📄 নবীদের পাঠানো হয়েছে শিক্ষা দানের জন্যে
كَمَا أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولًا مِنْكُمْ يَتْلُوا عَلَيْكُمْ أَيْتِنَا وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُمْ مَا لَمْ تَكُونُوا تَعْلَمُونَ - (البقرة : (١٥١)
"যেমন আমি তোমাদের থেকেই তোমাদের কাছে একজন রসূল পাঠিয়েছি। সে তোমাদেরকে আমার আয়াত পড়ে শুনায়, তোমাদের জীবনকে পরিশুদ্ধ ও বিকশিত করে তোলে, তোমাদের আল কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেয় আর তোমরা যা কিছু জানোনা, সেগুলো তোমাদের শিক্ষা দেয়।" [সূরা আল বাকারা : ১৫১]
وَقُرْآنَا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَى مَكْثٍ وَنَزَّلْنَاهُ تَنْزِيلاً (اسراء : ١٠٦)
"এই কুরআনকে আমরা অল্প অল্প করে অবতীর্ণ করেছি যেনো বিরতি দিয়ে দিয়ে তুমি তা লোকদের পড়ে শুনাও। আর আমি এটা পর্যায়ক্রমে নাযিল করেছি।” [সূরা বনি ইসরাইল : ১০৬]
فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُمْ مِنِّي هُدًى فَمَنْ تَبِعَ هُدَايَ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ (البقرة : (٣٨)
"অতপর যখন আমার পক্ষ থেকে তোমদের কাছে হিদায়াত [অর্থাৎ নবী ও কিতাব] আসবে, তখন যারা আমার নবী ও কিতাবকে অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় ও দুঃখ বেদনা থাকবেনা।" [সূরা আল বাকারা : ৩৮]
নবীদেরকেই মানবতার প্রকৃত শিক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। আর তাদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে মানুষের জন্য প্রকৃত কল্যাণের শিক্ষা। নবীগণ সারা জীবন মানুষকে তাদের ইহ ও পরকালীন কল্যাণের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাই আদর্শ শিক্ষক ছিলেন নবীগণ আর আদর্শ শিক্ষা ছিলো তাঁদের শিক্ষা। তাঁদের শিক্ষার বাস্তব রূপ হলো আল কুরআন।
📄 জ্ঞান ও জ্ঞানীর মর্যাদা
يَرْفَعُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ-(المجادلة : (۱۱) “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদেরকে সুউচ্চ মর্যাদা দান করবেন।” [সূরা মুজাদালা: ১১]
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لا يَعْلَمُونَ-(الزمر : (۹) “ওদের জিজ্ঞেস করো, যারা জানে আর যারা জানেনা এই উভয় ধরনের লোক কি সমান হতে পারে?” [সূরা যুমার: ৯]
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ-(فاطر : ۲۸) “আল্লাহর বান্দাহদের মধ্যে কেবল জ্ঞান সম্পন্ন লোকেরাই তাঁকে ভয় করে।” [সূরা ফাতির: ২৮]
وَأُولُوا الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ (ال عمران : (۱۸) “এবং সুবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানী লোকেরাও এই সাক্ষ্যই দেয় যে মহাপরাক্রমশালী বিজ্ঞানময় আল্লাহ্ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই।" [সূরা আলে ইমরান: ১৮]
قَالَ الَّذِي عِنْدَهُ عِلْمُ مِنَ الْكِتَابِ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَنْ يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ-(النمل : ٤٠) “কিতাবের জ্ঞান ছিলো এমন এক ব্যক্তি বললো, আমি আপনার চোখের পলকের মধ্যেই ওটি এনে দিচ্ছি।” [সূরা আন নামল: ৪০]
وَقَالَ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ وَيْلَكُمْ ثَوَابَ اللَّهِ خَيْرٌ لِمَنْ أَمَنَ وَعَمِلَ صَالِحاً-(القصص : ۸۰)
"কিন্তু জ্ঞানের অধিকারী লোকেরা বলল: তোমাদের অবস্থার জন্যে দুঃখ হয়! যে ব্যক্তি ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে, তার জন্যে তো আল্লাহর পুরস্কারই উত্তম।" [সূরা আল কাসাস : ৮০]
📄 জ্ঞান ও সাক্ষরতা অর্জনের নির্দেশ
قُل رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا - (طه : ١١٤) "বলো: প্রভু! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও।" [সূরা তোয়াহা: ১১৪]
اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ - (العلق : ١) "পড়, তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।" [সূরা আল আলাক: ১]
فَاقْرَأُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ - (المزمل : ۲۰) "যতোটা কুরআন সহজে পাঠ করতে পারো, পাঠ করো।" [মুজ্জাম্মিলঃ ২০]
وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا - (المزمل : ٤) "আল কুরআন পাঠ করো তরতিলের সাথে।" [সূরা মুজ্জাম্মিল: ৪]
فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ (النمل : ٩٨) "যখন কুরআন পাঠ করবে, তখন অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করে পাঠ শুরু করবে।" [সূরা আন নামল: ৯৮]
فَاسْتَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ (النحل "তোমরা যদি না জানো, তবে জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।" [সূরা আন নহল: ৪৩]
📄 শিক্ষার উদ্দেশ্য
فَلَوْلَا نَفَرَ مِنْ كُلِّ فِرْقَةٍ مِنْهُمْ طَائِفَةً لِيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ "তাদের অধিবাসীদের প্রত্যেক অংশ থেকেই যেনো কিছু লোক দীনের জ্ঞান লাভের জন্যে বেরিয়ে পড়ে, অতপর ফিরে গিয়ে যেনো নিজ নিজ এলাকার লোকদেরকে সতর্ক করে, যাতে করে তারা ইসলাম বিরোধী কাজ থেকে] বিরত থাকতে পারে।" [সূরা আত তাওবা: ১২২]
مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُؤْتِيَهُ اللَّهُ الكِتَابَ وَالْحُكْمَ وَالنُّبُوَّةَ
ثُمَّ يَقُولُ لِلنَّاسِ كُونُوا عِبَادًا لِي مِنْ دُونِ اللَّهِ وَلَكِنْ كُونُوا رَبَّانِيِّينَ - (ال عمران : ۷۹)
“কোনো মানুষের এ অধিকার নেই যে, আল্লাহ তাকে কিতাব, জ্ঞান এবং নবুয়্যত দান করবেন আর এগুলো লাভ করে সে মানুষকে বলবে: তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে আমার দাস হয়ে যাও। বরং সেতো বলবে: তোমরা আল্লাহর দাস হয়ে যাও।” [সূরা আলে ইমরান: ৭৯]
فَوَجَدَا عَبْدًا مِنْ عِبَادِنَا آتَيْنَهُ رَحْمَةً مِنْ عِنْدِنَا وَعَلَّمْنَاهُ مِنْ لَدُنَّا عِلْمًا - قَالَ لَهُ مُوسَى : هَلْ أَتَّبِعُكَ عَلَى أَنْ تُعَلِّمَنِ مِمَّا عُلِّمْتَ رُشْدًا - (الكهف : ٦٦-٦٥)
“সেখানে তারা আমার এমন এক দাসকে পেলো, যাকে আমি আপন রহমতে ধন্য করেছি আর নিজের পক্ষ থেকে বিশেষ জ্ঞান দান করেছি। মূসা তাকে বললো: আমি কি আপনার সংগে থাকতে পারি, যাতে করে আপনাকে যে সত্যের জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়েছে আপনি তা থেকে আমাকে শিক্ষা দেন?” [সূরা আল কাহাফ: ৬৫-৬৬]
فَاعْلَمْ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا الله (محمد : (۱۹)
“এই জ্ঞান লাভ করো যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই।” [সূরা মুহাম্মদ: ১৯]
وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ - (البقرة : ٢٠٣)
“এই জ্ঞান লাভ করো যে, তোমাদেরকে অবশ্যি আল্লাহর নিকট একত্রিত করা হবে।” [সূরা আল বাকারা: ২০৩]
وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ مُلْقُوهُ - (البقرة : (۲۲۳)
“জেনে নাও যে, তোমরা অবশ্যি আল্লাহর সাথে মিলিত হবে।” [সূরা বাকারা: ২২৩]
وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ - (البقرة : (۲۳۳)
"এই জ্ঞানার্জন করো যে, তোমরা যা করো আল্লাহ্ অবশ্যি তার প্রতি দৃষ্টি রাখেন।" [সূরা বাকারা: ২৩৩]
وَاعْلَمُوا أَنَّمَا أَوْلَادُكُمْ وَأَمْوَالُكُمْ فِتْنَةٌ وَأَنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ (الانفال : ۲۸)
"এই জ্ঞান লাভ করো যে, তোমাদের সন্তান ও সম্পদ পরিক্ষার বস্তু আর আল্লাহ্র কাছে রয়েছে অবশ্যি বড় পুরস্কার।" [সূরা আনকাল: ২৮]
فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ مَوْلَاكُمْ نِعْمَ الْمَوْلَى وَنِعْمَ النَّصِيرُ
"জেনে নাও যে, কেবল আল্লাহ্ই তোমাদের অভিভাবক। উত্তম অভিভাবক তিনি আর উত্তম সাহায্যকারী।" [সূরা আনফালঃ ৪০]
فَاعْلَمُوا أَنَّمَا الْحَيَوةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهُو وَزِينَةٌ وَتَفَاخُرُ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرُ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ ..... وَفِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَمَغْفِرَةٌ مِنَ اللَّهِ وَرِضْوَانٌ - الحديد : (٢٠
"এই জ্ঞানার্জন করো যে, দুনিয়ার জীবনটা একটা খেল তামাশা ও চাকচিক্য মাত্র আর পরস্পরে গৌরব করা এবং সম্পদ ও সন্তানের দিক দিয়ে একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা মাত্র।....... বিপরীত পক্ষে রয়েছে পরকাল। সেখানে আছে কঠিন আযাব আর আছে আল্লাহ্ ক্ষমা ও সন্তোষ।" [সূরা আল হাদীদ : ২০]
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ (فاطر : ۲۸)
"আল্লাহ্র দাসদের মধ্যে জ্ঞানীরা তাঁকে ভয় করে।" [সূরা ফাতির: ২৮]
وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ أَمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِنْ عِنْدِ رَبِّنَا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ
هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يُخْلِفُ الميعاد - (ال عمران : (۹-۷)
"জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী লোকেরা বলে: আমরা এ কিতাবের প্রতি ঈমান এনেছি। এর সবটুকুই আমাদের প্রভুর নিকট থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। শিক্ষাতো কেবল বুদ্ধিমান লোকেরাই গ্রহণ করে। তারা প্রার্থনা করে : প্রভু! তুমিই যখন আমাদের সঠিক পথে এনে দিয়েছো, তখন তুমি আমাদের মনে কোনো প্রকার কুটিলতা আর বক্রতা সৃষ্টি করে দিওনা। তোমার রহমতের ভান্ডার থেকে আমাদের দান করো। কারণ প্রকৃত দাতা তো তুমিই। আমাদের প্রভু। নিশ্চয়ই তুমি একদিন সমস্ত মানুষকে একত্রিত করবে, যে দিনের আগমনে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ কখনো ভঙ্গ করেননা অংগীকার।” [সূরা আলে ইমরান: ৭-৯]
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ (الجمعة : (٢)
"তিনি নিরক্ষরদের নিকট তাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল পাঠিয়েছেন, যে তাদেরকে আল্লাহ্র আয়াত শুনায়, তাদের জীবনকে পরিশুদ্ধ বিকশিত করে আর তাদেরকে আল কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেয়।" [সূরা আল জুময়া: ২]
'হিকমাহ' মানে-জ্ঞানবিজ্ঞান, কর্মকৌশল, কর্মপ্রক্রিয়া, প্রযুক্তি, প্রজ্ঞা ইত্যাদি।
لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَانْزَلْنَا مَعَهُمُ الْكِتَابَ وَالْمِيزَانَ لِيَقُومَ النَّاسُ بِالْقِسْطِ (الحديد : ٢٥)
"আমি আমার রসূলদেরকে সুস্পষ্ট নিদর্শনাদি দিয়ে পাঠিয়েছি। সেই সাথে তাঁদের কাছে অবতীর্ণ করেছি কিতাব এবং মানদন্ড, যাতে করে মানুষ সুবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।" [আল হাদীদ: ২৫]
وَقَالَ الَّذِينَ أُوتُوا العِلْمَ وَيْلَكُمْ ثَوَابُ اللَّهِ خَيْرٌ لِمَنْ آمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا - (القصص : ۸۰)
"কিন্তু জ্ঞানবান লোকেরা বললো: তোমাদের জন্যে দুঃখ হয়, ঈমানদার ও সৎকর্মশীলদের জন্যে তো আল্লাহ্ পুরস্কারই উত্তম।" [সূরা কাসাস : ৮০]
আল কুরআনে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা এখানে যে আয়াতগুলো উল্লেখ করলাম, সেগুলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য হলো:
১. মানুষকে তার স্রষ্টা তথা মহান আল্লাহ্র দাস হিসেবে তৈরি করা।
২. দীন তথা আল্লাহ প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞান ও উপলব্ধি हासिल করা।
৩. সত্যকে জানা ও সঠিক পথের সন্ধান লাভ করা।
৪. তাওহীদের জ্ঞানার্জন করা।
৫. পরকালকে জানা এবং পরকালে আল্লাহ্র কাছে জবাবদিহি করা সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
৬. দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ এবং আল্লাহ্ পুরস্কারের আকাংখী হওয়া।
৭. আল্লাহকে অভিভাবক বানাবার যোগ্যতা অর্জন।
৮. আল্লাহ্ ক্ষমা ও সন্তুষ্টি অর্জনকে জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা।
৯. আল্লাহ্র ভয় অর্জন।
১০. সঠিক পথের সন্ধান লাভ করা।
১১. আল কুরআনের মর্ম উপলব্ধি।
১২. কর্মকৌশল ও কর্মদক্ষতা লাভ করা।
১৩. মানসিক, আত্মিক ও নৈতিক উৎকর্ষতা লাভ।
১৪. মানব সমাজকে সুবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত করবার যোগ্যতা অর্জন।
১৫. ঈমানের ভিত্তিতে সৎকর্ম অনুশীলনের যোগ্যতা অর্জন এবং এরি মাধ্যমে আল্লাহর পুরস্কার লাভের যোগ্য হওয়া।
১৬. সূরা আল বাকারার ২৪৭ নম্বর আয়াতে শারীরিক যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা লাভের যোগ্যতা অর্জনের কথাও বলা হয়েছে।
১৭. একই আয়াতে মানসিক ও শারীরিক যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভের যোগ্যতা অর্জনের কথাও বলা হয়েছে।