📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 জামিরাতুল আরবে অপরাধ সংঘটিত হওয়া বিষয়ক হাদীস

📄 জামিরাতুল আরবে অপরাধ সংঘটিত হওয়া বিষয়ক হাদীস


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী- اَنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ يَئِسَ أَنْ يُّعْبَدَ فِى جَزِيرَةِ الْعَرَبِ “জাযীরাতুল আরবে শয়তান হতাশ, তার ইবাদত করা থেকে।”⁶³ রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী- لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءِ دَوْسٍ عَلَى ذِى الْخَلَصَةِ দাউস সম্প্রদায়ের নারীদের নিতম্বের দোলন সংঘটিত হওয়া ছাড়া কিয়ামত হবে না।"⁶⁴
প্রশ্ন: শাইখ রহ, কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী- لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءِ دَوْسٍ عَلَى ذِى الْخَلَصَةِ দাউস সম্প্রদায়ের নারীদের নিতম্বের دোলন সংঘটিত হওয়া ছাড়া কিয়ামত হবে না"। অনুরূপভাবে শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওহাব রহ, আত্মপ্রকাশ কালে আরবে অবস্থা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী— “জাযীরাতুল আরবে শয়তান হতাশ, তার ইবাদত করা থেকে” উভয় হাদীসের বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো।
উত্তর: তিনি এ বলে উত্তর দেন যে, উভয় হাদীসের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি এভাবে— “জাযীরাতুল আরবে শয়তান তার ইবাদত করা থেকে হতাশ” এ হাদীস এ কথা প্রমাণ করে না যে, এখানে কোন অপরাধ সংঘটিত হবে না। কারণ, শয়তানতো গাইব জানে না। শয়তান যখন আরব ভূ-খণ্ডকে শির্ক মুক্ত এবং তাওহীদের ঝাণ্ডা প্রতিস্থাপন দেখতে পেল, তখন সে ধারণা করল যে, এর পর হয়তো আর এখানে তার শয়তানী চলবে না। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত অহীর দ্বারা কথা বলেন। ফলে তিনি জানেন যে, এখানে তা সংঘটিত হবে।
শাইখ আব্দুল ওহাব রহ, আত্মপ্রকাশ এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কারণ, এ হতে পারে যে, তখন আলেমদের সংখ্যা ছিল কম। জাহালাত ও বাতিলের প্রভাবের কারণে তারা মানুষকে সংশোধন করতে এবং সমাজকে কু-সংস্কার মুক্ত করতে ব্যর্থ হন। আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.

টিকাঃ
⁶³ মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৭১৪০
⁶⁴ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭১১৬

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির অধিকারী

📄 কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির অধিকারী


কিয়ামতের দিন মুশরিক সমস্ত মানুষের তুলনায় কঠিন শাস্তির অধিকার হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ "কিয়ামতের দিন সবচেয়ে সর্বাধিক কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।”
প্রশ্ন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللَّهِ "কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।"⁶⁵ এর মধ্যে এবং কিয়ামতের দিন মুশরিক সমস্ত মানুষের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন শাস্তির অধিকার হবে” উভয়ের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তি কীভাবে?
উত্তর: শাইখ রহ, এ বলে উত্তর দেন যে, উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির একাধিক কারণ রয়েছে।
এক-হাদীসটিতে من শব্দটি উহ্য রয়েছে। অর্থাৎ যাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হবে তাদের মধ্যে একজন হলো, যে আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে। অর্থাৎ হাদীসটির অর্থ যেখানে উহ্য নেই তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করা হবে।
দুই- একজনকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়ার অর্থ এ নয় যে, আর কাউকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেয়া যাবে না। বরং সর্বাধিক কঠিন শাস্তি একের অধিককেও দেয়া যে পারে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, ﴿أَدْخِلُوا ءَالَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ الْعَذَابِ﴾ (সেদিন ঘোষণা করা হবে), 'ফির'আউনের অনুসারীদেরকে কঠোরতম আযাবে প্রবেশ করাও।' [সূরা গাফের, আয়াত: ৪৬] সুতরাং সর্বাধিক কঠিন শাস্তিতে একাধিক অংশীদার হওয়াতে কোন বিরোধ থাকে না।
তবে এখানে একটি প্রশ্ন থাকে তা হলো, চিত্রাঙ্কনকারী একজন বড় গুনাহ-কারী মাত্র সে কীভাবে একজন কাফির হঠকারীর সমান হতে পারে?
তিন-সর্বাধিক কঠিন শাস্তি এ কথাটি আপেক্ষিক ও তুলনামূলক। অর্থাৎ যাদের অপরাধ বা অন্যায় কুফর পর্যন্ত পৌঁছেনি তাদের মধ্যে চিত্রাঙ্কনকারীর শাস্তি অন্যদের তুলনায় সর্বাধিক কঠিন হবে। সমগ্র মানুষের তুলনায় নয়। এ উত্তরটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও কাছাকাছি। আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ,

টিকাঃ
⁶⁵ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৫৪

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 গণক ও যাদু করের নিকট আসা

📄 গণক ও যাদু করের নিকট আসা


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - من أتى عرافا فسأله عن شيء لم تقبل له صلاة أربعين ليلة “চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী - من أتى كاهنا أو عرافا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمد صلى الله عليه وسلم সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করল।"
প্রশ্ন: من أتى عرافا فسأله عن شيء لم تقبل له صلاة أربعين ليلة "যে ব্যক্তি কোন গণকের নিকট এসে তাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, তার চল্লিশ দিনের
সালাত কবুল করা হবে না।"⁶⁶ অনুরূপ হাদীস- مَنْ أَتَى كَاهِنًا أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم গণকের কাছে আসল, এবং তার কথায় বিশ্বাস করল, সে মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর যা নাযিল হয়েছে তার প্রতি কুফরী করল।"⁶⁷ বিশ্বাস মানুষের সাথে স্থায়ী হয় নাকি ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ এখন জিজ্ঞাসা করল কিছুসময় মানল, পরে আর তা মানল না। নাকি স্থায়ী হওয়া অর্থ এই যে, তাকে কেউ জিজ্ঞাসা করল এবং সে তাকে পথ দেখালও এমন....? উত্তর: প্রথম হাদীসের শব্দে 'তাকে বিশ্বাস করল' কথাটি নেই। তাতে রয়েছে- مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةُ أَرْبَعِينَ لَيْلَة নিকট এসে তাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না" এখানে বিশ্বাস করা নেই। আর দ্বিতীয় হাদীসে বিশ্বাস করা কথাটি রয়েছে। এ ব্যক্তি কাফের হওয়ার কারণ, তার অন্তরে এ বিশ্বাস জন্মে যে, গণক বা জ্যোতিষী সত্যবাদী, তার কথা গাইবী কথা ও ভবিষ্যতবাণী। আর এগুলো সবই অর্ন্তভুক্ত করে আল্লাহর বাণীর প্রতি কুফরী করাকে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, قُلْ لَا يَعْلَمُ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ "বলুন, আসমানসমূহ ও জমিনের গাইব আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।” প্রথম অবস্থায় বিশ্বাস করাই যথেষ্ট। তার অর্থ এ নয় যে, বাস্তবের সাথে ঘটনা মিলে কিনা সে পর্যন্ত অপেক্ষ করতে হবে। যদি মিলে বিশ্বাস করবে আর যদি না মিলে বিশ্বাস করবে না। যদি কোন ব্যক্তি এরকম অপেক্ষা করে এবং বলে আমি দেখব যে, গণক যা বলেছে সত্য হয় কিনা? এ ব্যক্তি বাস্তবে তাকে বিশ্বাস করল না। তবে গণকের কাছে গমনের কারণে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। বিশ্বাস বলা হয়, তার কথার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখা ও তাকে সত্য বলে জানা এবং এ কথা বিশ্বাস করা যে, তার কথার বাস্তবায়ন হবেই। আর যদি এ কথা বলে, আমি দেখব লোকটি সত্যবাদী কিনা মিথ্যাবাদী— একে বিশ্বাস বলে না এবং লোকটি গণককে বিশ্বাস করছে এ কথা বলা যাবে না। অনুরূপভাবে কেউ যদি গণক ও জ্যোতিষীর কাছে তার মিথ্যুক হওয়া প্রমাণ করার জন্য আসে এবং কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে তাতে কোন গুনাহ হবে না। কারণ, ইবন সাইয়‍্যাদ যে গাইব জানে বলে দাবি করছিল তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পূর্ণ গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, اخْسَأْ، فَلَنْ« »تَعْدُوَ قَدْرَكَ .. “চুপ থাক, তুমি গণক ছাড়া আর কিছুই নয় এবং অহীর মাধ্যমে গাইবী বিষয় জানা পর্যন্ত কখনোই পৌছবে না।"⁶⁸ আল্লাহ তা'আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.

টিকাঃ
⁶⁶ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৩০
⁶⁷ মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৯৫৩২
⁶⁸ সহীহ বুখারী হাদীন নং ১৩৫৪

📘 কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব > 📄 সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ সম্পর্কে মুসলিমদের অবস্থানের ব্যাখ্যা

📄 সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত বিবাদ সম্পর্কে মুসলিমদের অবস্থানের ব্যাখ্যা


সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত হতাহত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী- إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ بِسَيْفَيْهِمَا فَالْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ “যখন দুইজন মুসলিম একে অপরকে তরবারি দ্বারা হত্যা করে, হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে”-এর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি।
প্রশ্ন: আমি একটি মাদরাসার ইতিহাসের শিক্ষক। মাধ্যমিকের প্রথম ক্লাসে আমি সিফ্ফীন ও জামাল দুই যুদ্ধের ইতিহাস পড়ানোর সময় ছাত্রদের থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হই। তারা বলে কীভাবে সাহাবীগণ পরস্পর একে অপরকে হত্যা করল? তারা রাসূলের হাদীস— إِذَا الْتَقَى الْمُسْلِمَانِ بِسَيْفَيْهِمَا فَالْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ “যখন দুইজন মুসলিম একে অপরকে তরবারি দ্বারা হত্যা করে,⁶⁹ হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে।" তুলে ধরে। এ অবস্থায় আমাদের অবস্থান কি হবে?।
উত্তর: সাহাবীগণের মধ্যে সংঘটিত হতাহতের বিষয়ে আমাদের অবস্থান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতেরই অবস্থান। আর তা হলো আমরা এ বিষয়ে এ কথাই বলব যে, আল্লাহ তা'আলা আমাদের তলোয়ারকে তা থেকে বিরত রেখেছেন আমারাও তাদের বিষয়ে মুখ খোল থেকে বিরত থাকব। এ বিষয়ে একজন কবি বলেন,
সাহাবীগণ সবাই মুজতাহিদ। মুতাজাহিদ হলেই সব বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত সঠিক হবে এমন কোন কথা নেই। মানুষ অনেক সময় ইজতিহাদে ভুল করে। তাদের থেকে যে বিবাদ সংঘটিত হয়েছে নিঃসন্দেহে বলা যায় তা তাদের ইজতিহাদের ভুলের কারণেই সংঘটিত হয়েছে। তারা অবশ্যই ক্ষমা প্রাপ্ত। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ "যখন কোন বিচারক সঠিক রায় প্রদানের জন্য চেষ্টা করে তারপর সে সঠিক রায় প্রদান করে তখন তার জন্য দ্বিগুণ সাওয়া মিলবে। আর যদি কোন বিচারক সঠিক ফায়সালা দেওয়ার উদ্দেশ্যে চেষ্টা করে কিন্তু রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে সে ভুলও করে তারপরও সে একগুণ সাওয়াব পাবে।"⁷⁰
ছাত্রদের থেকে যখন এ প্রশ্ন আসে যে এ ধরনের ঘটনা কীভাবে সাহাবীগণের থেকে সংঘটিত হয়? তখন তার উত্তর হলো-আমাদের ওপর ওয়াজিব হলো,
আমরা আমাদের জবানকে এ থেকে বিরত রাখবো এবং কোন প্রশ্ন তুলবো না। আর আমরা এ কথা বলব, তারা প্রত্যেকেই মুজতাহিদ। যার ইজতিহাদ সঠিক ছিল তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব আর যার ইজতিহাদ সঠিক ছিল না সে এক গুণ সাওয়াব পাবে। আল্লাহ তা'আলাই ভালো জানেন।
শাইখ মুহাম্মদ বিন উসাইমীন রহ.

টিকাঃ
⁶⁹ বুখারী হাদীস নং 31
⁷⁰ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৩৫২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00