📄 সিরিয়ায় সেনাদল প্রেরণ
১২ হিজরির শেষ দিকে সম্পূর্ণভাবে ইসলামি খিলাফতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে জাযিরাতুল আরব। এরপর খলিফা আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু সিরিয়া বিজয়ের পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিকভাবে খুব একটা সাফল্য এনে দিতে পারেননি সেনাপতি খালিদ ইবনু সাইদ এবং ইকরিমা ইবনু আবি জাহল। তাই খliফা পুরো অঞ্চলটিকে চারটি ভাগে বিভক্ত করে প্রতিটির জন্য আলাদা সেনাপতি নিযুক্ত করেন। ইয়াজিদ ইবনু আবি সুফিয়ানকে দামেশকে; আমর ইবনুল আসকে ফিলিস্তিনে, শুরাহবিল ইবনু হাসানাকে জর্ডানে এবং আবু উবাইদা ইবনুল জাররাকে সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চল হিমসে প্রেরণ করা হয়।
রোমানরাও অনুরূপ চারটি রেজিমেন্ট স্থাপন করে। তাই যুদ্ধনীতি পরিবর্তন করে চার সেনাধ্যক্ষকে একত্রিত হওয়ার নির্দেশ দেন খলিফা। খালিদ ইবনু ওয়ালিদকে প্রধান সেনাপতি হিসেবে তার অর্ধেক সৈন্য নিয়ে সিরিয়ায় যেতে বলেন। আল্লাহ তাকে অসাধারণ সফলতা দান করেন সেখানে। অন্যত্রও মুসলিমবাহিনী নানামুখী প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে।
১২ হিজরির শেষ দিকে সম্পূর্ণভাবে ইসলামি খিলাফতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে জাযিরাতুল আরব। এরপর খলিফা আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু সিরিয়া বিজয়ের পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিকভাবে খুব একটা সাফল্য এনে দিতে পারেননি সেনাপতি খালিদ ইবনু সাইদ এবং ইকরিমা ইবনু আবি জাহল। তাই খliফা পুরো অঞ্চলটিকে চারটি ভাগে বিভক্ত করে প্রতিটির জন্য আলাদা সেনাপতি নিযুক্ত করেন। ইয়াজিদ ইবনু আবি সুফিয়ানকে দামেশকে; আমর ইবনুল আসকে ফিলিস্তিনে, শুরাহবিল ইবনু হাসানাকে জর্ডানে এবং আবু উবাইদা ইবনুল জাররাকে সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চল হিমসে প্রেরণ করা হয়।
রোমানরাও অনুরূপ চারটি রেজিমেন্ট স্থাপন করে। তাই যুদ্ধনীতি পরিবর্তন করে চার সেনাধ্যক্ষকে একত্রিত হওয়ার নির্দেশ দেন খলিফা। খালিদ ইবনু ওয়ালিদকে প্রধান সেনাপতি হিসেবে তার অর্ধেক সৈন্য নিয়ে সিরিয়ায় যেতে বলেন। আল্লাহ তাকে অসাধারণ সফলতা দান করেন সেখানে। অন্যত্রও মুসলিমবাহিনী নানামুখী প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে।