَرَوْا مِثْلَهُ قَبْلَهُ، وَيَكُونُونَ فِي الدُّنُو مِنْهُ كَمُسَارَعَتِهِمْ إِلَى الْجُمَعِ "ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, তিনি একথা খুতবায় বলতেন, মহান রব্বুল আলামীন জান্নাতীদের জন্য প্রতি জুমু'আয় নিজেকে প্রকাশ করবেন, সাদা কর্কুরের স্তুপে, অতঃপর তিনি জান্নাতীদের জন্য এমন সম্মান ও মর্যাদার ব্যবস্থা করবেন, যার মতো কোনো কিছু তারা পূর্বে দেখেনি। আর তারা মহান রাব্বুল আলামীনের তেমন নিকটে থাকবে যেমন তারা (দুনিয়ার বুকে) জুমায় জমায়েত হওয়ার প্রতিযোগিতা করে থাকে”. (২৭৯)
• তাছাড়া ইতোপূর্বে 'রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন' (২৮০) এর ব্যাখ্যায় ইমাম লালেকাঈ এর আনীত বক্তব্যে এসেছে যে, আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপর, আর তাঁর জ্ঞান আসমান ও যমীনের সর্বত্র, এটি 'উমার ইবনুল খাত্তাব ও ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহুমারও বক্তব্য। (২৮১)
• অনুরূপভাবে ইতোপূর্বে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে শহীদদের রূহকে সবুজ পাখির ভেতর প্রদান করে জান্নাতে বিচরণ করা ও আল্লাহ তা'আলা তাঁর 'আরশ থেকে তাদেরকে জিজ্ঞেস করার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। (২৮২)

টিকাঃ
২৭৩. দারেমী, আর-রাদ্দু 'আলাল জাহমিয়্যাহ, পৃ. ২৭৫; ইবন খুযাইমাহ, আত-তাওহীদ (১/২৪২-২৪৩) হা/১৪৯; তাবারানী, আর-কাবীর (৯/২২৮); ইবন আব্দিল বার, আত-তামহীদ (৭/১৩৯); হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ (১/৮৬)। তিনি বলেছেন, এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ-এর বর্ণনাকারী।
২৭৪. যাহাবী, কিতাবুল 'আরশ, (অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ)।
২৭৫. সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ০৪।
২৭৬. সহীহ বুখারী, খালকু আফ'আলিল ইবাদ, পৃ. ৪৩; দারেমী, আর-রাদ্দু 'আলাল জাহমিয়্যাহ, পৃ. ৪৬, নং ৮১; ইবন খুযাইমাহ, আত-তাওহীদ (২/৮৮৫), নং ৫৯৪; লালেকাঈ, শারহু উসূলি ই'তিক্বাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (৩/৩৯৬); বাইহাকী, আল-আসমা ওয়াস-সিফাত (২/২৯০); আবুশ শাইখ, আল-আযামাহ (২/৫৬৫, ৬৮৮); যাহাবী তার উলু গ্রন্থে সনদকে সহীহ বলেছেন।
২৭৭. দারেমী, আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ, পৃ. ২৬; লালেকা'ঈ আস-সুন্নাহ; যাহাবী, আল-উলু, ১০৪; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ূশ, পৃ. ১৬০।
২৭৮. ত্বাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর, ৯/২৩৩; হাদীস নং ৯১৪৪; হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ২/৪৬১; হাদীস নং ৩৫৮৯; যাহাবী সহীহ বলেছেন। আরও দেখুন, যাহাবী, কিতাবুল 'আরশ, পৃ. ১০০। (অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ)।
২৭৯. ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানাহ আল-কুবরা, ৩/৪২, হাদীস, ৩১ ও ৩৪; উসুলুস সুন্নাহ, ইবন আবী যামানীন, ৫৫; যাহাবী, আল-আরশ, ২/১৬৭; আল-উলু ১/৭৩, ৭৪, ৮০; আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ, আস-সুন্নাহ ১/২৫৯; ইবনুল মুবারক, আয-যুহদ ওয়ার রাক্কায়িক ২/১৩১; ইবন খুযাইমাহ, আত-তাওহীদ ২/৮৯৩; দারাকুতনী, রুইয়াতুল্লাহ ২৬৮; আবু নু'আইম আল-আসফাহানী, সিফাতুল জান্নাহ ২/২২৭; যাহাবী, আল-উলু ১০৪। সনদ জাইয়েদ।
২৮০. সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ০৫।
২৮১. দেখুন: শারহু উসূলি ই'তিত্বাদি আহلিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (২/৩৮৮)।
২৮২. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৮৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00