📄 কুমরান এবং ডেড সি স্ক্রোল: পশ্চিমা দৃষ্টিকোণ
কুমরান ও ওয়াদি মুরাব্বাআতের পান্ডুলিপিগুলো সাম্প্রতিককালের বাইবেল সম্পর্কীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ঘটনা। ১৯৪৭ সালে মৃত সাগরের নিকটবর্তী অঞ্চলে এগুলো পাওয়া যায়। গবেষকদের কাছে থাকা সকল নমুনার চেয়ে সেগুলো কয়েক শতাব্দী পুরোনো ছিল। পাণ্ডুলিপিগুলো এমন যুগের, যখন একক কোনো টেক্সটকে সম্পূর্ণ প্রামাণিক বলে বিবেচনা করা হতো না। তাই সেগুলো তুমুল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।[১] উদ্ধারকৃত নথিগুলোর বিশুদ্ধতা এবং বয়সের ব্যাপারে বাইবেল বিশারদগণ একমত হয়েছেন। খিরবেত কুমরান বসতি এলাকার সাথে কুমরান গুহার সম্পর্ক রয়েছে। ৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম ইহুদি-বিদ্রোহের সময় খিরবেত কুমরান ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার দ্বারা ধ্বংসাবশেষগুলোর বয়স জানা যায়। যেমন: কার্বন-১৪ পদ্ধতিতে একটি লিনেন টুকরার বয়স নির্ণয় করা হয়েছে। সেটি খ্রিষ্টপূর্ব ১৬৭ থেকে ২৩৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ের। পর ধারণা করা হচ্ছে, কুমরানের পাণ্ডুলিপিগুলো ৬৬-৭০ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম ইহুদি বিদ্রোহের সময় জমা করা হয়।[২]
ওয়াদি মুরাব্বাআতের গুহাগুলোর আবার একটু ভিন্ন ইতিহাস আছে। ১৯৫১ সালে কুমরানের প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে বেদুইনরা চারটি গুহা খুঁজে পায়। এরপর বিভিন্ন খননকার্য থেকে আবিষ্কৃত হয়, 'খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দ থেকে আরবীয় আমল পর্যন্ত গুহাগুলোতে নিয়মিত বসতি ছিল'।[৩] প্রাপ্ত কিছু নথি থেকে জানা যায়-দ্বিতীয় ইহুদি-বিদ্রোহের সময় গুহাগুলো আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত বিদ্রোহীরা। এসব গুহাতেও ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু খণ্ডিত স্ক্রোল[৪] পাওয়া যায়; যদিও কুমরানের চেয়ে এগুলোর লিপি অনেক উন্নত। মূলত এই স্ক্রোলগুলোর পাঠ্য মেসোরার[৫] অনুরূপ।[৬] পশ্চিমা পণ্ডিতগণের মতে এই পাণ্ডুলিপিগুলো '(দ্বিতীয় ইহুদি বিদ্রোহের) (১৩২-১৩৫ খ্রিষ্টাব্দ) সময়কার বলে নিশ্চিত করা সম্ভব'।[৭] জে টি মিলিকের মতে, সেখান থেকে প্রাপ্ত পাণ্ডুলিপি (মাইনর প্রফেটস স্ক্রোল) দ্বিতীয় খ্রিষ্টীয় শতাব্দীর। যদিও লিপিগুলো এতই উন্নত যে- 'মধ্যযুগীয় পান্ডুলিপির লেখার সাথে এর দারুণ সাদৃশ্য বিদ্যমান... পাঠ্যের প্রায় সবটাই মিলে যায় (মেসোরেটিক পাঠ্যের সাথে)। দ্বিতীয় শতাব্দীর প্রথমার্ধেই একটি প্রামাণিক পাঠ্য থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় এখান থেকে'।[৮]
উয়ের্থওয়াইনের মন্তব্যগুলো পরস্পরবিরোধী। তিনি একবার ওয়াদি মুররাবাআতের স্ক্রোলগুলোকে প্রামাণিক বলছেন, আবার বলছেন দশম শতাব্দী পর্যন্ত কোনো প্রামাণিক পাঠ্য ছিল না।
পরবর্তী অংশে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কুমরান এবং ওয়াদি মুররাবাআতের termina datum[৯]-এর বিশুদ্ধতার বিরুদ্ধে কিছু যুক্তি উত্থাপন করা হলো।
টিকাঃ
১. Wuerthwein, pp. 31-32.
২. ibid, p. 31
৩. ibid, p. 164.
৪. প্রাচীনকালে যেসব চামড়ার ফালির ওপরে কিতাব লেখা হতো।-সম্পাদক
৫. মেসোরা এক সময় সকল প্রকার টেক্সটের ওপর প্রাধান্য লাভ করে এবং বর্তমান ওল্ড টেস্টামেন্টের ভিত্তিও এটিই।
৬. ibid, p. 31, footnote 56.
৭. ibid, p. 31, footnote 56. এহেন 'নিশ্চয়তা'র কারণ যদিও আমার পক্ষে এখনো খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
৮. ibid, p. 164.
৯. এর অর্থ terminal dates. অর্থাৎ যে সময়ের পর গুহাগুলোতে আর কোনো পার্চমেন্ট জমা করা হয়নি। পার্চমেন্ট হলো পশুর চামড়া থেকে তৈরি করা এক প্রকার লেখার উপযোগী উপাদান। ইহুদিরা এটি লেখার কাজে ব্যবহার করত।
📄 বিপরীত মত : কুমরান এবং অন্যান্য গুহার ভুল টারমিনা ডেটাম
উদ্ধারকৃত খন্ডাংশগুলোর যেটুকু মেসোরীয় টেক্সটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তা প্রথম ইহুদি বিদ্রোহের (৬৬-৭০ খ্রিষ্টাব্দ) আগে থেকেই কুমরানে উপস্থিত ছিল বলে পশ্চিমা বিশেষজ্ঞগণ দাবি করেছেন। কারণ এ সময়েই পার্শ্ববর্তী খিরবেত কুমরান জনপদকে ধ্বংস করে দেয় রোমান সৈন্যরা। আর মেসোরীয় টেক্সটের সাথে মিলে যাওয়া খন্ডাংশগুলো পাওয়া যায় ওয়াদি মুররাবাআতে। এই গুহা ১৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতীয় ইহুদি-বিদ্রোহের পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাই ব্যাপারটি এমন দাঁড়াচ্ছে—ওল্ড টেস্টামেন্টের টেক্সট ৭০-১৩৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কোনো এক সময়ে প্রমিতকরণ করা হয়।
অথচ এমন উপসংহারের গোড়াতেই ভুল আছে। দুটি বিষয় দেখা যাক—
গুহাগুলো কখনোই অগম্য ছিল না। এ কারণেই বেদুইন বালক মুহাম্মাদ জিব কোনো প্রকার খননকার্য ছাড়াই স্ক্রোলগুলো আবিষ্কার করতে পারে। সেসময় তার বয়স ছিল পনের বছর। পেশায় রাখাল নয়তো চোরাকারবারী। ভেড়া খুঁজতে গিয়ে কিংবা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে সে গুহায় প্রবেশ করে। একটু পরে এসে যোগ দেয় তার কিছু বন্ধু। তারা গুহায় এদিক-ওদিক ঘুরতে ঘুরতে ডেড সি স্ক্রোল খুঁজে পায়। তাদের কাছে সামান্য শাবল-কুঠারও ছিল না, অন্য কোনো অত্যাধুনিক যন্ত্র তো দূরের কথা। একাধিকবার গুহায় গিয়ে শুধু হাতের সাহায্যে পার্চমেন্টগুলো উদ্ধার করে তারা। খুব সম্ভবত তারা খালি পায়েও প্রবেশ করে। ১৩৫ খ্রিষ্টাব্দে তা রুদ্ধ হয়ে যাওয়ার কথা; কিন্তু এতে প্রবেশের পথ একদম বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রমাণিত হয় না। এ কারণেই স্ক্রোলগুলো এতটা সহজে এবং কাকতালীয়ভাবে আবিষ্কৃত হয়। কাজেই স্ক্রোলগুলো যেকোনো সময়ই গুহায় রাখা হতে পারে। তাই ১৩৫ খ্রিষ্টাব্দকে টার্মিনাল ডেটাম ধরে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
Discoveries in the Judaean Desert[১] গ্রন্থটির পর্যালোচনা করতে গিয়ে এইচ. শ্যাংকস লিখেছেন, আদিপুস্তকের (Genesis) খন্ডাংশগুলোর ওপর গবেষণা করা লেখক ক্রস ও ডেভিয়া কাজ শুরুর আগে জানতেন, সেগুলো কুমরান থেকে আসেনি; কিন্তু গবেষণা শেষে তাদের বিশ্বাস সেগুলো কুমরান থেকে নয়; বরং ওয়াদি মুররাবাআত থেকে এসেছে।
শুধু লিপি-বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ক্রুস ও ডেভিয়ার সন্দেহ ব্যক্ত করেননি। নিকৃষ্টমানের চামড়া এবং প্রস্তুতকর্মের বাজে অবস্থা কুমরান পান্ডুলিপির বৈশিষ্ট্য নয়। ডেভিয়ার মতে, উক্ত বেদুইন হয়তো অসাবধানতাবশত পাণ্ডুলিপিটি সেগুলোর (কুমরান পান্ডুলিপির) সাথে মিশিয়ে ফেলেছে।[২]
সম্প্রতি কার্বন-১৪ পরীক্ষার দ্বারা সন্দেহ আরও প্রবল হয়। কুমরান থেকে প্রাপ্ত বলে অনুমিত এক টুকরো লিনেনের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। জানা যায় তা মূলত ওয়াদি মুররাবাআতের! শ্যাংকস এতে বিস্মিত হয়ে বলেছেন, 'বেদুইনটি আর কী কী গুলিয়ে ফেলেছে?' [৩]
কাজেই কোন স্ক্রোলটি কোন গুহার তা প্রমাণ করা অত্যন্ত জটিল। প্রত্নতত্ত্ব কোনো অকাট্য বিজ্ঞান নয়, এখানে একটি জিনিস একাধিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। [৪] তাছাড়া কার্বন ডেটিংয়ের একেক কার্যপ্রণালী ব্যবহারের ফলে পরস্পরবিরোধী ফলাফল আসতে পারে (এমনকি কয়েক শতাব্দীর পার্থক্যও সম্ভবপর)। তাই এগুলোর চূড়ান্ত নির্ভরযোগ্যতার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না।
তবে গুহাগুলোর কাল-নির্ণয়ের সবচেয়ে বড় ঝামেলা হলো একই বা কাছাকাছি অবস্থিত গুহা থেকে প্রাপ্ত আরবি খন্ডাংশের উপস্থিতি। এমনকি এই খণ্ডাংশগুলোর মধ্যে একটিতে ৩২৭ হিজরি (৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) তারিখ লেখা রয়েছে।[৫][৬]
চিত্র: ৩২৭ হিজরির তারিখসহ ওয়াদি মুররাবাআতে প্রাপ্ত একটি আরবি খন্ডাংশ। সূত্র: Eisenman and Robinson, A Facsimile Edition of the Dead Sea Scrolls, vol. 1, plate 294.
এখানে লেখা—
'পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। সানুনের সম্পত্তির ওপর বাকি থাকা খাজনা আমি আবু-গাসসানের ওয়ারিশদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছি। তিনশ সাতাশ সালের জন্য সব মিলিয়ে এর পরিমাণ এক দিনারের এক-তৃতীয়াংশ এবং এক-অষ্টমাংশ এসেছে। একই বছরের রবিউল আউয়াল মাসে ইবরাহিম ইবনু হাম্মায কর্তৃক এটি লিখিত। আল্লাহ ভরসা।'
A Facsimile Edition of the Dead Sea Scrolls গ্রন্থে মোট সাতটি আরবি খন্ডাংশের প্রতিলিপি আনা হয়েছে। চিত্রে প্রদর্শিত অংশটি সবচেয়ে স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ। ওয়াদি মুররাবাআতে আরও অন্তত পাঁচটি আরবি খন্ডাংশ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি বেশ লম্বা। রচয়িতাগণ এই সংস্করণে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত না করলেও অন্যত্র তা পাওয়া যায়।[৭]
এসব আরবি খন্ডাংশের অনেক রকম ব্যাখ্যা হতে পারে। হতে পারে গুহাগুলো ঠিকভাবে কোনোদিন রুদ্ধ থাকেনি, বা হতে পারে তা আটকানো ছিল; কিন্তু ১০ শতক আগে পুনঃআবিষ্কৃত হয়, কিংবা হয়তো কিছু অংশ রুদ্ধ ও কিছুটা খোলা ছিল। যেটাই হোক, কোনো খণ্ডাংশকেই নিশ্চিতভাবে সোনালি দুই যুগের (৬৬-৭০ খ্রিষ্টাব্দ ও ১৩২-১৩৫ খ্রিস্টাব্দ) অন্তর্ভুক্ত করার উপায় নেই। [৮] মাইনর প্রফেট স্ক্রোল নিয়ে মিলিকের বিবৃতি এক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক, 'এমনকি মধ্যযুগীয় পাণ্ডুলিপির স্ক্রিপ্টের সাথেও এর প্রবল মিল বিদ্যমান।' [৯] যদি গুহাগুলোতে দশম শতাব্দীর আরবি খন্ডাংশ থাকতে পারে, তাহলে তো দশম শতাব্দী পর্যন্ত যেকোনো যুগে সেখানে ওল্ড টেস্টামেন্টের খন্ডাংশও রেখে আসা সম্ভব। ১৯৫০ সালের খননকার্য থেকে জানা যায় গুহাগুলোতে- '৪০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে আরবীয় আমল পর্যন্ত নিয়মিত মানব-বসতি ছিল।' [১০] যদি বলা হয় ১৩৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়ে ইহুদিরা এসব গুহায় আসেইনি, তাহলে একটা কথা (যদিও মধ্যযুগে সেখানে মুসলিমদের পূর্ণ যাতায়াত ছিল)। অন্যথায় তারিখ নির্ণয়ের পুরো ভিত্তিটাই ভেঙে পড়ে। ৩৫১, ৫১৩ বা এমনকি ৭০০ খ্রিষ্টাব্দে কোনো ইহুদি যে ওয়াদি মুররাবাআতে প্রবেশ করেনি, এর কোনো প্রমাণ আছে? [১১]
গবেষকদের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে ডেড সি স্ক্রোলের তারিখ হিসেবে ষষ্ঠ-সপ্তম শতাব্দীর কথা উঠে আসে। অক্সফোর্ডের অধ্যাপক ড্রাইভের মত এই পক্ষে; কিন্তু পরবর্তী সময়ে অন্যরা সেটাকে হিঁচড়ে নিয়ে যান প্রথম-দ্বিতীয় শতাব্দীতে।[১২] তারিখের এমন হেরফের কোনো বিরল ব্যাপার নয়। কুমরান থেকে প্রাপ্ত প্রাচীন হিব্রু লিপিতে লিখিত লেবীয় পুস্তকের একটি খণ্ডাংশের তারিখ নিয়ে বিষেষজ্ঞগণ খুবই গলদঘর্ম হয়েছেন। শুরুতে পঞ্চম থেকে প্রথম খ্রিষ্টপূর্বাব্দের কথা উঠে এলেও শেষমেশ তা প্রথম খ্রিষ্টীয় শতাব্দীর বলে ঐকমত্য হয়। অর্থাৎ খণ্ডাংশটিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার দৈর্ঘ্য পুরো ছয়শ বছর। [১৩] এ-ধরনের বিশ্লেষণ থেকে বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞান লাভ করা খুবই কষ্টসাধ্য। কাজেই ৭০-১৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ওল্ড টেস্টামেন্ট প্রমিতকরণের দাবিটি উপরের স্পষ্ট প্রমাণাদির বিপরীতে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
টিকাঃ
১. Discoveries in the Judaean Desert, E. Ulrich, F.M. Cross, J.R. Davila, N. Jastram, J.E. Sanderson, E. Tov and J. Strugnell, Vol. XII, Qumran Cave 4 - VII: Genesis to Numbers, Clarendon Press, Oxford, 1994.
২. 'Books in Brief', Biblical Archaeology Review, H. Shanks, Sep./Oct. 1995, vol. 21, no. 5, pp. 6, 8.
৩. ibid, p. 8.
৪. আরও বিস্তারিত এবং নিরীক্ষণ ফলাফল সম্পর্কে জানতে দেখতে পারেন: Islamic Studies : What Methodology?
৫. R.H. Eisenman and J.M. Robinson, A Facsimile Edition of the Dead Sea Scrolls, Biblical Archaeology Society, Washington, DC, 1991, Vol. 1, plate No. 294. For more samples refer to plates Nos. 643-648.
৬. Mahmud al-'Abidi, Makhtutat al-Bahr al-Mayyil, 'Amman, Jordan, 1967, p. 343.
৭. ibid, pp. 342-346.
৮. কুমরান থেকে প্রাপ্ত পার্চমেন্টগুলো অনেক ক্ষেত্রেই মেসরীয় পাঠ্য থেকে বেশ ভিন্ন। সেগুলো ইসেন সম্প্রদায়ের সদস্যদের লিখিত। তারা ছিল মূলত কট্টর ইহুদি সন্ন্যাসবাদী সম্প্রদায়। যেমন: তারা বিশ্বাস করত স্যাবাথের দিন 'উদর যেন অভ্যাসগত কার্যাবলি থেকে বিরত থাকে।' (Dictionary of the Bible, p. 268) এই সম্প্রদায় এখন বিলুপ্ত। তার মানে, তাদের পছন্দের পাঠ্যভিন্নতাগুলো তাদের বেঁচে থাকাবস্থাতেই রচিত হয়েছিল। অপরদিকে, ওয়াদি মুররাবাআতের পাঠ্যগুলো বর্তমানেও প্রচলিত একটি পাঠ্যের প্রকারের সাথে কম-বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খুব সম্ভবত তা মধ্যযুগের আগে কোনো এক সময়ে উদ্ভূত হয়েছে। (স্যাবাথ হলো বিশ্রামদিবস; খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার, ইহুদিদের জন্য শনিবার)
৯. Wuerthwein, p. 154.
১০. ibid. p. 164.
১১. এটি সম্ভব। কারণ 'সম্ভবত মুসলিম শাসিত ফিলিস্তিনেও কিছু ইহুদি বসবাস করে চলছিল।' (Dictionary of Bible, p. 720.)
১২. মাখতৃতাত আল-বাহর আল-মাইয়িত, এম. আল-আবিদি, পৃষ্ঠা: ৯৬, ১০১
১৩. Wuerthwein, p. 160.