📄 কুরআন সংকলন প্রসঙ্গে প্রাচ্যতাত্ত্বিক সমালোচনা
কুরআনকে আক্রমণের অসংখ্য কৌশল আছে। এর মধ্যে একটি হলো কুরআন লিপিবদ্ধকরণ এবং সংকলন নিয়ে প্রশ্ন তোলা।[১] প্রাচ্যবিদদের প্রশ্ন, কুরআন যদি নবির জীবদ্দশাতেই লিপিবদ্ধ হতো, তাহলে ইয়ামামা যুদ্ধে হাফিজদের মৃত্যুতে উমার শঙ্কিত হয়েছিলেন কেন?[২] তিনি আবু বকরের কাছে হাফিজদের মৃত্যুর সাথে কুরআনের অধিকাংশ হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়া প্রশ্ন ওঠে-লিপিবদ্ধ পাঠ্য কেন নবি নিজের কাছে রাখলেন না? আর যদি তা থাকত, তাহলে যাইদ কেন তা সুহুফ তৈরির সময় কাজে লাগালেন না? এগুলো বুখারি থেকে বর্ণিত এবং মুসলিমদের দ্বারা স্বীকৃত। বর্ণনাগুলো কাজে লাগিয়ে তাই
সূচনাকালীন সেসব শ্রুতিলিপি এবং সংরক্ষণের অস্তিত্বকে প্রাচ্যবিদরা মিথ্যা বলে দাবি করেন।
মূলত এখানে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, জেনেও না বোঝার ভান, অথবা মুসলিম শিক্ষানীতিকে গ্রাহ্য না করার চিন্তাধারা থেকে সব সমস্যার উৎপত্তি ঘটেছে। যদি কুরআনের কোনো কপি নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ছিল বলে ধরে নিই, তাহলে তিনি তা প্রকাশ্যে আনলেন না কেন? আনলে তো সেটা মুখস্থ করা-সহ সাহাবিদের বিভিন্ন কাজে আসত। এর উত্তর-খুব সম্ভবত এই আশঙ্কায় যে, নতুন ওহি আগমন, আগের কোনো আয়াত রহিতকরণ, কিংবা ক্রমধারায় পরিবর্তন এলে তা সেখানে স্থান পেত না। এতে করে ভুল তথ্য পৌঁছত মানুষের কাছে। হিতে বিপরীত ঘটত। কাজেই লাভের চেয়ে এতে ক্ষতিই বেশি।
আলোচ্য কপির অস্তিত্ব থাকলে আবু-বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে যাইদ ইবনু সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহু তা কেন উপেক্ষা করেছিলেন? এ ব্যাপারে আগেই উল্লেখ করেছি, কোনো নথিপত্র বৈধ হিসেবে পরিগণিত হতে হলে এর শিক্ষার্থীকে প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং নিজে শিক্ষকের কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। কোনো সাক্ষী না থাকলে তা মর্যাদা হারাবে। যেমন কিনা সাক্ষীহীন কোনো মৃত লেখকের গ্রন্থ। যাইদ ইবনু সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহুর ক্ষেত্রেও একই জিনিস প্রযোজ্য। সাহাবিদের কাছে আয়াত বর্ণনার ক্ষেত্রে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সরাসরি গুরু-শিষ্য দীক্ষার শক্তিশালী মাধ্যম ব্যবহার করেছেন। অন্যদিকে, কোনো লিখিত উপাদান সাহাবিদের প্রদান করেননি তিনি। ফলে সেগুলোর কোনো সাক্ষীও নেই। তাই তুলনা করার উৎস হিসেবে যাইদ কিংবা অন্য কেউ উক্ত কপি ব্যবহার করেননি। [১]
কিন্তু পুরো কুরআন যদি নবিজির জীবদ্দশাতেই লিপিবদ্ধ হয় এবং সেটি তার কিংবা সাহাবিদের হিফাজতে থাকে, তাহলে উমার রাযিয়াল্লাহু আনহু কেন হাফিজদের শাহাদাতে শঙ্কিত ছিলেন? এখানে আবারও সাক্ষীর বিধান এসে যাবে। হাজারে হাজার কুরআনের হাফিজ ছিলেন, যাদের সকলের জ্ঞানের উৎস ছিলেন স্বয়ং নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তার ওফাতের পর তারাই এর ধারক-বাহক হয়েছেন। কাজেই তাদের মৃত্যু মানে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছানো সাক্ষ্যের অবসান। কুরআনের নির্ভরযোগ্য শিক্ষা এতে করে নিশ্চিহ্ন হওয়ার
সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাদের হস্তলিখিত আয়াতগুলোও গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে তখন। কারণ লেখক মৃত হলে বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের দ্বার রুদ্ধ। এমতাবস্থায় কারও মুখস্থ করা আয়াত যদি হুবহু কুরআনের সাথে মিলেও যায়, তবুও প্রথম শ্রেণির সাক্ষী না থাকায় তা সর্বোচ্চ তৃতীয় শ্রেণির একটি নথি হিসেবে পরিগণিত হবে। তাই সুবুফ সংকলনকালে আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু আয়াতের পাশাপাশি দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিও আবশ্যক করেছিলেন, যাতে তা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। খলিফা উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর সময়ও এই নিয়ম চালু ছিল। হাফিজরা সব শহিদ হয়ে গেলেও লিখিত আয়াতগুলো তো থাকতই; কিন্তু প্রতিটি নথির জন্য অপরিহার্য সাক্ষীর প্রামাণ্যতা হারিয়ে যেত। আর এই ভয়টিই চিন্তায় ফেলে দেয় উমার রাযিয়াল্লাহু আনহুকে।
টিকাঃ
১. জেফরির ভাষায়, 'বর্তমানে কুরআনের পাঠ্য যেভাবে সজ্জিত আছে, সেটিকে নবির হাতের কর্ম বলে পশ্চিমা পণ্ডিতগণ মনে করেন না।' (Masahif, Introduction, p. 5) সুরা এবং আয়াত উভয়ের প্রতি ইঙ্গিত করছেন।
২. অধ্যায় ৬.১ দ্রষ্টব্য
৩. অধ্যায় ৭.৩.iii দ্রষ্টব্য; সাওয়ার ইবনু শাবিবের বর্ণনা অনুযায়ী, যাইদ রাযিয়াল্লাহু আনহু উসমানি মুসহাফকে নবিজির মুসহাফের সাথে মিলিয়ে দেখেছেন। এটি যদি আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহার কাছে থাকা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যক্তিগত মুসহাফ হতো, তাহলে যাইদ এটিকে দ্বিতীয় পর্যায়ের মর্যাদা প্রদান করতে পারতেন।
📄 অপরিচিত পরিভাষায় ইসলামের বিকৃত প্রকাশ
কুরআনুল কারিমকে আক্রমণ করার দ্বিতীয় পন্থা হলো-পুরো ইসলামি জ্ঞান-বিদ্যাকে পশ্চিমা পরিভাষায় রূপান্তরকরণ। Introduction to Islamic Law গ্রন্থে শান্ত ইসলামি বিধানশাস্ত্রকে (ফিকহ) এভাবে বিভক্ত করেছেন: persons, property, obligations in general, obligations and contracts in particular ইত্যাদি[১] এরকম বিষয়বিন্যাস রোমান আইনশাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য। ইসলামি আইনশাস্ত্রের সাথে এরকম শিরোনাম ও শ্রেণিবিভাজন একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। এর দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন দ্যোতনা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যেন রোমান আইন থেকেই ইসলামি আইন-বিধানের উদ্ভব। একই ধরনের কর্মকান্ড ওয়ান্সব্রোর ক্ষেত্রেও লক্ষ্য করা যায়। Quranic Studies-কে তিনি এভাবে সাজিয়েছেন: Principles of Exegesis (1) Masoretic exegesis; (2) Haggadic exegesis; (3) Deutungsbeduerftigkeit; (4) Halakhic exegesis; and (5) Rhetoric and allegory[১]
তার বইয়ের প্রায় অর্ধেকটা জুড়েই রয়েছে এসব ব্যাখ্যা (Exegesis)। অথচ প্রাচ্যের কোনো আলিম এই বইয়ের সূচিপত্রের অর্থও উদ্ধার করতে পারবেন না। এমনকি পশ্চিম থেকে পড়াশোনা করা মুসলিম বিশেষজ্ঞও না। কোনো ইহুদি র্যাবাই হলে অবশ্য ওল্ড টেস্টামেন্টের এসব পরিভাষার অর্থ বলতে পারতেন। এখানে যা হয়েছে তাকে মূলত হুজুরের গায়ে র্যাবাইয়ের পোশাক চড়ানো বলা যেতে পারে। মুসলিম
আলিমরা পর্যন্ত বুঝতে পারে না, এমনভাবে ইসলামের রূপ বদলানোর প্রতি এই জোর-জবরদস্তি কেন? আসল উদ্দেশ্য হলো বিষয়টিকে মুসলিম আলিমদের পরিধির বাইরে নিয়ে যাওয়া এবং ইহুদি-খ্রিস্টানদের উৎস থেকে এগুলোর উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা সৃষ্টি করা।
টিকাঃ
১. Schacht, An Introduction to Islamic Law, Oxford Univ. Press, 1964, Contents Table.
২. Wansbrough, Quranic Studies, Contents.
📄 অধ্যায় শেষে
শাস্ত্র, ওয়ান্সব্রো, নোয়েলডেক, হার্শফেল্ড, জেফরি, ফ্লুগাল, ব্লাশির, গিয়োম, মিংগানা, পুইনদের আসলে আলাদা করে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কুরআনুল কারিম বিকৃত করতে হলে প্রত্যেক প্রাচ্যবিদই অসৎ পন্থা অবলম্বন করতে বাধ্য। কারণ রূপান্তরসাধন, ইচ্ছাকৃত ভুল অনুবাদ, স্বেচ্ছা-অজ্ঞতা, বাদ দেওয়া, জাল দলিল ব্যবহার ইত্যাদি করা ছাড়া এ কাজে সফল হওয়া সম্ভব নয়। সম্প্রতি অধ্যাপক জেমস বেলামি লিপিকারদের কিছু 'ভুল দূর করা' বা 'টেক্সট সংশোধন' করার লক্ষ্যে বেশ কটা প্রবন্ধ প্রসব করেছেন।[২] এই দাবি শুধু তার একার নয়। প্রাচ্যবিদ মহল থেকে কুরআনের একটি নিয়মতান্ত্রিক সংশোধনের এই শোরগোল খুব একটা নতুন নয়।
রোমান ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ববিদ হান্স কুং ইসলাম নিয়ে আলোচনাকে অরণ্যে রোদন বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। আশির দশকের শেষদিকে তিনি কুরআনে মানবরচিত কথা থাকার কথা স্বীকার করে নেওয়ার আহ্বান জানান মুসলিমদের প্রতি।[১]
অ্যাংলিকান বিশপ কেনেথ ব্র্যাগ মুসলিমদেকের ওহি সম্পর্কিত চিরাচরিত (ঐশী) ধারণা ত্যাগ করতে বলেন 'যা হতে পারে চলমান আন্তঃধর্মীয় সংলাপের বহুত্ববাদী চেতনায় উদ্দীপ্ত মুসলিমদের দেওয়া ছাড়'।[২] এছাড়া "The Historical Geography of the Quran' শীর্ষক একটি লেখায় তিনি মাদানি সুরাগুলো বাদ দিয়ে শুধু মাক্কি সুরাগুলো রাখার প্রস্তাব দেন। কারণ মাদানি সুরাগুলোতে রাজনৈতিক ও আইনগত বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। আর মাক্কি সুরাগুলোতে একত্ববাদী বিশ্বাসের মৌলিক কিছু বিষয় আছে। অন্যভাবে বললে, এই সেক্যুলার গণতন্ত্র এবং রোমান আইনের বিশ্বে রাজনৈতিক ইসলামের কোনো স্থান নেই। তার মতে, কুরআন সংশোধনের এই দাবি বাস্তবায়নের পদ্ধতি হলো সমমনা সাধারণ মুসলিমদের কাছে আবেদন তৈরি করা। আর এক্ষেত্রে আলিম সমাজের মতামত স্রেফ উপেক্ষা করলেই যথেষ্ট। [৩]
কুরআনুল কারিমে ঘোষিত হয়েছে-
এবং তোমার প্রতি নাযিল করেছি কুরআন, যাতে তুমি মানুষের জন্য স্পষ্ট করে দিতে পার, যা তাদের প্রতি নাযিল হয়েছে। আর যাতে তারা চিন্তা করে।[৪]
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরআনের একমাত্র অনুমোদিত ব্যাখ্যাকারী। তার রেখে যাওয়া সুন্নাহ হলো এর বাস্তবায়নের প্রায়োগিক দিক-নির্দেশনা। তাফসির (কুরআনের ব্যাখ্যা) ঠিক হচ্ছে কি না, তা বিচার করার মানদণ্ড এই সুন্নাহ। কুরআনের ব্যাখ্যা এবং সুন্নাহকে একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন করার কোনোই অবকাশ নেই। সাধারণ মানুষ তো দূরে থাক অসংখ্য আলিম পর্যন্ত সহসা কুরআনের ব্যাখ্যার মতো স্পর্শকাতর কাজে হাত দেন না। সেখানে কিনা প্রাচ্যবিদরা দাবি তুলছে কুরআনের
এক অর্ধকে অপর অর্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার! এভাবে করে তারা আসলে সকল আইন-বিধানকে ব্যাখ্যা করার মৌলিক নীতিকেই অস্বীকার করে বসেছে। তাদের কথা হচ্ছে-যে কেউ যেভাবে ইচ্ছা, সেভাবে আল্লাহর আদেশ টানাহ্যাঁচড়া করতে পারবে। যদিও সেক্যুলার রাষ্ট্রীয় আইন নিয়ে তু শব্দটি করা যাবে না।
ধর্মগ্রন্থের বিকৃতিকেই অনিবার্য বাস্তবতা বলে ধরে নেন অনেক পণ্ডিত। তাই কুরআনকেও সেই একই পঙ্কিলতার হাঁড়িতে চোবানোকে তারা একরকম দায়িত্ব মনে করেন। নিশ্চিত ও নির্ভুল একটি সংরক্ষণকর্ম যে আসলেই অস্তিত্বশীল এটা মেনে নিতেই যত কষ্ট তাদের। তাদের ধারণাও নেই, কত উঁচু একটা আদর্শকে তারা টেনে নামানোর বৃথা চেষ্টা করছে। হারমুত ববজিন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'কুরআন বা ইসলামের বিরুদ্ধে খ্রিষ্টান তর্কশাস্ত্র যতটা না ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে আগ্রহী, তার চেয়ে বেশি আগ্রহী আসলে ইউরোপীয় "Geistsgeschichte" (history of ideas) নিয়ে। তারা বারংবার বিভিন্নভাবে যেসব বিষয় উত্থাপিত করেছে, তার সাথে মূল ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।' [১]
জিনিসটাকে গার্ডি সহোদরদের কাজের সাথে তুলনা করেছেন তিনি। তারা অষ্টাদশ শতাব্দীর ইতালিতে তুর্কি চিত্রকরদের অনুকরণে 'তুর্কি চিত্রশিল্প' শিরোনামে নিজেদের মতো করে কিছু চিত্রকর্ম তৈরি করেন।
গার্ডিদের উদ্দেশ্য আর ইসলামকে ঘিরে প্রাচ্যবিদদের লক্ষ্য খুব একটা ভিন্ন নয়। তাই এত এত প্রাচ্যতাত্ত্বিক গবেষণার ফলাফল গণহারে মুসলিম-বিশ্বাসের বিপক্ষে যাওয়াতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ 'প্রাচ্যকে কীভাবে দেখা উচিত'- এই সংক্রান্ত তাদের কল্পনাগুলো প্রসূত হয়েছে একেবারেই ভিন্ন এক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে।
টিকাঃ
১. See ‘Al Raqim or al-Ruqud? A note on Surah 18:9’, JAOS, vol. cxi (1991), pp. 115-17; ‘Fa-Ummuhu Hawiyah: A Note on Surah 101:9’, JAOS, vol. cxii (1992), pp. 485-87; ‘Some Proposed Emendations to the Text of the Koran’, JAOS, vol. cxiii (1993), pp. 562-73; and ‘More Proposed Emendations to the Text of the Koran’, JAOS, vol. cxvi (1996), pp. 196-204.
২. Peter Ford, "The Qur'an as Sacred Scripture', Muslim World, vol. lxxxiii, no. 2, April 993, p. 156.
৩. A. Saeed, 'Rethinking "Revelation" as a Precondition for Reinterpreting the Qur'an A Qur'anic Perspective', JQS, i :93, quoting K. Cragg. Troubled by Truth. Pentland Press, 1992, p. 3.
৪. ibid, i:81-92.
৫. সুরা নাহল, আয়াত: ৪৪
৬. H. Bobzin, 'A Treasury of Heresies', in S. Wild (ed.). The Qur'an as Text, p. 174.
৭. ibid, p. 174.