📄 কোরানিক সেল্ফ কন্ট্রোল এবং এর বিশেষত্ব
মাইন্ড কন্ট্রোলের সর্বোচ্চ স্তর হলো সেল্ফ কন্ট্রোল, যার প্রকৃত সুফল এবং শক্তি নিহিত রয়েছে পবিত্র কোরআন এবং নবী (সঃ)-এর সুন্নাহতে, যাদেরকে মেলাতে হয় বিশেষ উপায়ে সাধনার মাধ্যমে। আমরা ইতোমধ্যে কিছুটা বুঝেও নিয়েছি কী এর ফলশ্রুতি। এর রূপরেখা এবং পদ্ধতিগুলো কী তা আমরা স্পষ্টভাবে জানব। আমরা প্রমাণ সহকারে জানব যে ইসলামিক মাইন্ড কন্ট্রোল মানে কোনো সাময়িক ব্যায়াম নয়, তা হলো পুরোপুরি লাইফ কন্ট্রোল।
মনোনিয়ন্ত্রণ মানেই জীবন-নিয়ন্ত্রণ।
অর্থাৎ জীবনকে পাওয়া।
অর্থাৎ আলোকপ্রাপ্তি।
সকল দুঃখ-কষ্টকে অতিক্রম করা।
এমনকি শারিরীক যন্ত্রণাকেও অতিক্রম করা।
জীবনের স্বরূপ দর্শন।
নিজেকে ফিরে পাওয়া।
মানব-মনের স্বাভাবজাত স্বর্গসুখে পুনস্থিত হওয়া, যা আমরা আত্ম-চেতনা প্রাপ্তির সাথে সাথেই ভ্রান্তিবশত হারিয়ে ফেলেছি।
ইসলামিক আত্মনিয়ন্ত্রণ মানে মনের যাবতীয় ময়লা থেকে মনকে পরিষ্কার করা।
অন্ধকারের অতল থেকে আলোর জগতে উঠে আসা।
সকল সীমাকে অতিক্রম ক'রে অসীমে উত্তরণ।
অন্তরের দারিদ্র্যমোচন।
ন্যূজ দুর্বলতাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে অনাড়ষ্ট সবলতা অর্জন।
চিরকালীন মুক্তি।
দুশ্চিন্তা, হতাশা, যুগের ক্লান্তি থেকে চিরমুক্তি।
মোহমুক্তি।
তীলে তীলে মৃত্যুকেও অতিক্রম ক'রে যাওয়া।
এর মাধ্যমে জীবনের অভিশাপ থেকে জীবন চিরমুক্তি লাভ করে। ভোগ পরিণত হয় যথার্থ সম্ভোগে। সংযম পরিণত হয় পরম প্রশান্তিতে। দানের মধ্যে আত্মপ্রাপ্তি ঘটে। প্রাপ্তির মধ্যে প্রকৃত সার্থকতা লাভ হয়। ভালোবাসা হয়ে ওঠে আনন্দঘন। বিরহ হয়ে ওঠে প্রেমময়।
এর দ্বারা লাভ হয় পরম স্বাধীনতা।
উচ্ছ্বসিত আনন্দ।
অদম্য আত্মবিশ্বাস।
অনড় আস্থা।
সীমাকে অতিক্রম ক'রে শ্বাশ্বত, অবিনশ্বর অসীমের সাক্ষাৎ।
সকল শৃঙ্খল থেকে চিরমুক্তি।
ইহকাল-পরকালকে একত্রে বেঁধে ফেলে মৃত্যুহীন অসীম চেতনাতে একাকার হয়ে যাওয়া।
না, এ কোনো কবিসুলভ কথার ফুলঝুরি নয়। এটাই হলো পরম বাস্তবতা। যাবতীয় অবাস্তবকে অতিক্রম ক'রে যুগ-যুগের কারাভোগের পর স্মৃতিবিজড়িত আনন্দে নিরুদ্বেগ ঘরে ফেরা। পবিত্র কোরআনো যেমন বলা হয়েছে:
তাদের পূর্ববর্তীগণও কৌশল করেছিল; কিন্তু সব বিষয়ের মূল পরিকল্পনা আল্লাহরই। তিনি প্রত্যেকটা আত্মার কাজের খবর রাখেন; এবং শীঘ্রই অবিশ্বাসীরা জানবে কারা অবশেষে (সূরা রা'দ, আয়াত: ৪২) ঘরে ফেরে।
মাইন্ড কন্ট্রোলের সর্বোচ্চ স্তর হলো সেল্ফ কন্ট্রোল, যার প্রকৃত সুফল এবং শক্তি নিহিত রয়েছে পবিত্র কোরআন এবং নবী (সঃ)-এর সুন্নাহতে, যাদেরকে মেলাতে হয় বিশেষ উপায়ে সাধনার মাধ্যমে। আমরা ইতোমধ্যে কিছুটা বুঝেও নিয়েছি কী এর ফলশ্রুতি। এর রূপরেখা এবং পদ্ধতিগুলো কী তা আমরা স্পষ্টভাবে জানব। আমরা প্রমাণ সহকারে জানব যে ইসলামিক মাইন্ড কন্ট্রোল মানে কোনো সাময়িক ব্যায়াম নয়, তা হলো পুরোপুরি লাইফ কন্ট্রোল।
মনোনিয়ন্ত্রণ মানেই জীবন-নিয়ন্ত্রণ।
অর্থাৎ জীবনকে পাওয়া।
অর্থাৎ আলোকপ্রাপ্তি।
সকল দুঃখ-কষ্টকে অতিক্রম করা।
এমনকি শারিরীক যন্ত্রণাকেও অতিক্রম করা।
জীবনের স্বরূপ দর্শন।
নিজেকে ফিরে পাওয়া।
মানব-মনের স্বাভাবজাত স্বর্গসুখে পুনস্থিত হওয়া, যা আমরা আত্ম-চেতনা প্রাপ্তির সাথে সাথেই ভ্রান্তিবশত হারিয়ে ফেলেছি।
ইসলামিক আত্মনিয়ন্ত্রণ মানে মনের যাবতীয় ময়লা থেকে মনকে পরিষ্কার করা।
অন্ধকারের অতল থেকে আলোর জগতে উঠে আসা।
সকল সীমাকে অতিক্রম ক'রে অসীমে উত্তরণ।
অন্তরের দারিদ্র্যমোচন।
ন্যূজ দুর্বলতাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে অনাড়ষ্ট সবলতা অর্জন।
চিরকালীন মুক্তি।
দুশ্চিন্তা, হতাশা, যুগের ক্লান্তি থেকে চিরমুক্তি।
মোহমুক্তি।
তীলে তীলে মৃত্যুকেও অতিক্রম ক'রে যাওয়া।
এর মাধ্যমে জীবনের অভিশাপ থেকে জীবন চিরমুক্তি লাভ করে। ভোগ পরিণত হয় যথার্থ সম্ভোগে। সংযম পরিণত হয় পরম প্রশান্তিতে। দানের মধ্যে আত্মপ্রাপ্তি ঘটে। প্রাপ্তির মধ্যে প্রকৃত সার্থকতা লাভ হয়। ভালোবাসা হয়ে ওঠে আনন্দঘন। বিরহ হয়ে ওঠে প্রেমময়।
এর দ্বারা লাভ হয় পরম স্বাধীনতা।
উচ্ছ্বসিত আনন্দ।
অদম্য আত্মবিশ্বাস।
অনড় আস্থা।
সীমাকে অতিক্রম ক'রে শ্বাশ্বত, অবিনশ্বর অসীমের সাক্ষাৎ।
সকল শৃঙ্খল থেকে চিরমুক্তি।
ইহকাল-পরকালকে একত্রে বেঁধে ফেলে মৃত্যুহীন অসীম চেতনাতে একাকার হয়ে যাওয়া।
না, এ কোনো কবিসুলভ কথার ফুলঝুরি নয়। এটাই হলো পরম বাস্তবতা। যাবতীয় অবাস্তবকে অতিক্রম ক'রে যুগ-যুগের কারাভোগের পর স্মৃতিবিজড়িত আনন্দে নিরুদ্বেগ ঘরে ফেরা। পবিত্র কোরআনো যেমন বলা হয়েছে:
তাদের পূর্ববর্তীগণও কৌশল করেছিল; কিন্তু সব বিষয়ের মূল পরিকল্পনা আল্লাহরই। তিনি প্রত্যেকটা আত্মার কাজের খবর রাখেন; এবং শীঘ্রই অবিশ্বাসীরা জানবে কারা অবশেষে (সূরা রা'দ, আয়াত: ৪২) ঘরে ফেরে।