📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 গণক ও যাদু করের নিকট আসা

📄 গণক ও যাদু করের নিকট আসা


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - من أتى عرافا فسأله عن شيء لم تقبل له صلاة أربعين ليلة “চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - من أتى كاهنا أو عرافا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمد صلى الله عليه وسلم সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করল।"
প্রশ্ন: من أتى عرافا فسأله عن شيء لم تقبل له صلاة أربعين ليلة "যে ব্যক্তি কোন গণকের নিকট এসে তাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, তার চল্লিশ দিনের
সালাত কবুল করা হবে না।"⁶⁶ অনুরূপ হাদীস- مَنْ أَتَى كَاهِنًا أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم গণকের কাছে আসল, এবং তার কথায় বিশ্বাস করল, সে মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর যা নাযিল হয়েছে তার প্রতি কুফরী করল।"⁶⁷ বিশ্বাস মানুষের সাথে স্থায়ী হয় নাকি ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ এখন জিজ্ঞাসা করল কিছুসময় মানল, পরে আর তা মানল না। নাকি স্থায়ী হওয়া অর্থ এই যে, তাকে কেউ জিজ্ঞাসা করল এবং সে তাকে পথ দেখালও এমন....? উত্তর: প্রথম হাদীসের শব্দে 'তাকে বিশ্বাস করল' কথাটি নেই। তাতে রয়েছে- مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةُ أَرْبَعِينَ لَيْلَة নিকট এসে তাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না" এখানে বিশ্বাস করা নেই। আর দ্বিতীয় হাদীসে বিশ্বাস করা কথাটি রয়েছে। এ ব্যক্তি কাফের হওয়ার কারণ, তার অন্তরে এ বিশ্বাস জন্মে যে, গণক বা জ্যোতিষী সত্যবাদী, তার কথা গাইবী কথা ও ভবিষ্যতবাণী। আর এগুলো সবই অর্ন্তভুক্ত করে আল্লাহর বাণীর প্রতি কুফরী করাকে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, قُلْ لَا يَعْلَمُ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ "বলুন, আসমানসমূহ ও জমিনের গাইব আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।” প্রথম অবস্থায় বিশ্বাস করাই যথেষ্ট। তার অর্থ এ নয় যে, বাস্তবের সাথে ঘটনা মিলে কিনা সে পর্যন্ত অপেক্ষ করতে হবে। যদি মিলে বিশ্বাস করবে আর যদি না মিলে বিশ্বাস করবে না। যদি কোন ব্যক্তি এরকম অপেক্ষা করে এবং বলে আমি দেখব যে, গণক যা বলেছে সত্য হয় কিনা? এ ব্যক্তি বাস্তবে তাকে বিশ্বাস করল না। তবে গণকের কাছে গমনের কারণে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। বিশ্বাস বলা হয়, তার কথার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখা ও তাকে সত্য বলে জানা এবং এ কথা বিশ্বাস করা যে, তার কথার বাস্তবায়ন হবেই। আর যদি এ কথা বলে, আমি দেখব লোকটি সত্যবাদী কিনা মিথ্যাবাদী— একে বিশ্বাস বলে না এবং লোকটি গণককে বিশ্বাস করছে এ কথা বলা যাবে না। অনুরূপভাবে কেউ যদি গণক ও জ্যোতিষীর কাছে তার মিথ্যুক হওয়া প্রমাণ করার জন্য আসে এবং কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে তাতে কোন গুনাহ হবে না। কারণ, ইবন সাইয়‍্যাদ যে গাইব জানে বলে দাবি করছিল তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পূর্ণ গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, اخْسَأْ، فَلَنْ« »تَعْدُوَ قَدْرَكَ .. “চুপ থাক, তুমি গণক ছাড়া আর কিছুই নয় এবং অহীর মাধ্যমে গাইবী বিষয় জানা পর্যন্ত কখনোই পৌছবে না।"⁶⁸ আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.

টিকাঃ
⁶⁶ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৩০
⁶⁷ মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৯৫৩২
⁶⁸ সহীহ বুখারী হাদীন নং ১৩৫৪

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ সম্পর্কে মুসলিমদের অবস্থানের ব্যাখ্যা

📄 সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ সম্পর্কে মুসলিমদের অবস্থানের ব্যাখ্যা


সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত হতাহত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী- إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ بِسَيْفَيْهِمَا فَالْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ “যখন দুইজন মুসলিম একে অপরকে তরবারি দ্বারা হত্যা করে, হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে”-এর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি।
প্রশ্ন: আমি একটি মাদরাসার ইতিহাসের শিক্ষক। মাধ্যমিকের প্রথম ক্লাসে আমি সিফ্ফীন ও জামাল দুই যুদ্ধের ইতিহাস পড়ানোর সময় ছাত্রদের থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হই। তারা বলে কীভাবে সাহাবীগণ পরস্পর একে অপরকে হত্যা করল? তারা রাসূলের হাদীস— إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ بِسَيْفَيْهِمَا فَالْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ “যখন দুইজন মুসলিম একে অপরকে তরবারি দ্বারা হত্যা করে,⁶⁹ হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে।" তুলে ধরে। এ অবস্থায় আমাদের অবস্থান কি হবে?।
উত্তর: সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত হতাহতের বিষয়ে আমাদের অবস্থান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতেরই অবস্থান। আর তা হলো আমরা এ বিষয়ে এ কথাই বলব যে, আল্লাহ তা'আলা আমাদের তলোয়ারকে তা থেকে বিরত রেখেছেন আমারাও তাদের বিষয়ে মুখ খোল থেকে বিরত থাকব। এ বিষয়ে একজন কবি বলেন,
সাহাবীগণ সবাই মুজতাহিদ। মুতাজাহিদ হলেই সব বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত সঠিক হবে এমন কোন কথা নেই। মানুষ অনেক সময় ইজতিহাদে ভুল করে। তাদের থেকে যে বিবাদ সংঘটিত হয়েছে নিঃসন্দেহে বলা যায় তা তাদের ইজতিহাদের ভুলের কারণেই সংঘটিত হয়েছে। তারা অবশ্যই ক্ষমা প্রাপ্ত। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ "যখন কোন বিচারক সঠিক রায় প্রদানের জন্য চেষ্টা করে তারপর সে সঠিক রায় প্রদান করে তখন তার জন্য দ্বিগুণ সাওয়া মিলবে। আর যদি কোন বিচারক সঠিক ফায়সালা দেওয়ার উদ্দেশ্যে চেষ্টা করে কিন্তু রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে সে ভুলও করে তারপরও সে একগুণ সাওয়াব পাবে।"⁷⁰
ছাত্রদের থেকে যখন এ প্রশ্ন আসে যে এ ধরনের ঘটনা কীভাবে সাহাবীগণের থেকে সংঘটিত হয়? তখন তার উত্তর হলো-আমাদের ওপর ওয়াজিব হলো,
আমরা আমাদের জবানকে এ থেকে বিরত রাখবো এবং কোন প্রশ্ন তুলবো না। আর আমরা এ কথা বলব, তারা প্রত্যেকেই মুজতাহিদ। যার ইজতিহাদ সঠিক ছিল তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব আর যার ইজতিহাদ সঠিক ছিল না সে এক গুণ সাওয়াব পাবে। আল্লাহ তা'আলাই ভালো জানেন।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.

টিকাঃ
⁶⁹ বুখারী হাদীস নং 31
⁷⁰ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৩৫২

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 জানাযার সালাতে তাড়াহুড়া করা

📄 জানাযার সালাতে তাড়াহুড়া করা


হাদীস: "জানাযার সালাতে তাড়াহুড়া করা" এবং "তিন সময়ে সালাত ও দাফন করা নিষিদ্ধ হওয়া" বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস。
প্রশ্ন: "তিন সময়ে সালাত ও দাফন করা নিষেধ করা" বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস এবং "জানাযার সালাতে তাড়াহুড়া করা" করার হাদীসের মধ্যে কীভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যাবে? আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
উত্তর: উভয় হাদীসের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। জানাযার সালাত ও দাফনে তাড়াহুড়া করা সময় ক্ষেপণ না করা সুন্নাত। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, " أسرعوا بالْجَنَازَةِ فَإِنْ تَكُ صَالِحَةً فَخَيْرٌ تُقَدِّمُونَها إليه وإن تَكُ سِوَى ذَلِكَ فَشَرٌّ تَضَعُونَهُ عَنْ رِقَابِكُمْ "জানাযায় তোমরা তাড়াহুড়া কর। যদি ভালো হয় তাহলে উত্তমকে তোমরা যথাস্থানে পেশ করলে আর যদি খারাপ হয় তখন অকল্যাণকে তোমরা তোমাদের গাড় - দায়িত্ব থেকে সরালে।”⁷¹
তবে যদি জানাযা হুবহু ঐ তিন মুহূর্তে উপস্থিত হয় তাহলে জানাযা ও দাফনে কিছু সময় অপেক্ষা করবে।
উকবা ইবন আমের রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের কারণে। তিনি বলেন, “ثلاث ساعات كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهانا أن نصلي فيهن أو أن نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل الشمس وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب “তিন সময়ে সালাত আদায় করতে এবং মৃতদের কবরস্ত করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন। যখন সূর্য উদয় হয় যতক্ষণ পর্যন্ত সূর্য উপরে না উঠে। ঠিক দুপুরের সময় যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ে এবং যখন সূর্য ডুবে।”⁷²
এ তিনটি সময় খুবই অল্প সময়। এ তিন সময়ে জানাযার সালাত ও দাফন-কাফন সামান্য সময় দেরি করাতে কোন অসুবিধা নেই। এ সব বিষয়ে যাবতীয় হিকমাত ও প্রজ্ঞা কেবল আল্লাহরই। তিনিই পরম দয়ালু এবং আহকামুল হাকেমীন। আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ.

টিকাঃ
⁷¹ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩১৫
⁷² সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৩১

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় বিষয়ক হাদীস

📄 প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় বিষয়ক হাদীস


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: “প্রথম ওয়াক্তের সালাত আদায় করা” এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী أَسْفِرُوا بِالْفَجْرِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلْأَجْرِهِ “তোমরা ফজরের সালাত আদায়ে দেরি কর কারণ, তা তোমাদের জন্য সাওয়াবে মহান।”⁷³
প্রশ্ন: ফজরের সালাতকে আকাশ হলুদ হওয়া পর্যন্ত দেরি করতে অনেককে দেখা যায়। তারা বলে যে, হাদীসে এসেছে-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, أَسْفِرُوا بِالْفَجْرِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلْأَجْرِ "তোমরা ফজরের সালাত আদায়ে দেরি কর, কারণ, তা তোমাদের জন্য সাওয়াবে মহান।” হাদীসটি বিশুদ্ধ কিনা? এ হাদীস এবং অপর হাদীস- الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا "প্রথম ওয়াক্তের মধ্যে সালাত আদায় করা।"⁷⁴ এর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি কীভাবে?
উল্লিখিত হাদীসটি বিশুদ্ধ। ইমান আহমদ রহ, এবং সুনানে গ্রন্থকারগণ তাদের স্বীয় সুনানে হাদীসটি রাফে' ইবনে খুদাইজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বিশুদ্ধ সনদে উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত অন্ধকারে আদায় করেছেন বলে বর্ণিত বিশুদ্ধ হাদীসসমূহের সাথে এ হাদীসের কোন বিরোধ নেই এবং "প্রথম ওয়াক্তের মধ্যে সালাত আদায় করার হাদীসের সাথেও কোন বিরোধ নেই। জামহুরে উলামাদের মতে এ হাদীসের অর্থ হলো, ফজরের সালাতকে ফজর স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত দেরি করা। তারপর অন্ধকার দূর হওয়ার আগে তা আদায় করা। যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফা ছাড়া অন্য সব জায়গায় নিজেই এরূপ করতেন। কারণ, মুযদালিফাতে উত্তম হলো, ফজর উদয় হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত ফজরের সালাত আদায় করা। কারণ, রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজে এমনই করেছেন। এ দ্বারা ফজরের সালাত আদায়ের সময় বিষয়ক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত সমস্ত বিশুদ্ধ হাদীসসমূহের মধ্যে সামঞ্জস্যতা সাধন করা সম্ভব। আর এখানে সালাত আদায়ের উত্তম সময়ই আলোচ্য বিষয়। অন্যথায় ফজরের সালাতকে সূর্য উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা বৈধ। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "ফজরের ওয়াক্ত ফজর উদয় হওয়া থেকে নিয়ে সূর্য উদয়ের আগ পর্যন্ত।” হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ইমাম মুসলিম স্বীয় কিতাব সহীহ মুসলিমে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা। শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ.

টিকাঃ
⁷³ আহমদ, হাদীস নং ১৭২৮৬
⁷⁴ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫২৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00