📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 ১৯ সংখ্যার বিস্ময়

📄 ১৯ সংখ্যার বিস্ময়


কুরআনে কারীমের অসংখ্য অলৌকিকতার পাশাপাশি কিছুদিন আগে উদঘাটিত একটি গাণিতিক বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মিসরের ড. রাশাদ¹⁷ খলিফা কম্পিউটারের সাহায্যে আবিষ্কার করেন, পুরো কুরআন ১৯ সংখ্যার এক নিগূঢ় বন্ধনে আবদ্ধ। সংখ্যাগত এই কারিশমা প্রদর্শন করতে যে অসামান্য মেধা ও পরিকল্পনা প্রয়োজন, মানব মস্তিষ্কের জন্য তা অসম্ভব। ১৯ সংখ্যার এই বন্ধন কুরআনের বিকৃতিমুক্তিরও প্রমাণ দেয়। কারণ, একটি হরফের বেশকম হলেও এই গাণিতিক বন্ধনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারত।

১৯ মূলত بسم الله الرحمن الرحيم এর হরফ-সংখ্যা। এই সংখ্যার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে ওই গাণিতিক বিষয়। কুরআনের প্রত্যেক সূরার শুরুতেই ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ আছে। সূরা তওবার শুরুতে না থাকলেও সুরা নামলের মাঝখানে একবার বিসমিল্লাহ আসায় সূরা ও বিসমিল্লাহর সংখ্যা সমান- ১১৪। আর ১১৪ সংখ্যাটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। বিসমিল্লাহর আয়াতটি ৪ টি শব্দ ও ১৯ টি হরফ দ্বারা গঠিত। শব্দ চারটি হল, ইস্ম, আল্লাহ, রহমান ও রহিম। অন্যান্য দেখুন—
* সমগ্র কুরআনে ইস্ম শব্দটি এসেছে ১৯ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* আল্লাহ শব্দ এসেছে ২৬৯৮ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* রহমান এসেছে ৫৯ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* রহিম এসেছে ১১৪ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।

কুরআনে আল্লাহ তায়ালার সত্ত্বা- বা গুণবাচক নাম উল্লেখ হয়েছে ১১৪ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। আরবি বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণের একটি সংখ্যামান রয়েছে। সে-হিসেবে বিসমিল্লাহর মান ৭৮৬। বিসমিল্লাহর আয়াত থেকে একই বর্ণের পুনরাবৃত্তি বাদ দিলে বর্ণ থাকে ১০ টি। এই দশটি বর্ণ (ب ,س ,ম ,ا ,ল ,হ ,র ,হ ,ন ,ম) এর মান ৪০৬। ৭৮৬ থেকে ৪০৬ বাদ দিলে থাকে ৩৮০, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।

সুরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত সর্বপ্রথম অবতীর্ণ আয়াত। দেখা যায়—
* এই পাঁচ আয়াতে শব্দ আছে ১৯ টি।
* এই পাঁচ অক্ষর আছে ৭৬ টি, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা আলাকের মোট আয়াতসংখ্যা ১৯।
* এই ১৯ আয়াতে অক্ষর রয়েছে ২৮৫ টি, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* কুরআনে কারীমের শেষদিক থেকে গুণে এলে সুরা আলাক ১৯ নং সুরা হয়।

কুরআন কারীম রাসূল সা. এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ‘রাসূল’ শব্দটি কুরআনে ৫১৩ বার এসেছে, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। কুরআন যার কাছ থেকে এসেছে তিনি হলেন ‘রব’। ‘রব’ শব্দ কুরআনে এসেছে ১১২ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।

কুরআনে কারীমে বিভিন্ন সুরার শুরুতে বিচ্ছিন্ন কিছু বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলোকে হরুফে মুকাত্তায়াত বলে। গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, এই হরুফে মুকাত্তায়াত মোট ২৮ টি সুরার শুরুতে ১৪ টি হরফে, ১৪ ভাবে এসেছে। এ সংখ্যাগুলোকে পাশাপাশি রাখলে যোগফল হয় ৫৭ (২৯+১৪+১৪=৫৭)। ৫৭ সংখ্যাটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।

'আলিফ-লাম-মীম' এই মুকাত্বাওতি মোট ৬ টি সূরার শুরুতে ব্যবহৃত হয়েছে; প্রত্যেক সূরায় আলিফ, লাম ও মীম যতবার ব্যবহৃত হয়েছে, তাদের সমষ্টি ১১ দ্বারা বিভাজ্য। সূরাগুলো হল- বাকারা, আলে-ইমরান, আনকাবুত, রোম, লোকমান ও সাজদাহ। এবার হিসেব করা যাক-

সূরা বাকারা: আলিফ ৪৫০০, লাম ৩২০২, মীম ২১৯৮ | সমষ্টি ৯৯০০ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ৯০০
সূরা আলে-ইমরান: আলিফ ২৬২১, লাম ১৬৪২, মীম ১২৪৯ | সমষ্টি ৫৫১২ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ২৯৮
সূরা আনকাবুত: আলিফ ৭৭৪, লাম ৫৪৪, মীম ৩৪৪ | সমষ্টি ১৬৬২ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ৮৮
সূরা রোম: আলিফ ৫৪৪, লাম ৩১৩, মীম ১৭১ | সমষ্টি ১২৫৭ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ৬৬
সূরা লোকমান: আলিফ ৩৮৭, লাম ২৯৭, মীম ১৭৩ | সমষ্টি ৮৫৭ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ৪৩
সূরা সাজদাহ: আলিফ ২৬৭, লাম ১৬৬, মীম ১৫৮ | সমষ্টি ৫৯১ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ৩৩
মোট: আলিফ ৯১৮৫, লাম ৬৪৯৩, মীম ৪৩০৩ | সমষ্টি ২০৯৭১ | ১১ দ্বারা ভাগ দিলে ১০৪৬

* সুরা মারইয়ামের মুকাত্বায়াত গঠিত হয়েছে পাঁচটি বর্গে- কাফ, হা, ইয়া, আইন ও সোয়াদ। এই সূরায় ‘কাফ’ এসেছে ১৩৭ বার, ‘হা’ এসেছে ১৭৫ বার, ‘ইয়া’ এসেছে ৩৪০ বার, ‘আইন’ এসেছে ১১৯ বার আর ‘সোয়াদ’ এসেছে ২৬ বার। এই পাঁচটি হরফের মোট যোগফল (১৩৭+১৭৫+৩৪০+১১৯+২৬=) ৭৯৭, যা ১১ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা আরাফের মুকাত্বায়াত হল- আলিফ, লাম, মীম ও সোয়াদ। এই সূরায় 'আলিফ' এসেছে ২৫২০ বার, 'লাম' এসেছে ১৫০০ বার, 'মীম' এসেছে ১১০৪ বার আর 'সোয়াদ' এসেছে ৯৭ বার। মোট যোগফল (২৫২০+১৫০০+১১০৪+৯৭=) ৫২০৮, যা ১১ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা ইয়াসিন এর মুকাত্বায়াত ‘ইয়া’ ও ‘নূন’। সূরাটিতে এই দুই অক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে ২৮৫ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা মুমিন থেকে আহকাফ পর্যন্ত সাতটি সুরার শুরুতে ‘হা-মীম’ রয়েছে। এই সুরাগুলোয় ‘হা’ ও ‘মীম’ বর্ণদুটি মোট ২১৪৭ বার ব্যবহৃত হয়েছে, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা ইউনুস ও হুদ শুরু হয়েছে ‘আলিফ-লাম-রা’ দিয়ে। সুরা-দুটিতে এই তিন হরফ মোট ২৪৬২ বার ব্যবহৃত হয়েছে, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* তেমনি সুরা ইউসুফ, ইবরাহীম ও হিজরের শুরুতে ‘আলিফ-লাম-রা’ এসেছে। এই তিনটি হরফ মোট এসেছে সুরা ইউসুফে ২০৭৬ বার, ইবরাহীমে ১১৯৭ বার, হিজরে ৮১২ বার; এই সবগুলো সংখ্যাই ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* মুকাতায়াত-সম্বলিত সর্বশেষ সুরা হল সুরা কালাম। এই সুরার শুরুতে এক-হরফবিশিষ্ট মুকাতায়াত রয়েছে; হরফটি হচ্ছে ‘নুন’। সুরাটিতে নুন এসেছে মোট ১৩৩ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।
* সুরা কাফ শুরু হয়েছে ‘কাফ’ হরফটি দিয়ে। এই সুরায় কাফ এসেছে ৫৭ বার, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।

লক্ষনীয় হচ্ছে, কুরআনে কারীমে কোনো নবীর সম্প্রদায় বোঝানোর জন্য ‘কওম’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। লুত আ. এর সম্প্রদায়ের কথাও ১২ জায়গায় ‘কওমু লুত’ বলে উল্লিখিত হয়েছে। কিন্তু সুরা কাফের ১০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে ‘ইখওয়ানু লুত’। দুটির অর্থ একই, কিন্তু এখানে ভিন্ন শব্দ ব্যবহারের কারণ হয়তো এটাই যে, এখানে ‘কওমু লুত’ বললে এ সুরায় কাফের সংখ্যা ৫৮ হয়ে যেত, যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য নয়।

(সূত্র: কেন উনিশ সংখ্যাটি তাৎপর্যপূর্ণ: টেকটিউনিস। ইফর সংশোধিত)

টিকাঃ
¹⁷ কোনো কোনো বাংলা-ভাষী লেখক তাঁর নাম রশিদ খলিফা লিখেছেন, তা ভুল।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 অন্যান্য সংখ্যাগত সামঞ্জস্য

📄 অন্যান্য সংখ্যাগত সামঞ্জস্য


ড. রাশাদ খলিফার ১৯-সংখ্যাগত এই আবিষ্কারের উপর অনেকে আপত্তি করেছেন। তাঁদের মতে, এই গবেষণায় বিভিন্ন ত্রুটি রয়েছে।⁸⁵ তাঁরা বলেন, এর পরিবর্তে কুরআনের বিভিন্ন সংখ্যাগত সামঞ্জস্য তুলে ধরা যেতে পারে। যেমন-

১. কুরআনে কারীমে বিভিন্ন বিপরীত শব্দ সমান-সংখ্যায় উল্লেখ হয়েছে। যথা—
* দুনিয়া — আখেরা: ১১৫ বার
* শয়তান — মালাইকা: ৮৮ বার
* হায়াত — মওত: ১৪৫ বার
* নফ‘ — ফাসাদ: ৫০ বার
* সালেহাত — সায়্যিয়াত: ১৬৭ বার
* দ্বীক — ত্বমা'নীনাহ: ১৩ বার
* সায়ফ ওয়াল হার — শিতা ওল বর্দ: ৫ বার
* কুফর — ঈমান: ১৭ বার

২. বিভিন্ন বিপরীত বা নিকটবর্তী শব্দের উল্লেখ-সংখ্যায় সামঞ্জস্য রয়েছে। যেমন:
১ ম শব্দ (উল্লেখ-সংখ্যা) — ২ য় শব্দ (উল্লেখ-সংখ্যা) | মন্তব্য
* আবরার (৬) — ফুজ্জার (৩) | প্রথমটি দ্বিতীয়টির দ্বিগুণ
* সির (৩২) — জেহর (১৬) | প্রথমটি দ্বিতীয়টির দ্বিগুণ
* ইউসর (৩৬) — আসর (১২) | প্রথমটি তিনগুণ
* ফির‘আওন (৯৪) — সুলতান (৩৭) | প্রথমটি দ্বিগুণ
* মাগফিরা (২০৪) — জাযা (১০২) | প্রথমটি দ্বিগুণ

* কুরআনে শহর শব্দটি উল্লেখ হয়েছে ১২ বার, যা বছরের মাসের সংখ্যার সমান।
* দিবচন বা বহুবচনে يوم বা আয়াম শব্দটি উল্লেখ হয়েছে ৩০০ বার, যা মাসের দিনের সংখ্যা।
* একবচনে يوم শব্দ উল্লেখ হয়েছে ৩৬৫ বার, যা বছরের দিনের সংখ্যা।

(সূত্র: তানাসুকুল আ'দাদি ফিল কুরআন, মাজাল্লাতু মারকাযিল বাবিল, ডিসেম্বর ২০১২। ঈষৎ সংশোধিত)

টিকাঃ
⁸⁵ দেখুন: শায়েখ হুসাইন নাজী’র কিতাব ‘তিসওয়াতু আশারা মালাকান’।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআন ও বিজ্ঞান

📄 কুরআন ও বিজ্ঞান


পবিত্র কুরআনের সাথে আধুনিক বিজ্ঞানের সম্পর্ক কেমন, সামঞ্জস্যের না বিরোধের, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকেই এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি কিংবা ছাড়াছাড়ির শিকার হয়ে থাকেন। কোনো কোনো গবেষক বিজ্ঞানের প্রতিটি কথা কুরআন শরীফে প্রয়োগ করতে চান। তারা কুরআন কারীমের কোনো বক্তব্যকে বাহ্যত প্রচলিত বিজ্ঞানের যে-কোনো বক্তব্যের বিপরীত পেলে আয়াতের নতুন ব্যাখ্যা খুঁজতে থাকেন। যে-কোনোভাবে আয়াতকে বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করাই তাদের লক্ষ্য। অপরদিকে কেউ কেউ বিজ্ঞানের প্রতি সামান্যতম মনোযোগ দিতেও আগ্রহী নন। তারা আধুনিক বিজ্ঞানকে সমূলে অস্বীকার করতে চান।

এই দুটি অবস্থানই ত্রুটিপূর্ণ। প্রকৃত কথা হল, বিজ্ঞানের বক্তব্যগুলো দুই ভাগে বিভক্ত:
১. অকাট্য বিষয়াবলী, যেগুলো পঞ্চ-ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে চাক্ষুষভাবে প্রমাণিত। যেমন, পৃথিবী গোলাকার হওয়া, পৃথিবীর সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা ইত্যাদি। এ বিষয়গুলোতে বিজ্ঞানীদের মধ্যে কোনো মতভেদ থাকে না। বিজ্ঞানের এমন বিষয়গুলোকে তত্ত্ব (law) বলে।
২. ধারণাপ্রসূত বিষয়াবলী, যেগুলো কোনো বিজ্ঞানীর চিন্তা-ভাবনার ফল। এগুলোকে নিশ্চিতরূপে প্রমাণ করা যায় না। ফলে এসব বিষয়ে বিজ্ঞানীরাও কখনও একমত হন, কখনও হন না। যেমন, ডারউইনের বিবর্তনবাদ, বিগব্যাং থিওরি ইত্যাদি। এগুলোকে বলা হয় মতবাদ (theory)।

বিজ্ঞানের তত্ত্বগুলো কখনও কুরআনের বিপরীত হওয়া সম্ভব নয়, আজ পর্যন্ত এমন পাওয়া যায়ও নি। তাই এগুলোকে কুরআনের সাথে মিলিয়ে দেখাতে কোনো সমস্যা নেই, বরং সেটাই কাম্য। এগুলো কুরআনের কুরআনের সত্যতার অন্যতম প্রমাণ। এসব তত্ত্বকে অস্বীকার করা সঠিক নয়। প্রত্যক্ষ বিষয়কে অস্বীকার করা বিবেকের দাবির পরিপন্থী। কিন্তু বিজ্ঞানের মতবাদ বা থিওরি নিজেই নিশ্চিত নয়। সময়ের সাথে সাথে সেগুলো বদলে যায়। এগুলোর কোনোটি কুরআনের বক্তব্যের বিপরীত হলে কিছুই যায়-আসে না। এসব মতবাদকে কুরআনের সাথে মেলাতে যাওয়া এবং সে লক্ষ্যে আয়াতের ব্যাখ্যা হেরফের করা খুবই বিপজ্জনক কাজ। একসময় যখন থিওরি নিজেই বদলে যাবে, তখন ওই ব্যাখ্যাদাতা কী করবেন? আবার আয়াতের নতুন ব্যাখ্যা করবেন? তাই এ বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, কুরআন কোনো বিজ্ঞানগ্রন্থ নয়। বিজ্ঞানের বিষয় বর্ণনা করা তার উদ্দেশ্যও নয়। কুরআন তার নিজ লক্ষ্যে নিজস্ব ধারায় কথা বলেছে। হ্যাঁ, আসমান-জমিন সৃষ্টি, বিভিন্ন নেয়ামতের বিবরণ ও অন্যান্য আলোচনায় বিজ্ঞান- সম্পর্কিত কোনো কোনো বিষয় হয়তো চলে এসেছে, কিন্তু তা এসেছে পার্শ্ব- বিষয় হিসেবে, কুরআনে কারীমের মূল আলোচ্য হিসেবে নয়।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনের অলৌকিকতা বিষয়ে লিখিত কয়েকটি কিতাব

📄 কুরআনের অলৌকিকতা বিষয়ে লিখিত কয়েকটি কিতাব


১. ই'জাযুল কুরআন, মুহাম্মাদ বিন যায়দ ওয়াসাতী (মৃত: ৩০৭ হি.)
২. আন-নুকাতু ফিল ই'জায, আবুল হাসান আলি বিন হুসাইন আর-রুম্মানী (মৃত: ৩৮৪ হি.)
৩. ই'জাযুল কুরআন, আবূ সুলাইমান হামদ বিন মুহাম্মাদ আল-খাত্তাবী (মৃত: ৩৮৮ হি.)
৪. ই'জাযুল কুরআন, আবূ বকর বাকিল্লানী (মৃত: ৪০৩)
৫. কিতাবুল আ’দাদ, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সুরাকা** (মৃত: ৪১০ হি.)
৬. ই'জাযুল কুরআন, আব্দুল কাহের জুরজানী (মৃত: ৪৭১ হি.)
৭. নিহায়াতুল ই'জায ফি দিরায়াতুল ই'জায, ফখরদ্দিন রাযী (মৃত: ৬০৬ হি.)
৮. ই'জাযুল কুরআন, আল্লামা শাকীর আহমাদ উসমানী রহ. (মৃত: ১৩৬৯ হি.)
৯. আল-ই'জাযুল লুগাবী ওয়াল বায়ানী ফিল কুরআন, আলী বিন নায়েফ আশশাহিদ (সমকালীন)
১০. আল-মাওসুয়াতু যাহাবিয়্যা ফি ই'জাযিল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ, আহমাদ মুস্তাফা মুতাওয়াাল্লী (সমকালীন)

** তিনি সংক্ষেপিত দিক থেকে কুরআনের অলৌকিকত্ব বর্ণনা করেছেন। (কাশফুয যুনুন)

ফন্ট সাইজ
15px
17px