📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 অধ্যায় শেষে

📄 অধ্যায় শেষে


খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতকের মধ্যভাগ থেকে শুরু করে আরবের শিলালিপিগুলোতে সুসজ্জিত আরবির সমাহার দেখা যায়। আর প্রাচীন আরবি থেকেই নাবাতীয় আরবির খোরাক মেলে, যার মূল প্রোথিত রয়েছে অ্যারামাইকপূর্ব ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও ইসমাইল আলাইহিস সালামের যুগে। অন্য সকল ভাষার মতো আরবি পালিওগ্রাফি এবং অর্থোগ্রাফিও প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে গেছে। ইসলামি শাসনের বিস্তৃতির সাথে আরবি লিপিগুলোও হয়েছে বৈচিত্র্যময়। হিজাযি, প্যাঁচানো, কুফীয় ইত্যাদি সকল লিপির মাঝেই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। তবে এগুলো কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না কিংবা একটির ওপর অন্যটির প্রাধান্যও ছিল না। এ অধ্যায়ে প্রথম শতাব্দীর একাধিক কুফীয় শিলালিপির উদাহরণ পেশ করা হয়েছে। অতএব তা শুধু দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যে সীমাবদ্ধ প্রসঙ্গে যেসব তত্ত্ব রয়েছে, তা এখন অকার্যকর।

টিকাঃ
১. খলিফা আব্দুল মালিক ৭৭ হিজরিতে এই মুদ্রার প্রচলনের দ্বারা পুরো মুসলিমবিশ্বকে একত্র করেন। (Stephen Album, A Checklist of Islamic Coins, 2nd edition, 1998, p. 5) এ-সকল স্বর্ণ, রৌপ্য এবং তাম্র মুদ্রায় কুরআনি বালী, প্রচলনের সাল কুফীয় লিপিতে খোদাই করা থাকত। টাকশালের নামও উল্লেখ করা থাকত বুলা ও তামার ক্ষেত্রে। ১৩২ হিজরিতে উমাইয়্যা খিলাফতের পতনের পরেও এই রীতি চালু থাকে। ('Islamic Coins-The Turath Collection Part I', Spink, London, 25 May 1999, Sale No. 133)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00