📄 গুহায় অবতীর্ণ আয়াত ও সুরা
১. সূরা আলাকের আয়াত: اقْرَأْ بِاسْمِ রব্বিকাল্লাজি খলাক্ব থেকে يَعْلَمُ পর্যন্ত।
২. সূরা মুরসালাত।⁵⁰
টিকাঃ
৫০ প্রাগুক্ত, পৃ: ২১।
📄 যেসব আয়াত রাসূল সা. এর জবানিতে নাযিল হয়েছে
১. সূরা আনআমের ১০৪ নং আয়াত: قَدْ جَاءَكُمْ بَصَائِرُ مِنْ رَبِّكُمْ
২. সূরা আনআমের ১১৪ নং আয়াত: أَفَغَيْرَ اللَّهِ أَبْتَغِي حَكَمًا وَهُوَ الَّذِي أَنْزَلَ إِلَيْكُمُ الْكِتَابَ مُفَصَّلًا
টিকাঃ
৪১ অর্থাৎ কথাটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের; কিন্তু কুরআন শরীফে এটি এসেছে স্পষ্টভাবে তাঁর দিকে নিসবত করা ছাড়া।
📄 যেসব আয়াত ফেরেশতাদের জবানিতে নাযিল হয়েছে
১. সূরা মারইয়ামের ৬৪ নং আয়াত: وَمَا نَتَنَزَّلُ إِلَّا بِأَمْرِ رَبِّكَ
২. সূরা সাফফাতের ১৫৪ নং আয়াত: وَمَا مِنَّا إِلَّا لَهُ مَقَامٌ مَعْلُومٌ
টিকাঃ
৪২. পরবর্তী টীকা দ্রষ্টব্য।
📄 যেসব আয়াত হযরত ওমর রাযি. এর আগ্রহের অনুকূলে নাযিল হয়েছে
১. সূরা বাকারার ১২৫ নং আয়াত: ﴿وَاتَّخِذُوا مِن مَّقَامِ ইবরাহীমা مُصَلًّى ﴾ (মাকামে ইবরাহীমের কাছে নামাজ পড়ার বিধানের ব্যাপারে হযরত ওমর রাযি. আগ্রহী ছিলেন)।
২. সূরা বাকারার ৯৮ নং আয়াত: مَن كَانَ عَدُوًّا لِّلَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَجিবরীল ওয়া মীকাল فَإِنَّ اللَّهَ عَدُوٌّ لِّلْكَافِرِينَ (এই আয়াত নাযিল হওয়ার আগেই হযরত ওমর রাযি. এক ইহুদীকে এমন কথা বলেছিলেন)।
৩. সূরা আহযাবের ৫৩ নং আয়াত: ﴿وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِن وَরারে حিজাবিন ﴾ (পর্দার বিধানের ব্যাপারে আগে থেকেই হযরত ওমর রাযি. এর আগ্রহ ছিলো)।
৪. সূরা তাহরীমের ৫ নং আয়াত: عَسَى رَبُّهُ إِنْ طَلَّقَكُنَّ أَنْ يُبْدِلَهُ أَজওয়াজান খয়রাম মিনকুন্না (আয়াতটি নাযিল হওয়ার আগেই হযরত ওমর রাযি. উম্মাহাতুল মু'মিনীনদের উদ্দেশ্যে এমন উক্তি করেছিলেন)।
৫. সূরা আনফালের ৬৭ নং আয়াত: مَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَكُونَ لَهُ আসরা হাত্তা ইউসহিখনা ফিল আরদি লওলা কিতাবুম মিনাল্লাহি সাবাক্বা লামাস্সাকুম ফিমা আখাযতুম আযাবুন আজীম থেকে ৬৯ নং আয়াত পর্যন্ত। বদর যুদ্ধের বন্দীদের ব্যাপারে হযরত ওমর রাযি. যে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এ আয়াতটিতে তা সমর্থন করা হয়েছে।