📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে বর্ণিত কীটপতঙ্গ

📄 কুরআনে বর্ণিত কীটপতঙ্গ


১. বাউজাহ (بعوضة): মশা
২. জুবাব (ذباب): মাছি
৩. নাহল (نحل): মৌমাছি
৪. আনকাবুত (عنكبوت): মাকড়শা
৫. জারাদ (جراد): পঙ্গপাল, ফড়িং
৬. নামল (نمل): পিঁপড়া

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে বর্ণিত দুনিয়ার বিভিন্ন স্থান

📄 কুরআনে বর্ণিত দুনিয়ার বিভিন্ন স্থান


১. বাকা (بكا): মক্কা মুকাররামার অপর নাম।
২. ইয়াসরিব (يثرب): মদিনা মুনাওয়ারার প্রাচীন নাম।
৩. বদর (بدر): মদিনার নিকটবর্তী একটি এলাকা।
৪. উহুদ (أحد): মদিনার উত্তরদিকে একটি জায়গা।
৫. হুনাইন (حنين): তায়েফের নিকটবর্তী একটি স্থান।
৬. জাম‘ (جمع): মুযদালিফার অপর নাম।
৭. মাশআরুল হারাম (المشعر الحرام): মুযদালিফার এক পাহাড়ের নাম।
৮. আইকা (الأيكة): শুআইব আ. এর কওমের এলাকার পার্শ্ববর্তী বনভূমি।
৯. হিজর (حجر): সামুদ গোত্রের এলাকা; সৌদি আরবে অবস্থিত।
১০. আহকাফ (أحقاف): ওমান ও হাজারামাওতের মধ্যবর্তী একটি বালুময় অঞ্চল; সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত।
১১. তূর-সিনাই (طور سيناء): যেখানে মূসা আ. এর আল্লাহর সাথে কথা হয়েছে।
১২. জুদী (جودي): যে পাহাড়ে নূহ আ. এর কিশতি স্থির হয়েছিলো।
১৩. তুওয়া (طوى): ফিলিস্তিনের একটি প্রান্তর।
১৪. কাহফ (كهف): একটি গুহা; আধুনিক গবেষণা অনুযায়ী জর্ডানের পেট্রায় অবস্থিত।
১৫. রাকীম (رقيم): আসহাবে কাহফের গুহার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল।
১৬. আরিম (عرم): ইয়ামানের একটি উপত্যকা।
১৭. হারূন (هارون): এক মতে একটি স্থানের নাম। সূরা কলমে বর্ণিত ঘটনায় এর উল্লেখ আছে।
১৮. তাগিয়া (طاغية): কারো কারো মতে এটি সামুদ গোত্রের উপর আযাব আসার স্থানের নাম।
১৯. মিসর (مصر): নীলনদের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় প্রান্তজুড়ে অবস্থিত দেশ।
২০. নাফ্ (ناف): কেউ কেউ বলেন, এটি আরাফাত ও মুযদালিফার মধ্যবর্তী একটি জায়গা।
২১. কাফ (قاف): কারো কারো মতে এটি ভূপৃষ্ঠকে ঘিরে থাকা এক মহাপর্বত।
২২. সাবা (سبأ): রাণী বিলকিসের রাজ্য; ইয়ামানে অবস্থিত।
২৩. সারীফ (سريف): সাঈদ বিন জুবাইরের মতে এটি ইয়ামানের একটি জায়গা।
২৪. মাদায়ান (مدين): শুআইব আ. এর এলাকা; ইরাকে অবস্থিত।
২৫. বাবেল (بابل): হারূত-মারূত যে শহরে এসেছিলেন; ইরাকে অবস্থিত।
২৬. সাফা-মারওয়া (الصَّفَا وَالْمَرْوَةُ): মক্কা মুকাররামার দু'টি প্রসিদ্ধ পাহাড়।
২৭. আরাফা (عَرَفَات): মক্কার একটি ময়দান, যেখানে হজ্জ পালনকারীরা ৯ জিলহজ্জ অবস্থান করেন।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে উল্লিখিত পরকালীন স্থানসমূহ

📄 কুরআনে উল্লিখিত পরকালীন স্থানসমূহ


১. ফিরদৌস (ফেরদাউস): জান্নাতের সর্বোচ্চ মহল।
২. ইল্লীয়্যূন (ইল্লিয়্যুন): নেককারদের রুহ যেখানে রাখা হয়। এটি সাত আসমানের উপর অবস্থিত।¹⁰⁵
৩. সিজ্জীন (সিজ্জীন): যেখানে বদকারদের রুহ রাখা হয়। বলা হয়ে থাকে, এটি সাত জমিনের নিচে অবস্থিত।¹⁰⁶
৪. কাউছার (কাউসার): একটি নহর; রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেয়া আল্লাহ তা'য়ালার বিশেষ উপহার।
৫. সালসাবীল (সালসাবীল): জান্নাতের একটি ঝর্ণা।
৬. তাসনীম (তাসনীম): ঐ
৭. স'উদ (সাউদ): জাহান্নামের একটি পাহাড়।
৮. গু'য় (গাই): জাহান্নামের একটি প্রান্তর।
৯. আ'সাম (আসাম): ঐ
১০. মওফিক (মাওফিক): ঐ
১১. ওয়াইল (ويل): ঐ
১২. স'ঈর (সা'ঈর): ঐ
১৩. সাইল (সাইল): এক মতে জাহান্নামের একটি প্রান্তর। সূরা মা'আরিজের প্রথম আয়াতে এর উল্লেখ রয়েছে।
১৪. সহীক (সা'হীক): জাহান্নামের একটি প্রান্তর।
১৫. ফাল্ক (ফালাক্ব): এক মতে জাহান্নামে অবস্থিত একটি উপত্যকা অথবা বন্দীশালা।
১৬. ইয়া'হুম (ইয়াহ্মুম): জাহান্নামে অবস্থিত ধোঁয়াচ্ছন্ন একটি গর্ত।

টিকাঃ
১০৫ রুহুল মাআনী, সূরা মুতাফফিফীন-৮।
১০৬ প্রাগুক্ত, সূরা মুতাফফিফীন-১৯।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে উল্লিখিত মসজিদ

📄 কুরআনে উল্লিখিত মসজিদ


১. মসজিদে হারাম (মক্কা মুকাররামা);
২. মসজিদে আক্বসা (ফিলিস্তিন);
৩. মসজিদে ক্বুবা অথবা মসজিদে নববী। সূরা তওবার আয়াত "لَمَسْجِدٌ أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَىٰ مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ" দ্বারা এই দুই মসজিদের যে কোনোটিই মুরাদ হতে পারে।
৪. মসজিদে জিরার (মদিনার মুনাফিক্বদের বানানো ভুয়া মসজিদ)।

ফন্ট সাইজ
15px
17px