📘 কুরআন সংকলনের ইতিহাস > 📄 অধ্যায় শেষে

📄 অধ্যায় শেষে


উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর দক্ষতা অন্তত দুদিক থেকে পরিষ্কার-
এক. এমন কোনো প্রদেশ বাকি ছিল না, যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই মুসহাফ মিশে যায়নি।
দুই. মুসহাফের ওপর ১৪শ বছরের দীর্ঘ পরিক্রমা এতটুকু দাগও ফেলতে পারেনি। এর মূলপাঠ অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে। কুরআনুল কারিমের ঐশী পরিচয় একদম প্রকাশ্য ধরা পড়ে যায়। এর আর কী ব্যাখ্যা থাকতে পারে? পরবর্তী খলিফাগণ
ইতিহাসের পাতায় স্থান পেতে কুরআনের অনুলিপির প্রসার বাড়িয়েছেন শুধু। কিন্তু উসমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক একটা কিছুও তৈরি হয়নি।
কালের আবর্তনে মুসহাফের বিভিন্নরকম বাহ্যিক পরিবর্তন আসে। কিন্তু এর ফলে উচ্চারণ কিংবা অর্থের কোনো পরিবর্তন হয়নি। খলিফা উসমানও হয়তো জীবদ্দশায় এরকম কিছু বিষয় দেখেছেন। স্বরচিহ্ন, আয়াত পৃথকীকরণ চিহ্ন এবং নুক্তা না দেওয়ার পেছনে হয়তো উদ্দেশ্য ছিল—মানুষ যেন সঠিক নির্দেশনা ছাড়া নিজে নিজে কুরআন মুখস্থ করতে শুরু না করে। কিন্তু সময়ের সাথে সেই সমস্যা দূরীভূত হতে থাকলে নুক্তার উপস্থিতি এবং আয়াত পৃথকীকরণ চিহ্ন স্বাভাবিক হয়ে গেল। পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে আমরা এর নিহিতার্থ নিয়ে আলোচনা করব।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00