📄 মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য
আল্লাহ মানুষকে শুধু তাঁর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন-
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
আমি সৃষ্টি করেছি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্য-তারা একমাত্র আমারই ইবাদতকরবে।
টিকাঃ
১. সুরা যারিয়াত, আয়াত: ৫৬
আল্লাহ মানুষকে শুধু তাঁর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন-
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
আমি সৃষ্টি করেছি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্য-তারা একমাত্র আমারই ইবাদতকরবে।
টিকাঃ
১. সুরা যারিয়াত, আয়াত: ৫৬
📄 মনোনীত নবি-রাসুলদের প্রচারিত ওহি
আল্লাহ মানুষকে শুধু তাঁরই ইবাদত করার প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।[১] তবে সেটা তারা তখনই করবে, যখন বাইরের কোনো ধারণাপ্রসূত চিন্তা তাদের প্রভাবিত করবে না। আর এসব নবউদ্ভাবিত ধ্যান-ধারণা থেকে রক্ষা করার জন্যই আল্লাহ যুগে যুগে তাঁর নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। মানুষকে শিরক এবং কুসংস্কারের জাল থেকে উদ্ধার করে আবার সঠিক রাস্তা প্রদর্শন করে গেছেন তারা।
وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّى نَبْعَثَ رَسُولًا )
আর আমি রাসুল প্রেরণ না করা পর্যন্ত কাউকেই শাস্তি দিই না।[২]
স্রষ্টা তাঁর নবি-রাসুলদের সকল প্রকার পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করে সদ্গুণ ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ করে পাঠিয়েছেন। তারা ছিলেন মানবচরিত্রের জন্য আদর্শস্বরূপ নিজ সম্প্রদায়কে আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন তারা। আর যুগে যুগে তাদের মূল বার্তা ছিল একই।
وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ
আর আপনার পূর্বে আমি যে রাসুলই প্রেরণ করেছি, তার কাছে এ ওহিই পাঠিয়েছি-আমি ছাড়া অন্য কোনো (সত্য) ইলাহ নেই, সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত করো [৩]
আর সমস্ত রাসুলের বার্তা ছিল—
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমাকে মেনে চলো।[৪]
টিকাঃ
১. প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিতরাতের (ইসলামের প্রকৃতির) ওপর। এরপর তার মা-বাবা (তথা তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ) তাকে ইহুদি বা খ্রিষ্টান বা অগ্নিপুজারী-রূপে গড়ে তোলে। (সহিরু বুখারি : ১৩৫৮, ১৩৫৯, ১৩৮৪, ১৩৮৫, ৪৭৭৫, ৬৫৯৯; সহিহ মুসলিম: ২৬৫৮)
২. সূরা ইসরা, আয়াত: ১৫
৩. সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ২৫
৪. সূরা ফুসসিলত, আয়াত: ১০৮; পাশাপাশি ১১০, ১২৬, ১৩১, ১৪৪, ১৫০, ১৬৩ এবং ১৭৯ নং আয়াতও দ্রষ্টব্য।
আল্লাহ মানুষকে শুধু তাঁরই ইবাদত করার প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।[১] তবে সেটা তারা তখনই করবে, যখন বাইরের কোনো ধারণাপ্রসূত চিন্তা তাদের প্রভাবিত করবে না। আর এসব নবউদ্ভাবিত ধ্যান-ধারণা থেকে রক্ষা করার জন্যই আল্লাহ যুগে যুগে তাঁর নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। মানুষকে শিরক এবং কুসংস্কারের জাল থেকে উদ্ধার করে আবার সঠিক রাস্তা প্রদর্শন করে গেছেন তারা।
وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّى نَبْعَثَ رَسُولًا )
আর আমি রাসুল প্রেরণ না করা পর্যন্ত কাউকেই শাস্তি দিই না।[২]
স্রষ্টা তাঁর নবি-রাসুলদের সকল প্রকার পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করে সদ্গুণ ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ করে পাঠিয়েছেন। তারা ছিলেন মানবচরিত্রের জন্য আদর্শস্বরূপ নিজ সম্প্রদায়কে আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন তারা। আর যুগে যুগে তাদের মূল বার্তা ছিল একই।
وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ
আর আপনার পূর্বে আমি যে রাসুলই প্রেরণ করেছি, তার কাছে এ ওহিই পাঠিয়েছি-আমি ছাড়া অন্য কোনো (সত্য) ইলাহ নেই, সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত করো [৩]
আর সমস্ত রাসুলের বার্তা ছিল—
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ
অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও আমাকে মেনে চলো।[৪]
টিকাঃ
১. প্রতিটি নবজাতকই জন্মলাভ করে ফিতরাতের (ইসলামের প্রকৃতির) ওপর। এরপর তার মা-বাবা (তথা তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ) তাকে ইহুদি বা খ্রিষ্টান বা অগ্নিপুজারী-রূপে গড়ে তোলে। (সহিরু বুখারি : ১৩৫৮, ১৩৫৯, ১৩৮৪, ১৩৮৫, ৪৭৭৫, ৬৫৯৯; সহিহ মুসলিম: ২৬৫৮)
২. সূরা ইসরা, আয়াত: ১৫
৩. সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ২৫
৪. সূরা ফুসসিলত, আয়াত: ১০৮; পাশাপাশি ১১০, ১২৬, ১৩১, ১৪৪, ১৫০, ১৬৩ এবং ১৭৯ নং আয়াতও দ্রষ্টব্য।