📄 একই সাথে দুটি ভিন্ন উচ্চারণ চিহ্নের ব্যবহার
খালিল ইবনু আহমাদ আল-ফারাহিদির উচ্চারণ চিহ্নের ব্যবহার দ্রুত প্রসার লাভ করে। কিন্তু মৌলিকতা রক্ষার খাতিরে ইচ্ছা করেই তা থেকে দূরে রাখা হয় কুরআনের প্রধান অনুলিপিগুলোকে। তবে ধীরে ধীরে কুরআনের ক্ষেত্রেও কোনো কোনো লিপিকার নতুন উচ্চারণ চিহ্ন প্রয়োগ করেন।[১] সানআ থেকে পাওয়া কুরআন খণ্ডের কিছু ছবি দ্বারা এর উদাহরণ দেখানো সম্ভব। ওপরের চিত্র দুটি সম্ভবত দ্বিতীয় হিজরির। নিচে তৃতীয় হিজরির একটি কুরআন লিপির নমুনা দেখানো হলো—[২]
চিত্র: তৃতীয় হিজরির একটি কুরআনি লিপি। বিভিন্ন রঙের নুকাতের ব্যবহার লক্ষ্য করার মতো। সূত্র: National Archive Museum of Yemen
নিচের চিত্রটি একই সময়ের সাধারণ আরবি লিপি। আগেরটির সাথে নুকাত, উচ্চারণ চিহ্ন এবং লিপির পার্থক্য খুব সহজেই দৃশ্যমান।
চিত্র: দ্বিতীয় হিজরির একটি সাধারণ আরবি লিপি। এখানে ফারাহাদির উচ্চারণ চিহ্নের ব্যবহার রয়েছে। সূত্র: A. Shakir (ed.), ar-Risalah of ash-Shafi'i, Cairo, 1940, Plate 6
টিকাঃ
১. কিছু লিপিকারের মধ্যে ইবনু মুকলা (মৃত্যু: ৩২৭ হিজরি), ইবনুল বাওয়াব (মৃত্যু: ৪১৩ হিজরি) প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এমনকি ইবনুল বাওয়াব উসমানি বানানরীতি থেকেও সরে এসেছিলেন। তবে বর্তমানে আদি উসমানি রীতিই অনুসরণ করা হয়। যেমন: মদিনার কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স থেকে ছাপানো মুসহাফ।
২. Masahif San’a, Dar al-Athar al-Islamiyyah (Kuwait National Museum), 19 March-19 May 1985, Plate no. 53.