📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে নামগুলো কুরআন শরিফে উল্লেখ আছে

📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে নামগুলো কুরআন শরিফে উল্লেখ আছে


মুহাম্মদ (محمد), আহমদ (أحمد), আব্দুল্লাহ (عبد الله), শাহেদ (شاهد), বশির (بشير), নাযীর (نذير), মুবাশির (مبشر), মুজাক্কির (مذكر), আজিজ (عزيز), রউফ (رؤوف), রাহীম (رحيم), হাদী (هاد), আমীন (أمين), মুযাম্মিল (مزمل), মুদ্দাস্সির (مدثر), মুনযির (منذر), নূর (نور), ইয়াসীন (يس), রহমাহ (رحمة), নি’মাহ (نعمة), ত্বহা (طه), খাতামুন নাবিয়্যীন (خاتم النبيين), হাক্ক (حق), সিরাজ মুনীর (سراج منير), শহীদ (شهيد), দাঈ আল্লাহ (داعي الله), নবী (نبي), রাসূল (رسول), আবদুহু (عبده)।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে উল্লিখিত নবীগণ

📄 কুরআনে উল্লিখিত নবীগণ


১. হযরত আদম আ. (২৫ বার)
২. হযরত ইদ্রীস আ. (২ বার)
৩. হযরত নূহ আ. (৪০ বার)
৪. হযরত হুদ আ. (৭ বার)
৫. হযরত সালেহ আ. (৮ বার)
৬. হযরত ইবরাহীম আ. (৬৭ বার)
৭. হযরত ইসহাক্ব আ. (১৭ বার)
৮. হযরত ইসমাঈল আ. (১২ বার)
৯. হযরত লুত আ. (২৭ বার)
১০. হযরত ইয়াকুব আ. (১৬ বার)
১১. হযরত ইউসুফ আ. (২৭ বার)
১২. হযরত শোয়াইব আ. (১১ বার)
১৩. হযরত আইয়ুব আ. (৪ বার)
১৪. হযরত মূসা আ. (১৩৬ বার)
১৫. হযরত হারুন আ. (২০ বার)
১৬. হযরত যুল কিফল আ.²⁴ (২ বার)
১৭. হযরত দাউদ আ. (১৬ বার)
১৮. হযরত সুলায়মান আ. (১৭ বার)
১৯. হযরত ইলইয়াস আ. (২ বার)
২০. হযরত আল-ইয়াসা আ. (২ বার)
২১. হযরত ইউনুস আ. (৪ বার)
২২. হযরত যাকারিয়া আ. (৭ বার)
২৩. হযরত ইয়াহইয়া আ. (৫ বার)
২৪. হযরত ঈসা আ. (২৫ বার)
২৫. হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (৪ বার)

এছাড়াও কুরআনে কারীমে হযরত উযাইর আ. এর কথা উল্লেখ রয়েছে (এরশাদ হয়েছে, ‘ইহুদীরা বলে, ‘উযাইর আল্লাহর পুত্র’’-সুরা তওবা: ৩০), তবে অধিকাংশের মতে তিনি নবী ছিলেন না।²⁵

পবিত্র কুরআনে কয়েকজন নবীর নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও তাদের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। যেমন,
(ক) হযরত ইউশা বিন নুন আ.। এরশাদ হয়েছে, وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّى أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ (الكهف: ٦٠) 'আর যখন মূসা তার যুবক (সঙ্গী)-কে বললেন, 'আমি বিরত হব না যতক্ষণ না দুই সাগরের সঙ্গমস্থলে পৌঁছি।' এখানে হযরত মূসা আ. এর সঙ্গী যুবক দ্বারা হযরত ইউশা আ. কে বোঝানো হয়েছে।
(খ) হযরত শামুয়েল আ.। এরশাদ হয়েছে, وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ اللَّهَ قَدْ بَعَثَ لَكُمْ طَالُوتَ مَلِكًا (আল ইমরান: ২৪৭) 'আর তাদেরকে তাদের নবী বললেন, আল্লাহ তোমাদের জন্য তালুতকে বাদশাহ করে পাঠিয়েছেন।' অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে এই নবী হলেন হযরত শামুয়েল আ।²⁰

টিকাঃ
²৪ হযরত যুল কিফল নবীর হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে। কারও কারও মতে তিনি শুধু একজন নেককার বান্দা ছিলেন।
²৫ রূহুল মা'আনী, সূরা তওবা-৩৩।
²⁰ আওজ, সুরা বাকারা-২৪৮।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে বর্ণিত ফেরেশতাগণ

📄 কুরআনে বর্ণিত ফেরেশতাগণ


১. জিবরাঈল আ.: নবীদের কাছে ওহী আনা এবং কাফেরদের উপর আজাব অবতীর্ণ করা তার দায়িত্ব ন্যস্ত।
২. মিকাইল আ.: তাঁর দায়িত্ব হলো, মাখলুকের রিযিকের ব্যবস্থা করা এবং বৃষ্টি বর্ষণ করা।
৩. মালেক আ.: তিনি জাহান্নামের দ্বাররক্ষী।
৪. হারুত ও মারুত আ.: তাঁরা দুজন মানুষের রূপ ধরে দুনিয়ায় আসতেন। মানুষের ঈমান-আমল পরীক্ষা করার জন্য তাদেরকে জাদু্টোনা ইত্যাদি শিখা দিতেন।
৫. রা’দ (র‘দ) আ.: এক মত অনুযায়ী তিনি মেঘমালা সঞ্চালনের কাজে নিয়োজিত ফেরেশতা।
৬. সিজিল (সাজ্জাল) আ.: এক মত অনুযায়ী তিনি আমলনামা ও বিভিন্ন সহিফা দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা।
৭. কুদিদ (ফাক্বীদ) আ.: মানুষের মন্দকাজ লিপিবদ্ধ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআনে উল্লিখিত দুই সাহাবী

📄 কুরআনে উল্লিখিত দুই সাহাবী


কুরআনে কারীমে শুধু দুইজন সাহাবীর নাম উল্লেখ আছে।
১. হযরত যায়েদ বিন সাবিত রাযি. ও
২. হযরত সিজিল রাযি. (এক কওল অনুযায়ী এটি একজন সাহাবীর নাম)²⁹

টিকাঃ
²৯ আল-ইতক্বান ১/৪৮৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px