📄 কুরআন বিষয়ক ১০১ টি তথ্য
১. পবিত্র কুরআনের প্রথম ওহি নাজিল হয় ৬১০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ই রমজান।
২. কুরআনে কারীম নাজিল হয়েছে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন ধরে। প্রথম ওহি নাজিল হওয়ার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স ছিল ৪০ বছর ৬ মাস।
৩. সর্বপ্রথম সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত নাজিল হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় ওহি হিসেবে নাজিল হয়েছে সূরা মুদ্দাসসিরের প্রথম পাঁচ আয়াত।¹⁴ প্রথম ও দ্বিতীয় ওহির মধ্যে ব্যবধান ছিল প্রায় আড়াই বছর¹⁵, যাকে ‘ফাতরাতের সময়’ বলা হয়।
৪. সর্বশেষে নাজিল হয়েছে- এক মতে সূরা বাকারার ২৮১ নং আয়াত- ‘وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ثُمَّ تُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يَظْلِمُونَ’। হযরত উবাই বিন কাব রাযি. এর বর্ণনানুযায়ী সূরা তাওবার ১২৮ ও ১২৯ নং আয়াত- ‘لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِّنْ أَنفُسِكُمْ عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنִتُّMonitoring حَرِيصٌ عَلَيْكُم بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ ❁ فَإِن تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ’।
৬. প্রথম ওহির লেখক ছিলেন হযরত খালেদ বিন সাঈদ রাযি. ও শেষ ওহির লেখক হযরত উবাই বিন কাব রাযি.।⁹⁹
৭. প্রথম ওহি গারে হেরায় ও শেষ ওহি মদিনা মুনাওয়ারায নাযিল হয়েছে।
৮. কুরআনের প্রথম বা মক্কী যুগ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের ৪১ তম বছরের ১৭ রমজান থেকে জন্মের ৫৪ তম বছরের ১ রবিউল আউয়াল পর্যন্ত। এরপর থেকে ৩ রবিউল আউয়াল ১১ হিজরি¹⁰⁰ পর্যন্ত কুরআনের দ্বিতীয় যুগ।
৯. কুরআনের প্রথম যুগ ছিল ১২ বছর ৫ মাস ১২ দিন; আর দ্বিতীয় যুগ ১০ বছর ২ দিন।
১০. প্রথম উচ্চস্বরে জনসম্মুখে কুরআন তেলাওয়াত করেছেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি.।
১১. কুরআনে প্রথম নুকতা লাগিয়েছেন বিশিষ্ট তাবেয়ী আবুল আসওয়াদ দুওয়ালী রহ.।
১২. কুরআন নাযিল হওয়া শুরু হওয়ার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ২৩ বছর জীবিত ছিলেন- ১৩ বছর মক্কায় আর ১০ বছর মদিনায়।
১৩. কুরআনের প্রথম অনুবাদ হয়েছে ল্যাটিন ভাষায়; ১১৪১ খ্রিস্টাব্দে।¹⁰¹
১৪. ভারত উপমহাদেশে প্রথম ফারসি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
১৫. ভারত উপমহাদেশে প্রথম কুরআনের ফারসি অনুবাদ করেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী রহ.।¹⁰২
১৪. কুরআন কারীমে জিবরাঈল আ. কে ‘রূহুল আমীন’ ও ‘রূহুল কুদস’ও বলা হয়েছে।
১৫. কুরআন কারীমে কেবল একজন নারীর নাম স্পষ্টভাবে আছে- তিনি হযরত মারইয়াম আ.।
১৬. কুরআনে নবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হযরত মূসা আ. এর নাম ও তাঁর ঘটনা উল্লেখ হয়েছে।
১৭. কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী সবচেয়ে অবাধ্য জাতি ছিল বনী ইসরাঈল।
১৮. কুরআনে মাক্বাকে ‘বাক্কা’, ‘বালাদে আমীন বা নিরাপদ শহর’ ও ‘ওয়াদিযে গায়রে জী যারওয়া’ বা ফসলহীন শহর’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
১৯. কুরআনে মদীনাক্কে ‘ইয়াসরিব’ নামে ব্যক্ত করা হয়েছে।
২০. কুরআনে স্পষ্টভাবে দুই নামাজের কথা আছে; ফজর ও আসর।
২১. হযরত ইবরাহীম আ. কে কুরআনে ‘ইমাম বা মানবজাতির ধর্মীয় আদর্শব্যক্তি’ বলা হয়েছে।
২২. কুরআনে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাযি. কে ‘সানি সনাইন ইজ হুমা ফিল গার বা সওর ওহা দু’জনার একজন’ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ‘সাহিবা বা সাথী’ বলা হয়েছে।
২৩. কুরআনে সর্বাধিক ব্যবহৃত বর্ণ হল আলিফ।
২৪. সবচেয়ে কম ব্যবহৃত বর্ণ সোয়াদ; তারপর তোয়া।
২৫. সূরা কাউসারে ‘দাল’ বর্ণটি নেই।
২৬. সূরা ইখলাসে ‘রা’ হরফটি নেই।
২৭. সূরা ইখলাসে মাত্র একবার ‘যের’ হরকত এসেছে।
২৮. সূরা কাউসারে দুইবার ‘পেশ’ এসেছে।
২৯. সুরা ফাতিহা, আলাম নাশরাহ, ফীল, কুরাইশ ও ফালাককে চারবার করে ‘পেশ’ এসেছে।
৩০. সুরা নাসর ও লাহাবকে ‘পেশ’ এসেছে ছয়বার করে।
৩১. সুরা যুহা ও নাসে সাতবার করে ‘পেশ’ এসেছে।
৩২. সুরা আসরের মতো ছোট একটি সুরায় দশবার ‘ওয়াও’ হরফ ব্যবহার হয়েছে।
৩৩. সুরা বাকারার ২৮২ নং আয়াতে (যা কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত) ২০ টি ‘কাফ’ ব্যবহার হয়েছে।
৩৪. কুরআন কারীমের ‘আলিফ’ শব্দটিকে প্রায় ৫০ ভাবে পড়া যায়।
৩৫. সুরা মায়েদার ৬০ নং আয়াতের ‘ عبد الطاغوت ’ কে ২০ ভাবে পড়া যায়।
৩৬. সুরা ফাতেহার ‘ ملك يوم الدين ’ কে ১০ ভাবে পড়া যায়।
৩৭. কুরআনে কারীমের দুটি আয়াতে সকল আরবি হরফ ব্যবহৃত হয়েছে: ১. সুরা আলে ইমরানের ১৫৪ নং আয়াত এবং ২. সূরা ফাতহের ২৯ নং আয়াত।
৩৯. সুরা নাযিআত এর 'فحشر فنادى' এই আয়াতে সাকিন ও তাশদিদ নেই।
৪০. কুরআনের দুই জায়গায় পরপর দুটি 'হ' এসেছে: ১। عقدة النكاح ২। لا أبرح حتى।
৪১. কুরআনের দুই জায়গায় পরপর দুটি 'ক' এসেছে: ১। مناسككم ২। ما سلككم।
৪২. পরপর দুটি 'غ' এসেছে মাত্র এক জায়গায়: ১। ومن يبتغ غيرالإسلام دينا: غيرالمغضوب عليهم।
৪৩. কুরআনের দুটি আয়াত 'গ' দ্বারা শুরু হয়েছে: ১। غلبت الروم ২। غلبت الروم।
৪৪. কুরআনের সবচেয়ে বড় শব্দ- ফাসকাইনা'কুমোহু (সুরা হিজর: ২২)।
৪৫. সূরা মুজাদিলা একমাত্র সুরা- যার প্রত্যেক আয়াতে 'আল্লাহ' শব্দ রয়েছে।
৪৬. সূরা তওবা একমাত্র সুরা- যা বিসমিল্লাহ দ্বারা শুরু হয়নি।
৪৭. সূরা নামল একমাত্র সুরা- যা তে দুটি বিসমিল্লাহ রয়েছে।
৪৭. সর্বসম্মত মাক্কী সুরার সংখ্যা ৮২ টি, মাদানী সুরা ২০ টি। আর ১২ টি সুরা নিয়ে মতভেদ আছে।¹⁰¹
৪৮. মক্কায় অবতীর্ণ সর্বপ্রথম সুরা- সুরা আনকাবুত।
৪৯. মদিনায় অবতীর্ণ সর্বপ্রথম সুরা- সুরা বাকারা আর সর্বশেষ সুরা মায়িদা।
৫০. সুরা কাসাসের ৮৫ নং আয়াত - হিজরতের সময় পথে অবতীর্ণ হয়েছে।
৫১. যেসব সুরায় হুদুদ (বিশেষ শাস্তির বিধান) বা ফারায়েজের আলোচনা রয়েছে, সেগুলো সব মাদানী।
৫২. যেসব সুরায় মুনাফিকের কথা রয়েছে, সেগুলো মাদানী। তবে সুরা আনকাবূত ব্যতিক্রম।
৫৩. যেসব সুরায় সেজদা রয়েছে, সেগুলো মক্কী।
৫৪. যেসব সুরায় নবী-রসূল ও পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ঘটনা রয়েছে, সেগুলো মক্কী। তবে সুরা বাকারা ব্যতিক্রম।
৫৫. যেসব সুরায় আহলে কিতাবের কথা এসেছে এবং তাদেরকে গোঁড়ামি পরিত্যাগ করার আহবান জানানো হয়েছে, সেগুলো মাদানী।
৫৬. যেসব সুরা হরুফে মুকাত্তায়াত দ্বারা শুরু হয়েছে, সেগুলো মক্কী। তবে সুরা বাকারা ও আলে ইমরান ব্যতিক্রম।
৫৭. যেসব সুরায় ‘يَا أَيُّهَا النَّاسُ’ রয়েছে- অথচ ‘يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا’ নেই, সেগুলো মক্কী। তবে সুরা হাজ্জ ‘يَا أَيُّهَا النَّاسُ’ এর পাশাপাশি ‘يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا’ থাকা সত্ত্বেও অনেকে এই সুরাকে মক্কী বলেছেন।¹⁰²
৫৮. কুরআনে ৯৯ বার নামাজের কথা এসেছে। ৩৩ বার যাকাতের কথা এসেছে। ২৭ বার নামাজ ও যাকাতের কথা একসাথে এসেছে।¹⁰⁰
৫৯. কুরআনে দোয়ার কথা বলা হয়েছে ৭০ বারের বেশি।
৬০. কুরআনে কারীমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ১০ বার "يا أيها النبي" বলে সম্বোধন করা হয়েছে।
৬১. কুরআনে হযরত আদম আ. এর নাম এসেছে ২৫ বার।
৬২. হযরত নূহ আ. এর উল্লেখ এসেছে ৪৩ বার।¹⁰৪
৬৩. কুরআনের মোট আয়াত-সংখ্যা ৬২৩৬।
৬৪. কুরআনে কারীমের সবচেয়ে বড় আয়াত সূরা বাক্বারার ২৮২ নং আয়াত।
৬৫. কুরআনের সবচেয়ে ছোট আয়াত মুদাস্সিরের আয়াত- لم ننظر। তবে হরফে মুকাত্তায়াতসহ হিসাব করলে طه বা حم।
৬৬. হযরত ইবরাহীম আ. একবার চারটি পাখি জবাই করে একত্রে মিশিয়ে চার পাহাড়ের উপর রেখে এসেছিলেন, সে পাখিগুলো ছিল- ময়ূর, কবুতর, মোরগ ও কাক।
৬৭. কুরআনে উল্লিখিত আসমানি কিতাবগুলোর নাম- ১। কুরআন ২। ইবরাহীম আ. এর সহিফাসমূহ ৩। তাওরাত ৪। যাবূর ৫। ইঞ্জিল।
৮৮. কুরআনের সূরা বাকারায় যে নবীকে ১০০ বছর পর জীবিত করার কথা আছে, তিনি হযরত উযাইর আ.।
৮৯. কুরআনে বর্ণিত হযরত মূসা আ. এর সময়ে প্রকাশিত আল্লাহর ৯ টি নিদর্শন হল- ১। উজ্জ্বল হাত ২। লাঠি ৩। দুর্ভিক্ষ ৪। ফলমূলের ঘাটতি ৫। প্লাবন ৬। তিড্ডি ৭। উকুন ৮। ব্যাঙ ৯। রক্ত।
৯০. পবিত্র কুরআনে প্রায় ৪০ টি উপমা রয়েছে।³⁰৫ উপমা বা দৃষ্টান্ত দেওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালা যেসব জিনিস উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এই: ১। মাছি ২। মশা ৩। কুকুর ৪। মৌমাছি ৫। মাকড়শার জাল।
৯১. কুরআনে উল্লিখিত সবচেয়ে বড় সংখ্যা- একলক্ষ (সূরা সাফফাতের ১৪৭ নং আয়াত- وَأَرْسَلْنَاهُ إِلَى مِائَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ)।
৯২. সূরা ফাতেহার অপর নাম- বাবুল কুরআন (কুরআনের দরজা), উম্মুল কুরআন (কুরআনের মূল) ইত্যাদি।
৯৩. সূরা বাকারাকে ‘কুরআনের কুঁঁজ’ বলা হয়েছে।
৯৪. সূরা বাকারার অন্তর্ভুক্ত আয়াতুল কুরসিকে কুরআনের আয়াতসমূহের সর্দার বলা হয়েছে।³⁰৬
৯৫. সূরা ইউসুফে বর্ণিত ঘটনাকে পবিত্র কুরআন স্বয়ং ‘আহসানুল কাসাস’ বা ‘সুন্দরতম ঘটনা’ বলেছে।
৯৬. সূরা ইয়াসিনকে ‘কুরআনের হৃদয়’ বলা হয়েছে।
৯৭. সূরা আর-রাহমানকে (ব্যতিক্রমী সৌন্দর্য বিবেচনায়) ‘কুরআনের বধূ’ বলা হয়েছে।
৯৮. সূরা ফালাক ও নাসকে একত্রে ‘মুআওয়িজাতাইন’ বলা হয়।
৭৯. একবার সূরা ইয়াসিন পড়লে দশবার পুরো কুরআন পড়ার সওয়াব পাওয়া যায়।¹⁰⁷
৮০. তিনবার সূরা ইখলাস পড়লে একবার পুরো কুরআন পড়ার সওয়াব পাওয়া যায়।¹⁰⁸
৮১. সূরা আর-রাহমানের মূল আলোচ্যবিষয় আল্লাহ তায়ালার গুণকীর্তন।
৮২. সূরা নূর নাযিলের উদ্দেশ্য হযরত আয়শাকে নির্দোষিতার সনদ প্রদান।
৮৩. সূরা বাকারায় সবচেয়ে বেশি হুকুম-আহকামের বর্ণনা রয়েছে।
৮৪. সূরা ত্বাহার প্রথমংশের তেলাওয়াত শুনে হযরত ওমর রাযি. মুসলমান হয়েছেন।
৮৫. সূরা তূর শুনে হযরত জুবাইর বিন মুতইম ঈমান এনেছেন।
৮৬. কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরা- সূরা বাকারা। সবচেয়ে ছোট সূরা কাউসার।
৮৭. সূরা মুতাফফিফীন, হুমায়া ও লাহাবের শুরু বদদোয়া দিয়ে হয়েছে।
৮৮. একমাত্র সূরা ইখলাস ও ফাতিহায় ওই সূরার নাম উল্লেখ নেই।
৮৯. কুরআনের সবচেয়ে বড় পারা ৩০ নং পারা।
৯০. আয়াতসংখ্যা হিসেবে সবচেয়ে ছোট ২য় পারা।
৯১. সবচেয়ে বড় রুকু সূরা আলে ইমরানের ৮ নং রুকু।
৯২. সবচেয়ে বড় মনযিল ৭ নং মনযিল।
৯৩. সূরা কাহাফের ‘وَلْيَتَلَطَّفْ’ শব্দে হরফসংখ্যা হিসেবে কুরআনে কারীমের প্রথমার্ধ পূর্ণ হয়েছে। এই শব্দের 'তা' বর্ণটি প্রথম অর্ধেকের পড়েছে আর তার পরের 'লাম' বর্ণটি পড়েছে দ্বিতীয় অর্ধেকের।
৯৪. কুরআনে কারীমে সবজায়গায় 'يهدي' শব্দের 'দালে' তাশদিদ ছাড়া যে রয়েছে। কিন্তু সুরা ইউনূসের ৩৫ নং আয়াতের أَمَّনْ لَّا يَهْدِي إِلَّا أَن يُهْدَىٰ - এখানে 'দালে' তাশদিদ রয়েছে।
৯৫. 'عليه' শব্দে সবজায়গায় 'হা'-তে যের থাকলেও সুরা ফাতেহর ১০ নং আয়াত- وَمَنْ عَاهَدَ عَلَيْهِ اللَّهُ - এখানে 'عليه' এর 'হা'-তে পেশ রয়েছে।
৯৬. 'لِّي' শব্দে সবজায়গায় 'ইয়া'-তে সাকিন রয়েছে; তবে সুরা ইবরাহিমের ২২ নং আয়াত - وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُمْ مِنْ সলতানিন - এখানে যবর রয়েছে।
৯৭. পরে ফেল বা ক্রিয়াবাচক শব্দ আছে এমন 'يوم' শব্দের 'মিমে' সবজায়গায় যবর থাকলেও সুরা মায়েদার ১১২ নং আয়াত- هَذَا يَوْمُ يَنْفَعُ الصَّادِقِينَ صِدْقُهُمْ - এখানে পেশ রয়েছে।
৯৮. পবিত্র কুরআন বিশ্বের সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ।
৯৯. কুরআন সবচেয়ে বেশি অনূদিত হয়েছে উর্দু ভাষায়।
১০০. কমপক্ষে ১২০ টি ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হয়েছে।
১০১. সর্বপ্রথম কুরআন ছাপা হয়েছে ইতালির রোমে ১৫৩০ সালে; প্যানিনাস ব্রেনসিসের হাতে। তবে এই মুদ্রণ তেমন প্রচার পায়নি। এরপর ১৬৯৪ সালে জার্মানির হামবুর্গ শহরে হিকেনম্যানের হাতে পুনরায় পবিত্র কুরআন ছাপা হয়। (উল্লেখ্য, মুসলিম বিশ্বে তখনও মুদ্রণশিল্প পরিচিত হয়নি।)
টিকাঃ
১৪ কেউ কেউ বলেছেন, ‘দ্বিতীয় ওহি ছিল সূরা কলম। দেখুন: আল-ইতকান, পৃ: ২২ ও তাফসিরে ইবনে আব্বাসের সূরা মুহাম্মাদিন ও সূরা মুদ্দাসসিরের ভূমিকা।
১৫ ফাতরাতের সময়কাল সম্পর্কেও মতভেদ রয়েছে। অনেকে চল্লিশ দিন হওয়াকে অধিকতর সহিহ বলেছেন।
৯৯ হযরত উবাই বিন কাব রাযি. শেষ ওহির লেখক হবেন, যদি উপরে উল্লিখিত তাঁর বর্ণিত আয়াতটিকে সর্বশেষ আয়াত ধরা হয়। অবশ্য অন্যান্য মত হল, সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াত সুরা বাকারার ২৮১ নং আয়াত।
১০০ সুরা বাকারার وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ আয়াতটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের নয় রাত আগে নাযিল হয়েছে। (ইবনে কাসির)
১০১ মাজাল্লাতুল ওয়াল্ফ ইসলামী; সংখ্যা ৫০২।
১০২ কুরআনুল মালুমাত, মুহাম্মাদ তাহির, পৃ: ১২৫।
১০০ আল-বাহরুল মুহিত, যারকাশি: ১/৪০৭।
১০১ মাৰাহিস ফি উলূমিল কুরআন, মান্না আল কাত্তান, পৃ: ৫০।
১০২ মাৰাহিস ফি উলূমিল কুরআন, মান্না আল কাত্তান, পৃ: ৬২; আল-বুরহান, যারকাশী, পৃ: ১৮৮।
১০০ ৯৯ বার নামাজের কথা আসার যে কথা প্রচলিত আছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
১০৪ সূত্র: শামেল্যা-অনুসন্ধান।
৩০৫ দেখুন: আমসালুল কুরআন, ইবনুল কায়্যিম ও আল-মুদহিশ, ইবনুল জাওযী।
৩০৬ তিরমিযি: ২৮৭৮।
১০৭ প্রাগুক্ত: ২৬৮৭।
১০৮ বুখারি: ৫০১০; মুসলিম: ৮১১।
১০৮ স্টুডেন্টস ব্রিটানিকা ইন্ডিয়া (ইংরেজি), এডিঃ Quran, ৪/২০০।
📄 সহায়ক গ্রন্থাবলি
* আল কুরআনুল কারীম
* সহীহ বুখারী
* সুনানে তিরমিজি
* রূহুল মাআনী, মাহমুদ আলূসী
* তাফসিরে ইবনে আব্বাস
* তাফসিরে বায়্যানুল কুরআন
* তাফসিরে তাওয়াযূহুল কুরআন, মুফতি তাকি উসমানী, অনুবাদ: মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মাকতাবাতুল আশরাফ, ঢাকা
* শরহ সুনানি আবী দাউদ, আব্দুল মুহসিন আববাদ, মাকতাবা শামেলা
* আল-ইতকান ফী উলূমিল কুরআন, জালালুদ্দীন সুয়ূতী, মাকতাবা শামেলা
* মানাহিদুল ইরফান, আব্দুল আজিম যুরকানী, মাকতাবা শামেলা
* আল-ফাওযুল কাবির, শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী, দারুল গাওসানি দিমাশক
* উলূমুল কুরআন, মুফতি তাকি উসমানী, মাকতাবা দারুল উলূম করাচি
* আল-বাহরুল মুহিত, বদরুদ্দীন যারকাশী, মাকতাবা শামেলা
* আসরারুল হালাবিয়্যা, আলী ইবনে বুরহানুদ্দীন হালাবী, মাকতাবা শামেলা
* সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ, মুহাম্মাদ বিন ইউসূফ আস-সালিহী, মাকতাবা শামেলা
* মাজমুউল ফাতাওয়া, ইবনে তাইমিয়া, মাকতাবা শামেলা
* কুরআনী মালূমাত, আব্দুল মাওলুদ কাসেমী, রশিদিয়া লাইব্রেরী চট্টগ্রাম
* কুরআনী মালূমাত, মুহাম্মাদ তাইয়্যিব, সৌদি আরবের ধর্ম-মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত
* মাবাহিস ফী উলূমিল কুরআন, মান্না আল কাত্তান, মাকতাবাতু ওয়াহাবাত কায়রো
* মাবাহিস ফী উলূমিল কুরআন, ড. সুবহী আস-সালেহ, মাকতাবা শামেলা
* তালাক্বিয়্যাবিয়্যি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলফাযাল কুরআনিল কারীম, আব্দুস সালাম মাজিদী, মাকতাবা শামেলা
* তাইসিরুল আযিযিল মান্নান ফি বায়ান ই'জাযিল কুরআন, আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ হারফী, মাকতাবা শামেলা
* আমসালুল কুরআন, ইবনু কায়্যিম আল-জাওযিয়া, মাকতাবা শামেলা
* আল-মুদহিশ, ইবনুল জাওযী, মাকতাবা শামেলা
* কাশফুন যুনুন, হাজী খলিফা, মাকতাবা শামেলা
* তাবাক্বাতুল ক্বুররা, আল্লামা যাহাবী, মারকাযুল মালিকি ফায়সাল লিল-বুহুস
* গাযাতুন নিহায়া ফী তাবাকাতিল ক্বুররা, ইবনুল জাযারী, মাকতাবা শামেলা
* আল-আওয়ায়েল, আবু হেলাল আসকারি, মাকতাবা শামেলা
* ইহসাইয়্যাতুল কুরআনিল কারীম, আলআরকাম উটকম
* তানাসুকুল আ'দাদি ফিল কুরআন, মাজাল্লাত মাকতাবিজ বাবিল, ডিসেম্বর ২০১২ ইং
* তারীখু তারজামাতি মা'আনিল কুরআনিল কারীম ইলা লুগাতিন উখরা, মাকতাবা শামেলা
* জামাউল কুরআন ফী আহদিল খুলাফা ই রাশীদীন, ড. ফাহদ বিন আব্দুর রহমান রুমী, মাকতাবা শামেলা
* আহকামে যিন্দেগী, মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন, মাকতাবাতুল আবরার, ১৯৯৮ ইং
* কান্যুল হুসাইন, মাকতাবা আরাবিয়া কোয়েটা
* স্টুডেন্টস ব্রিটানিকা ইণ্ডিয়া (ইংরেজি), এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা (ইন্ডিয়া) প্রা. লি., নয়াদিল্লি, ভারত
* বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা