📘 কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত 📄 যে ব্যাপারে সুপারিশ করা বৈধ নয়

📄 যে ব্যাপারে সুপারিশ করা বৈধ নয়


৯২. 'উরওয়া থেকে বর্ণিত, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহu 'আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: أن قريشا أهمهم شأن المرأة المخزومية التي سرقت, فقالوا: ومن يكلم فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ؟ فقالوا: ومن يجترئ عليه إلا أسامة ابن زيد حب رسول الله صلى الله عليه وسلم, فكلمه أسامة, فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أتشفع في حد من حدود الله »। ثم قام فاختطب ثم قال: « إنما أهلك الذين قبلكم أنهم كانوا إذا سرق فيهم الشريف تركوه, وإذا سرق فيهم الضعيف أقاموا عليه الحد, وايم الله لو أن فاطمة بنت محمد سرقت لقطعت يدها»।

"মাখযোমী গোত্রের একজন মহিলা চুরি করলে (তার প্রতি হদ প্রয়োগের ব্যাপারে) কুরাইশগণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। তাঁরা বলল, কে এই ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে কথা বলতে (সুপারিশ করতে) পারে? তখন তাঁরা বললেন, এ ব্যাপারে উসামা রাদিয়াল্লাহu 'আনহু ব্যতীত আর কারও সাহস নেই। তিনি হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহu 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় ব্যক্তি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তিনি এ ব্যাপারে কথোপকথন করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহu 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হদ্দের (শাস্তির) ব্যাপারে সুপারিশ করতে চাও? অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন: 'হে লোকসকল! নিশ্চয় তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণ ধ্বংস হয়েছে এই কারণে যে, তাদের মধ্যে যখন কোনো সম্ভ্রান্ত লোক চুরি করত, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যদি কোনো দুর্বল লোক চুরি করত, তবে তারা তার ওপর শাস্তি প্রয়োগ করত। আল্লাহর কসম! যদি মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমাও চুরি করত, তবে নিশ্চয় আমি তার হাত কেটে দিতাম।"

৯৩. ইয়াহইয়া ইবন রাশেদ রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা আবদুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহu 'আনহু'র অপেক্ষায় বসেছিলাম, অতঃপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আসলেন এবং বসলেন, তারপর বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: مَنْ حَالَتْ شَفَاعَتُهُ دُونَ حَدَّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ فَقَدْ ضَادَّ اللَّهَ وَمَنْ خَاصَمَ فِي بَاطِلٍ وَهُوَ يَعْلَمُهُ لَمْ يَزَلْ فِي سَخَطِ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ عَنْهُ, وَمَنْ قَالَ فِي مُؤْمِنٍ مَا لَيْسَ فِيهِ أَسْكَنَهُ اللَّهُ رَدْغَةَ الْخَبَالِ حَتَّى يَخْرُجَ مِمَّا قَالَ»।

“যে ব্যক্তির সুপারিশ আল্লাহ তা'আলার নির্ধারিত হদ্দ বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সে আল্লাহর বিরোধিতা করে, আর যে ব্যক্তি জেনে বুঝে বাতিলের পক্ষে বিতর্ক করে, সে আল্লাহর অসন্তুষ্টির মধ্যে থাকবে, যতক্ষণ না সে তা থেকে বিরত থাকে, আর যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ব্যাপারে এমন কথা বলে যা তার মধ্যে নেই, সেই ব্যক্তিকে আল্লাহ ধ্বংসের কাদা-পানিতে বসবাস করাবেন, যতক্ষণ না সে তার বলা কথা প্রত্যাহার করবে।"

৯৪. হিশাম ইবন 'উরওয়া থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «شفع الزبير في سارق، فقيل: حتى يبلغه الإمام، فقال: إذا بلغ الإمام فلعن الله الشافع والمشفع كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم»।

“যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু 'আনহু চোরের ব্যাপারে সুপারিশ করলেন, তখন তাঁকে বলা হলো, সুপারিশ করতে পারবে বিষয়টি ইমামের নিকট পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত। অতঃপর তিনি বললেন: যখন ইমামের নিকট (বিষয়টি) পৌঁছাবে, তখন (সুপারিশ করলে) আল্লাহ তা'আলা সুপারিশকারী ও যার জন্য সুপারিশ করা হয় উভয়ের প্রতি লা'নত (অভিশাপ বর্ষণ) করেন, যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।"

৯৫. 'উরওয়া ইবন যোবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা যুবায়ের ইবনুল 'আওয়াম রাদিয়াল্লাহu 'আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: اشفعوا في الحدود ما لم تبلغ السلطان فإذا بلغت السلطان فلا تشفعوا»।

“তোমরা শরী'আত নির্ধারিত শাস্তির ব্যাপারে ততক্ষণ পর্যন্ত সুপারিশ কর, যতক্ষণ পর্যন্ত না বিষয়টি বিচারক বা শাসকের দরবারে না পৌঁছায়। সুতরাং যখন বিষয়টি শাসক বা বিচারকের দরবারে পৌঁছাবে, তখন তোমরা আর সেই ব্যাপারে সুপারিশ করবে না।

টিকাঃ
১৫৪. সহীহ বুখারী (৬/৫১৩); সহীহ মুসলিম (৩/১৩১৫)।
১৫৫. আবূ দাউদ (৪/২৩); আহমদ (২/৭০); হাকেম (২/২৭); বায়হাকী (৮/২৩২); হাকেম বলেন, সনদটি বিশুদ্ধ এবং তাকে ইমাম যাহাবী স্বীকৃতি দিয়েছেন।
১৫৬. দারাকুতনী (৩/২০৫); হাইছামী, আল-মাজমা' (৬/২৫৯); তাবারানী, 'আল-কাবীর' ও 'আল-আওসাত' এবং তাতে আবু গুযাইয়া নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছে, যাকে আবূ হাতেম ও অন্যান্যরা দুর্বল বলেছেন।
১৫৭. বায়হাকী (৮/৩৩৩), আর তার সনদের বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য।

📘 কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত 📄 ফায়দা ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

📄 ফায়দা ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা


* নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম কার জন্য সর্বপ্রথম সুপারিশ করবেন, তা বর্ণনায় কোনো সহীহ হাদীস বর্ণিত নেই; তবে ইবন উমার রাদিয়াল্লাহu 'আনহুমা বর্ণিত হাদীসটি মউদু' তথা বানোয়াট, তার শব্দ হলো, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: أول من أشفع له يوم القيامة من أمتي أهل بيتي ثم الأقرب فالأقرب من قريش ثم الأنصار ثم من آمن بي واتبعني من أهل اليمن ثم من سائر العرب ثم الأعاجم ومن أشفع له أولا أفضل»। "কিয়ামতের দিনে আমার উম্মতের মধ্যে সর্বপ্রথম আমি যার জন্য সুপারিশ করব, তারা হলো আমার পরিবার-পরিজন, অতঃপর কুরাইশ বংশের পরপর নিকটাত্মীয়গণ, অতঃপর আনসারগণ, অতঃপর ইয়ামানের অধিবাসীগণের মধ্যে যে ব্যক্তি আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং আমাকে অনুসরণ করেছে, অতঃপর সকল আরববাসীর মধ্য থেকে (যে ব্যক্তি আমার প্রতি ঈমান এনেছে এবং আমাকে অনুসরণ করেছে), অতঃপর অনারবগণ, আর সর্বপ্রথম আমি যার জন্য সুপারিশ করব, সে উত্তম।

* আর অপর এক বর্ণনায় এসেছে: «أول من أشفع له أهل المدينة وأهل مكة وأهل الطائف» “আমি প্রথম যার জন্য সুপারিশ করব, তারা হলো মদীনাবাসী, মক্কাবাসী ও তায়েফবাসী। হাদীসটি ইমাম বুখারী রহ. বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটি এমন, যা দুর্বল ও অপরিচিত বর্ণনাকারীদের দ্বারা বর্ণিত হাদীসসমূহের অন্তর্ভুক্ত।

* বর্ণিত আছে: «من سقى الناس شربة من ماء، أو قضى حاجة للناس، فإنهم يشفعون له»। “যে ব্যক্তি মানুষকে পানি পান করাবে অথবা মানুষের কোনো প্রয়োজন পূরণ করবে, তারা তার জন্য সুপারিশ করবে। -হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইবন আবিদ দুনিয়া; কিন্তু হাদীসটি দুর্বল।

* বর্ণিত আছে: ওসমান ইবন ‘আফফান রহ. রবী‘আ ও ‘মুদার’ গোত্রের সমপরিমাণ লোকের ব্যাপারে সুপারিশ করবেন, কিন্তু হাদীসটি হাসান আল-বসরীর মুরসাল বর্ণনাসমূহের একটি।

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «من خرج حاجاً يُرِيد وَجهَ الله ، فَقَد غَفَرَ الله لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِن ذَنَبِهِ وَمَا تَأَخَّر، وَشَفَعَ فِيمَن دَعَا لَه»। “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে হাজ্জ পালনকারী অবস্থায় বের হবে, আল্লাহ তার পূর্বের ও পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন, আর সে ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে সুপারিশ করবে, যে তার জন্য দো'আ করবে।”

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «ما من معمر يعمر في الإسلام.... فإذا بلغ التسعين غفر الله له ما تقدم من ذنবে وما تأخر, وسمي أسير الله في أرضه وشفع لأهل بيته»। “যে কোনো বয়স্ক ব্যক্তি, যে ইসলামের মধ্যে থেকে দীর্ঘজীবী হয়... সুতরাং যখন সে নব্বই বছর বয়সে উপনীত হবে, তখন আল্লাহ তার পূর্বের ও পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন, আর আল্লাহর যমীনে সে 'আল্লাহর বন্দী' নামে খ্যাতি লাভ করবে এবং সে তার পরিবার- পরিজনের জন্য সুপারিশ করবে।”

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «إن من فتح عسقلان يبعث الله منها خمسين ألف شهيد يشفع الرجل منهم في مثل ربيعة و مضر»। "যে ব্যক্তি 'আসকালান জয় করবে, আল্লাহ তা'আলা সেখান থেকে পঞ্চাশ হাজার শহীদ প্রেরণ করবেন, তাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি 'রবী'য়া' ও 'মুদার' গোত্রের সমপরিমাণ লোকের ব্যাপারে সুপারিশ করবে।"

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয় যে, 'সিলা' নামের এক ব্যক্তির সুপারিশে এই পরিমাণ এই পরিমাণ লোক জানাতে প্রবেশ করবে।

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «أنا شفيع لكل رجلين اتخيا في الله من مبعثي إلى يوم القيامة»। "আমি এমন প্রত্যেক দুই ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করব, যারা আল্লাহর উদ্দেশ্য একে অপরের ভাই হয়েছে।"

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «من أحيا بين الصلاتين غفر له, ও শفع له ملكا»। "যে ব্যক্তি দুই সালাতের মধ্যস্থিত সময় জীবিত রাখবে (ইবাদতের মাধ্যমে), তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং তার জন্য তার ফিরিশতাদ্বয় সুপারিশ করবে।”

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: «ثلاثة أنا شفيع لهم يوم القيامة: الضارب بسيفه أمام ذريتي، والقاضي لهم حوائجهم عندما اضطروا إليه، والمحب لهم بقلبه ولسانه»। কিয়ামতের দিনে আমি তিন ব্যক্তির জন্য সুপারিশকারী হব: তারা হলো: (১) আমার বংশধরের সামনে (তাদেরকে রক্ষার উদ্দেশ্য) নিজ তরবারী নিয়ে অবস্থানকারী ব্যক্তি। (২) তাদের প্রয়োজনসমূহ পূরণকারী ব্যক্তি, যখন তারা তার নিকট বাধ্য হয়। (৩) অন্তর দিয়ে ও মুখের ভাষায় তাদের প্রতি ভালোবাসা পোষণকারী ব্যক্তি।

* হাদীসসমষ্টি: من حفظ على أمتي أربعين حديثا في السنة كنت له شفيعا يوم القيامة»। “যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য সুন্নাহ প্রসঙ্গে চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে, তাহলে কিয়ামতের দিনে আমি তার জন্য সুপারিশকারী হব। এই হাদীসটি বহু সনদে বর্ণিত হয়েছে, যার মধ্যে কোনোটিই শুদ্ধ নয়।

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: من غش العرب لم يدخل في شفاعتي ولم تنله مودتي “যে ব্যক্তি আরবদেরকে প্রতারিত করে, সেই ব্যক্তি আমার শাফা'আতের অন্তর্ভুক্ত হবে না এবং সে আমার ভালোবাসা লাভ করবে না।”

* মাওকুফ হিসেবে সহীহ: مَنْ كَذَبَ بِالشَّفَاعَةِ فَلَيْسَ لَهُ فِيهَا نَصِيبٌ»। “যে ব্যক্তি শাফা'আতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, সেই ব্যক্তি জন্য তাতে কোনো অংশ নেই।” সুতরাং এসব মূর্খদের সাবধান হওয়া উচিত, যারা শাফা'আতের হাদীসসমূহকে 'আহাদ' হাদীস বলে দলীল দিয়ে অস্বীকার করে।

* এই হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহu 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত নয় যে, তিনি বলেছেন: «يشفع يوم القيامة ثلاثة الأنبياء, ثم العلماء, ثم الشهداء»। "কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর মানুষ সুপারিশ করবেন: নবীগণ, অতঃপর আলেমগণ, অতঃপর শহীদগণ।”

* এই হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: يبعث الله العالم والعابد ، فيقال للعابد : ادخل الجنة ويقال للعالم : اشفع للناس كما أحسنت أدبهم»। "আল্লাহ আলেম ও ইবাদতকারী ব্যক্তিকে পুনরুত্থিত করবেন। অতঃপর 'আবেদ তথা ইবাদতকারী ব্যক্তিকে বলা হবে: তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর, আর আলেমকে বলা হবে: তুমি মানুষের জন্য সুপারিশ কর, যেমনিভাবে তুমি তাদের আদব-কায়দাকে সুন্দর করেছ।”

* হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: من طاف بالبيت شفع في سبعين من أهل بيته»। “যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করবে, সেই ব্যক্তিকে তার পরিবার- পরিজন থেকে সত্তর জনের ব্যাপারে সুপারিশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।”

* হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়: « إذا كان عشية عرفة... ও إني قد شفعت محسنهم في مسيئه »। "যখন আরাফার দিনের সন্ধ্যা হবে... আর আমি তাদের সৎকর্মশীলদেরকে তাদের গুনাহগারদের ব্যাপারে সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করে নেব।

প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকল প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার জন্য নিবেদিত, যিনি গ্রন্থটি লিপিবদ্ধ করাটাকে সহজ করে দিয়েছেন, তাঁর জন্য রয়েছে সার্বক্ষণিক প্রশংসা।

وسبحানك اللهم وبحمدك نشهد أن لا إله إلا أنت نستغفرك ونتوب إليك.
(হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, আপনার জন্য প্রশংসা, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো হক্ক ইলাহ নেই, আমরা আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আমরা আপনার নিকট তাওবা করি)

টিকাঃ
১৫৮. দেখুন: জামে'উ বয়ানিল 'ইলম ওয়া ফাদলুহু, পৃ. ৫২; কাযী 'আইয়ায, আল-আলমা'উ, পৃ. ২৩; ইরাকীর তাখরীজসহ 'ইহইয়াউ 'উলুমিদ দীন [১/১৫]; ইবনুল জাওযী, আল-'ইলালুল المتناهية) (১) [العلل]।
১৫৯. দেখুন: হাফেয ইবন হাজার 'আসকালানী, 'লিসানুল মীযান' (لسان الميزان)
১৬০. দেখুন: হাফেয ইবন হাজার 'আসকালানী, 'লিসানুল মীযান' (لسান الميزان)
১৬১. তার সনদে মুগীরা ইবন কায়েস নামে এক বর্ণনাকারী রয়েছে, যার ব্যাপারে আবু হাতেম বলেন, সে মুনকার হাদীস বর্ণনাকারী।
১৬২. দেখুন: ইবনুল জাওযী, 'আল-মাউযু'আত' ( الموضوعات ) [২/২১৬]।

ফন্ট সাইজ
15px
17px