📄 শাস্তি সম্পর্কিত কতিপয় আল্লাহর বাণী ও হাদীস
মহান আল্লাহ বলেন: “যারা ইয়াতীমের মাল অত্যাচারপূর্বক ভক্ষণ করে, তারা তাদের পেটে আগুন প্রবেশ করিয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে”। [সূরা আন-নিসা: ১০] অন্যত্র বলেন: “তোমরা অসৎ উপায়ে পরস্পরে একে অন্যের সম্পদ ভক্ষণ করো না। ... যে ব্যক্তি উল্লিখিত কাজগুলো অন্যায় ও বিরুদ্ধাচরণ পূর্বক করবে তাকে আমি শীঘ্রই জাহান্নামে প্রবেশ করাব।" [সূরা আন-নিসা: ২৯-৩০]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী অনুসারে: "শরাব পানকারী, মাতা পিতার সাথে নাফরমান ও অবাধ্য অথবা জমির সীমানা পরিবর্তনকারীর ওপর আল্লাহ তা'আলার লা'নত বা অভিশাপ।" আরও এসেছে: "সুদখোর, এর স্বাক্ষীদাতা ও এর লেখকের ওপর আল্লাহর অভিশাপ।" "মদীনায় যে নতুন কিছু ঘটায় (বিদ'আত করে), বা যে কোন বিদ'আতী ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়, তার ওপর আল্লাহর, মালাইকা ও সকল লোকেদের লা'নত বা অভিশাপ।" "যে ব্যক্তি আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।"
টিকাঃ
১৩০. কয়েকটি হাদীসের অংশ। দেখুন, মুসনাদে আহমদ, মুসলিম, নাসাঈ।
১৩১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
১৩২. সহীহ মুসলিম।
১৩৩. মুসনাদে আহমদ।
১৩৪. সহীহ মুসলিম।
১৩৫. আহমাদ, সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
১৩৬. সহীহ মুসলিম।
১৩৭. তিরমিযী।
১৩৮. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
১৩৯. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
১৪০. সহীহ মুসলিম।
১৪১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
📄 রাসূল (সাঃ)-এর হাদীসের বিরোধিতা পথভ্রষ্টতার দিকে ধাবিত করে
উল্লিখিত পথ ছাড়া অন্যগুলো কু-পথ। প্রথম পথ হলো এটা বলা যে, শাস্তির ধমকি আগত বিষয়ে যে কেউ ঐ কাজে লিপ্ত হবে, নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেক ব্যক্তিই সে শাস্তির সম্মুখীন হবে। এ জাতীয় কথা খারেজী ও মু'তাযিলা সম্প্রদায়ের কথার চেয়েও ঘৃণিত। দ্বিতীয় পথ হলো হাদীস অনুযায়ী কথা না বলা ও আমল না করা এবং দাবী করা যে, ঐ হাদীসের চাহিদা অনুযায়ী কথা বললে যারা এতে আমল না করে তাদের প্রতি দোষারোপ করা হয়।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তারা পাদ্রীদের ইবাদত করে নি, বরং পাদ্রীরা তাদের জন্য হারামকে হালাল করেছে, অতঃপর তারা তাদের অনুসরণ করেছে এবং হালাল বস্তুকে হারাম করেছে, পরে তারা তাদের অনুসরণ করেছে।" আমাদের উচিত আল্লাহ প্রদত্ত কিতাবে আমল করা এবং পরিপূর্ণভাবে ঈমান আনা। হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার মনোনীত পথে পরিচালনা করুন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর প্রাপ্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব্ব।
টিকাঃ
১৪২. আহমাদ, তিরমিযী, ইবন জারীর, আদী ইবন হাতেম রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে।