📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 জ্ঞানার্জনের ক্ষুধা

📄 জ্ঞানার্জনের ক্ষুধা


আরবের ইতিহাসে ইসলাম আগমনের আগে আরবি ভাষায় কোনো পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া যায় না। কুরআন আরবি ভাষার সর্বপ্রথম গ্রন্থ। আর 'পড়ো' (إقرأ) শব্দটি দ্বারা জ্ঞানার্জনের যাত্রা আবশ্যক করে দেওয়া হয়। দৈনন্দিন সালাতের জন্য এর কিছু অংশ হিফজ করতেই হবে আরব-অনারব সবাইকে। মদিনায় পৌঁছেই নবিজি এই তাড়না অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তিনি সেখানে পাঠদান কার্যক্রম চালু করেন[১] এবং একটি আয়াত হলেও প্রচার করার নির্দেশ দেন।[২] (بلغوا عني ولو آية) [৬০ জন ওহি লেখক সেই বিকাশমান শিক্ষা কার্যক্রমেরই ফলাফল।[৩]
খলিফাদের সময়ে মদিনা ছিল ধর্মীয়, সামরিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। ৩৫ হিজরি পর্যন্ত সময়টা বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য। আফগান থেকে তিউনিসিয়া, তুরস্ক থেকে ইয়েমেন, মাসকাত এবং মিশর পর্যন্ত এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। সরকারের সকল কার্যক্রম-সংক্রান্ত আর্কাইভ গড়ে তোলা হয়। বিভাগ অনুযায়ী
বিন্যস্ত করে সেগুলোকে উসমানের আমলে বাইতুল কারাতিসে সংরক্ষণ করা হয়।¹ এক অনন্য পন্থায় সকল প্রশাসনিক জ্ঞান, ধর্মীয় বিধান, রাজনৈতিক ও সামরিক পরিকল্পনা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে।²

টিকাঃ
১. M.M. al-Azami, Studies in Early Hadith Literature, PP. 183-199; al-Azami, Studies in Hadith Methodology and Literature, American Trust Publication, Indianapolis, 1977, Pp. 9-31
২. সহিহ্বল বুখারি: ৩৪৬১
৩. আল-আযামি, কুততাবুন নাবি, ৩য় সংস্করণ, রিয়াদ, ১৪০১ (১৯৮১), পৃষ্ঠা: ৮৩-৮৯
৪. আল-বালাযুরি, আনসাবুল আশরাফ, খন্ড ১, পৃষ্ঠা: ২২; খলিফা উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর বাসস্থানের পাশেই অবস্থিত ছিল এটি। তাকে যখন হত্যা করা হয়, তখন মারওয়ান এখানেই লুকিয়ে থাকে।
৫. খলিফা উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর চিঠিগুলো দ্রষ্টব্য, আব্দুর রাযযাক আস-সানানি, মুসান্নাফ, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২০৬-২৯১, ২৯৫-৬; খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৯৪, ১৫১, ১৭৫, ১৭৮, ২১০... প্রভৃতি; আল-আযামি, ‘নাশআতুল কিতাবাতিল ফিকহিয়া’, দিরাসাত, খণ্ড: ২, সংখ্যা: ১, পৃষ্ঠা: ১৩-২৪

📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 মুসলিমদের শিক্ষা পদ্ধতি ভূমিকা

📄 মুসলিমদের শিক্ষা পদ্ধতি ভূমিকা


ইহুদি-খ্রিষ্টানদের ধর্মগ্রন্থ যাদের হাতে সংরক্ষিত থাকার কথা, ঠিক তারাই এর ক্ষতিসাধন করেছে। পক্ষান্তরে কুরআন-সুন্নাহকে সামলে রাখার জন্য মুসলিমদের তৎপরতা আগের অধ্যায়গুলোতে আলোচিত হয়েছে। বাইবেলের সাথে এর তুলনার আগ পর্যন্ত মুসলিমদের সেই প্রাণপণ চেষ্টার প্রকৃত মূল্য অনুধাবন করা সম্ভব হবে না। কিন্তু তার আগে মুসলিমদের শিক্ষাপদ্ধতি সম্পর্কে জানা আবশ্যক হয়ে পড়ে। এটি এমন এক বিজ্ঞান—যা আজ পর্যন্ত অনন্য। আল্লাহর কুরআন এবং নবিজির সুন্নাহ সংরক্ষণের মূল এখানেই নিহিত। এমনটিই আল্লাহর ইচ্ছা—
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ )
নিশ্চয় আমিই কুরআন নাযিল করেছি আর অবশ্যই আমি তার সংরক্ষক।
যেহেতু কুরআন স্পষ্টভাবে পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর বিকৃতির কথা জানিয়ে দিয়েছে,
তাই মুসলিমরা কুরআনকে সকল প্রকার অনিশ্চয়তা থেকে দূরে রাখার জন্য প্রবল তাড়না অনুভব করতে লাগল। ইসলামের ইতিহাসের সর্বযুগে কোটি কোটি হাফিজ আল্লাহর কিতাব নিজ বুকে ধারণ করেছেন। শিশু-কিশোর-বৃদ্ধ সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু তাওরাত ও ইঞ্জিলের ক্ষেত্রে এমন ব্যাপার কখনো ঘটেনি। তবে এখানেই মুসলিমদের উদ্যোগ শেষ নয়।
মিথ্যা নাম ব্যবহার করে পুস্তক রচনা খুব কঠিন কাজ নয়। লেখার জগতে ছদ্মনামের ছড়াছড়ি। একইভাবে টেক্সটে এদিক-ওদিক করে তা আবার মূল লেখকের নামে চালিয়ে দেওয়াও সম্ভব। তাহলে এ থেকে বাঁচার উপায় কী? বহু আগেই এর একটি কার্যকর সমাধান বের করেছে মুসলিমরা। আট থেকে নয়টি শতাব্দী পর্যন্ত তারা এই শক্তিশালী পদ্ধতি অবলম্বন করে এসেছে। এরপর ইসলামের রাজনৈতিক ক্ষমতা হ্রাস পেলে তা উপেক্ষার শিকার হয়। এখন আমরা সেই পদ্ধতি সম্পর্কে জানব; প্রবেশ করব ইসলামি জ্ঞানার্জন এবং শিক্ষার একদম গভীরে।

টিকাঃ
১. জ্ঞানের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কীভাবে মুসলিম বিদ্বানগণ অনন্য এক শিক্ষা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, তা নিয়ে এ অধ্যায়ে আলোচনা হবে। তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়ন এবং বিকৃতি থেকে তা রক্ষা করার ক্ষেত্রে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। এই সংক্ষিপ্ত আলোচনার বাইরে আরও জানতে চাইলে লেখকের Islamic Studies: What Methodology গ্রন্থটি পড়া যেতে পারে। অনেকের কাছেই অধ্যায়টি দুর্বোধ্য ও নীরস মনে হতে পারে। চাইলে শুধু 'অধ্যায় শেষে' অংশটুকু পড়ে নিতে পারেন। এতে করে পরবর্তী অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়াবলি বোঝার ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব পড়বে না।
২. সূরা হিজর, আয়াত: ৯

📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 ব্যক্তিগত সান্নিধ্য শিক্ষার জন্য অপরিহার্য

📄 ব্যক্তিগত সান্নিধ্য শিক্ষার জন্য অপরিহার্য


অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ মিলেই সময়। প্রতিটি বিষয়ের সাথে সময় জড়িয়ে আছে। বর্তমান চোখের পলকে অতীত হয়ে যায়। কোনোভাবেই আর তা ফিরে পাওয়ার উপায় নেই। কিন্তু তা কাগজে-কলমে থাকলে এর নির্ভরযোগ্যতা নিরূপণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। নবিজির ইন্তেকালের পর কুরআন ও সুন্নাহ সংরক্ষণের কর্তব্য বর্তায় সাহাবিদের ওপর। সব অনিশ্চয়তা রোধ করতে সাহাবিদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একটি জটিল পদ্ধতি অস্তিত্ব লাভ করে। এর ভিত্তি ছিল বিধিবদ্ধ সাক্ষ্য।
ধরা যাক, ‘ক’ দাঁড়িয়ে থেকে এক গ্লাস পানি পান করল। উক্ত ব্যক্তির অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি। কিন্তু শুধু যুক্তির দ্বারা কি আলোচ্য বিবৃতির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব? পানি সে পান না-ও করতে পারে। অথবা গ্লাসে না নিয়ে হাতে করে, কিংবা দাঁড়ানোর বদলে বসে পান করতে পারে। কোনো সম্ভাবনাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কাজেই পুরো ব্যাপারটি ঘটনার সাক্ষী এবং তার পর্যবেক্ষণের বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভরশীল। উক্ত ঘটনায় অনুপস্থিত থাকা ‘গ’ কিছু জানতে চাইলে অবশ্যই ‘খ’-এর প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে। আর অন্যদের জানানোর ক্ষেত্রে গ-কে তার সূত্রও দেখাতে হবে। তাহলে বিবৃতির যথার্থতার ভিত্তি হলো—
» খ-এর প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ এবং তার বর্ণনার বিশুদ্ধতা।
» প্রাপ্ত তথ্য অনুধাবনের ক্ষেত্রে গ-এর নির্ভুলতা এবং বর্ণনার সত্যতা।
এখন খ এবং গ-এর ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে ইতিহাসবিদরা আগ্রহী না হলেও আলিমগণ বিষয়টিকে আলাদা করে দেখেছেন। তাদের মতে, ক-সম্পর্কিত কোনো বিবৃতি দেওয়ার অর্থ তার ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করা। একইভাবে খ-এর ব্যাপারে গ সাক্ষ্য দান করে। এভাবে একজন সাক্ষী তার আগেরজনের হয়ে সাক্ষ্য বহন করে।
পুরোটাই একটি শৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই একটি বর্ণনার সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ করতে হবে এই শৃঙ্খলের প্রতিটি বিষয়কে।

📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 প্রথম যুগের আলিম

📄 প্রথম যুগের আলিম


প্রথমেই কিছু পরিভাষার সাথে পরিচিত হওয়া যাক-
» প্রথম প্রজন্মকে আমরা ‘সাহাবি’ নামে চিনি। কারণ তারা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহচর ছিলেন এবং তাকে সরাসরি চিনতেন। স্বয়ং আল্লাহ তাদের প্রশংসা করেছেন। কুরআনে সাক্ষ্য দিয়েছে তাদের চারিত্রিক পবিত্রতার। এজন্য তাদেরকে ‘আদল’ (الصحابة عدول) বলে ডাকা হয়।
» দ্বিতীয় প্রজন্মকে বলা হয় ‘তাবিয়ি’। তারা সাহাবিদের কাছ থেকে জ্ঞানার্জন করেছেন। সাধারণত প্রথম হিজরি শতাব্দী এবং তার পরের শতাব্দীর শুরুর দুই যুগে বেঁচে ছিলেন তারা। ‘বিশ্বস্ত’ হলেই তাদের হাদিস গ্রহণযোগ্য। সাহাবিদের কাছ থেকে বর্ণনা করায় আর কোনো যাচাই-বাছাই দরকার নেই।[১]
» তৃতীয় প্রজন্মকে ‘তাবে-তাবিয়ি’ বলা হয়। দ্বিতীয় শতকের অর্ধভাগ পর্যন্ত পাওয়া যায় তাদের। সরাসরি তাদের থেকে বর্ণিত কোনো হাদিস অন্যান্য সূত্র দ্বারা প্রতিপাদন করা সম্ভব না হলে তা গরিব (غريب) হিসেবে গণ্য হবে।[২]
» সরাসরি চতুর্থ প্রজন্ম থেকে বর্ণিত কোনো হাদিসকে অন্যান্য সূত্র দ্বারা যাচাই করা না গেলে তা অগ্রহণযোগ্য।[৩] বর্ণনাকারীর মর্যাদা এখানে গৌণ। এ পর্যায়ের বর্ণনাকারীর কেউ কেউ প্রায় ২০০০০০ হাদিস বর্ণনা করেছেন। এতগুলো হাদিসের মধ্যে দু-তিনটি হাদিস পাওয়াও কঠিন হবে, যা একাধিক সনদে বর্ণিত হয়নি। যদি কোনো বর্ণনাকারীর বহুসংখ্যক হাদিসের ব্যাপারে আলাদা আলাদাভাবে নিশ্চিত
হওয়া না যায়, তাহলে তাকে দুর্বল রাবি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে[১]।
নবিজির জীবদ্দশায়ই হাদিস লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে তা বিষয়ভিত্তিক পুস্তকাকারে আসে প্রথম শতাব্দীর অর্ধভাগে এসে। নবসৃষ্ট এ জোয়ারের ফলে দ্বিতীয় শতাব্দীতে আমরা বিশ্বকোষ প্রকৃতির কিছু কাজ দেখতে পাই। যেমন: ইমাম মালিকের মুয়াত্তা, মুহাম্মাদ আশ-শাইবানির মুয়াত্তা, আবু ইউসুফের আসার, ইবনু ওয়াহাবের জামি, ইবনু মাজিশুনের কিতাব। এরপর তৃতীয় শতাব্দীতে ইমাম বুখারির সহিহ, আহমাদ ইবনু হাম্বলের মুসনাদ-এগুলোর মতো ভারী ভারী কর্ম সম্পাদিত হয়।
উপরিউক্ত রূপরেখা থেকে আমরা প্রজন্মভিত্তিক ইসনাদের মূল্যায়ন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাই। এরকম একটি পদ্ধতির ভেতরে জাল হাদিস টিকে থাকা কতটা কঠিন-তা আশা করি বোধগম্য। বিশ্বকোষ রচনাকারী সদাসতর্ক হাদিস গবেষকদের উপস্থিতিতে সেগুলো শনাক্ত না হওয়াটা এক প্রকার অসম্ভব বিষয়।

টিকাঃ
১. মূলত এমন কথা বলা তখনই সম্ভব, যখন এ কথার নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে, তাবিয়িরা সর্বদা সাহাবিদের থেকেই হাদিস বর্ণনা করে থাকেন, অন্য কারও থেকে কখনো হাদিস বর্ণনা করেন না। কিন্তু এটাও সম্ভব, কোনো তাবিয়ি অন্য এক তাবিয়ির সূত্র ধরে সাহাবি থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। সেক্ষেত্রে তাবিয়ির ক্ষেত্রে ওই ছাড় নেই, যা সাহাবির ক্ষেত্রে থাকে। শুধু সাহাবি হওয়াই একজনের বর্ণনা গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য যথেষ্ট হলেও সাধারণভাবে তাবিয়ি বা তার নিম্নস্তরের বর্ণনাকারী হলে হাদিস যাচাই-বাছাইয়ের সকল শর্ত তার জন্য প্রযোজ্য হবে।—শারয়ী সম্পাদক
২. ‘গরিব’ উলুমুল হাদিসের একটি পরিভাষা। সাধারণত একক সনদে বর্ণিত হাদিসকে ‘গরিব’ বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ সনদের কোথাও যদি শুধু একজন বর্ণনাকারী থাকে, হাদিস বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তার সাথে অন্য কেউ না থাকে তাহলে সেটাকেই ‘গরিব’ বলা হয়। ‘গরিব’ মানেই দুর্বল নয়; যেমনটি কিছু লোক ধারণা করে থাকে। এটা মূলত ইসনাদের একটি অবস্থার নাম। গরিব সনদ তার অবস্থার প্রেক্ষিতে কখনো সহিহ হয়, কখনো হাসান হয়, কখনো দুর্বল হয়।—শারয়ী সম্পাদক
৩. বস্তুত শুধু গরিব হওয়া হাদিস প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কোনো কারণ নয়; যতক্ষণ না হাদিসটি অন্য কোনো বিশুদ্ধ ও প্রমাণিত হাদিসের বিপরীত হয় কিংবা প্রমাণ হয়, বর্ণনাকারী বর্ণনার ক্ষেত্রে ভুল করেছে।—শারয়ী সম্পাদক
৪. এটা রাবি দুর্বল হওয়ার মৌলিক কোনো কারণ নয়। তবে কোনো রাবি যদি প্রচুর পরিমাণে মুনকার ও ভুল হাদিস বর্ণনা করে, তাহলে সেটা তার নির্ভরযোগ্যতায় প্রভাব ফেলবে এবং ভুলের মাত্রা হিসেবে সে দুর্বল, প্রত্যাখ্যাত বা পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী হিসেবে বিবেচিত হয়-শারয়ি সম্পাদক।
৫. যাহাবি, আল-মুকিযা, পৃষ্ঠা: ৭৭-৭৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00