📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 কুরআন সম্পর্কিত আকিদা

📄 কুরআন সম্পর্কিত আকিদা


একজন মুসলমানের জন্য কুরআনে কারীম সম্পর্কে যেসব বিশ্বাস রাখা অপরিহার্য, সেগুলো এই:
১. পবিত্র কুরআন আল্লাহর বাণী, মানব রচিত নয়।
২. আল্লাহ তায়ালা অবিনশ্বর ও চিরন্তন, তাঁর বাণীও তেমন অবিনশ্বর ও চিরন্তন। কুরআন নশ্বর বা মাখলুক নয়।
৩. আসমানি কিতাবসমূহের মধ্যে কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ।
৪. কুরআন সর্বশেষ কিতাব, এর পর আর কোনো কিতাব নাযিল হবে না। কেয়ামত পর্যন্ত কুরআনের বিধানই চলবে। কুরআনের মাধ্যমে অন্যান্য আসমানি কিতাবের বিধান রহিত হয়ে গেছে।
৫. কুরআন হেফজতের জন্য আল্লাহ তায়ালা ওয়াদা করেছেন, কাজেই এর পরিবর্তন কেউ করতে পারবে না। কুরআনকে সর্বদা অবিকৃত বলে বিশ্বাস করতে হবে।⁹

টিকাঃ
৯. আহকামে যিন্দেগী, মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়াত উদ্দিন, পৃ: ৪৪।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 ওহীর সূচনা

📄 ওহীর সূচনা


হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, প্রথমদিকে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যে ওহী আসতো, তা হলো সত্য স্বপ্ন। তিনি ঘুমে যা দেখতেন পরে সুবহে সাদেকের মতো স্পষ্টভাবে তা বাস্তবে রূপ নিতো। তারপর একসময় তিনি নির্জনতাপ্রিয় হয়ে উঠলেন। খাবার-পানি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সামানা নিয়ে হেরাগুহায় চলে যেতেন। সে গুহায় নির্জনে সময় কাটাতেন। যখন বাড়িতে আসার ইচ্ছে হতো হযরত খাদিজার কাছে এসে আবার প্রয়োজনীয় সামানা নিয়ে যেতেন।
অবশেষে একদিন তাঁর কাছে মহাসত্যের আগমন ঘটলো। আসমানী ফেরেশতা এসে তাঁকে বলতে লাগলো, ‘পড়ুন’। তিনি বললেন, ‘আমি তো পড়তে পারি না’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তারপর তিনি (সে ফেরেশতা) আমাকে জাপটে ধরলেন। এভাবে তিনবার জাপটে ধরার পর আমাকে ছেড়ে দিলেন। বলতে লাগলেন, ‘পড়ুন আপনার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন...’।¹⁰

টিকাঃ
১০. জাওয়াহেকুল কুরআন (কুরআনী মালূমাত, আব্দুল মা’বুদ কাসেমী)।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 প্রথম ওহী

📄 প্রথম ওহী


اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ٥ خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ ٥ اقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ ٥ الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ ٥ عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ (সূরা আল্-আলাক)
প্রথম ওহী নাজিল হয়েছিলো ১৭ রমজান ৬১০ খৃষ্টাব্দে। সৌর হিসেবে সে সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স ছিলো প্রায় উনচল্লিশ বছর সাড়ে তিন মাস। ওহীর এই ধারা চলে সুদীর্ঘ তেইশ বছর।

📘 কুরআনের জানা অজানা 📄 দ্বিতীয় ওহী

📄 দ্বিতীয় ওহী


يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ۝ قُمْ فَأَنذِر house ۝ وَرَبَّكَ فَকَبِّর ۝ وَثِيَابَكَ فَطَهِّর ۝ وَالرُّجْزَ فَاهْجُر (সূরা মুদ্দাস্সির)
এই দ্বিতীয় ওহীর পর ক্রমাগত ওহী নাযিল হতে থাকে। সর্বশেষ ওহী হলো, সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত। এই ওহী অবতীর্ণ হয়েছিলো ওফাতের নয় দিন আগে, ৬০০ খৃষ্টাব্দে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px