📄 অধ্যায় শেষে
আগের অধ্যায়ে কুরআনের প্রতি তৃতীয়, চতুর্থ এবং সপ্তম ভাগ নিয়ে হাজ্জাজের আগ্রহের ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে। এর কিছুকাল পরেই অর্থাৎ প্রথম শতাব্দীর শেষ ভাগে এসে মুসহাফকে সাতটি মঞ্জিলে ভাগ করা হয়। যারা এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো কুরআন খতম দিতে আগ্রহী, তাদের সুবিধার্থে এই উদ্যোগ। তৃতীয় শতাব্দীতে আরও কিছু চিহ্ন যুক্ত হয়। একমাসে শেষ করার সুবিধার্থে পুরো কিতাবকে বিভক্ত করা হয় ৩০টি জুয বা পারায়। এ সবকিছুর শুরু হাজ্জাজের আগ্রহ থেকে। তখন থেকেই তা পাঠকদের জন্য উপকারী সাব্যস্ত হয়ে আসছে।
কারুকার্যখচিত পাড় কিংবা সোনালি কালির মতো আরও অসংখ্য জিনিস যে যার পছন্দ এবং দক্ষতা অনুযায়ী যুক্ত করেছে। তবে এগুলোর উদ্দেশ্য কেবল সৌন্দর্যবর্ধন, পাঠের সুবিধা নয়। তাই এগুলো নিয়ে আর বিস্তারিত আলাপ করব না। পড়ার সুবিধার জন্য ফোঁটা এবং হরকতের ব্যবহারের ফলে অনারব মুসলিমদের জন্য কুরআন শেখা অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়। সহায়ক চিহ্ন এবং এ সম্পর্কিত প্রাচ্যবিদদের বিরোধ প্রসঙ্গে পরের অধ্যায়ের মূল আলোচনা।