📄 নারী নিজেকে বিয়ের জন্য পেশ করতে পারে
عَنْ هِশَামٍ (رضى) عَنْ أَبِيهِ قَالَ কَانَتْ خَوْلَةٌ বِنْتُ حَকِيمٍ مِنَ الْآতِي وَহেবْنَ أَنْফুসেহুনَّ লِلনَّবِيِّ ﷺ ফেক্বালাত আ’ইশা আমা তাসতাহয়িল মার’আতু আন তাহাবা নাফসাহা লিররাজুলি ফলাম্মা নাজালাত তুরুজী মান তাশাউ মিনহুন্না কুলতু ইয়া রাসূলাল্লাহ মা আরা রাব্বাকা ইল্লা ইউসারিউ ফি হাওয়াকা।
হিশাম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাওলা বিনতে হাকীম (রা) ঐ মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা নিজেদেরকে নবী কারীম ﷺ-এর সামনে বিয়ের জন্য হেবা করেছিলেন। আয়েশা (রা) বলেন, পুরুষের কাছে নিজেকে হেবা করতে কোন মহিলার কি লজ্জা হয় না? যখন কুরআনের আয়াত "তুরজী মানে তাশাউ মিনহুন্না" অবতীর্ণ হলো, তখন আয়েশা (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখতে পাচ্ছি যে, আপনার রব আপনাকে খুশী করার জন্য আপনার মর্জি মাফিক (বিধান অবতীর্ণ করার ক্ষেত্রে) তাড়াতাড়ি করেছেন।
عَنْ هিশাম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাওলা বিনতে হাকীম (রা) ঐ মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা নিজেদেরকে নবী কারীম -এর সামনে বিয়ের জন্য হেবা করেছিলেন। আয়েশা (রা) বলেন, পুরুষের কাছে নিজেকে হেবা করতে কোন মহিলার কি লজ্জা হয় না? যখন কুরআনের আয়াত "তুরজী মানে তাশাউ মিনহুন্না" অবতীর্ণ হলো, তখন আয়েশা (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখতে পাচ্ছি যে, আপনার রব আপনাকে খুশী করার জন্য আপনার মর্জি মাফিক (বিধান অবতীর্ণ করার ক্ষেত্রে) তাড়াতাড়ি করেছেন। (বুখারী)
📄 স্ত্রীদেরকে প্রহার করা ঘৃণিত কাজ
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا يَجْلِدُ أَحَدُكُمْ إِمْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ ثُمَّ يُجَامِعُهَا فِي آخِرِ الْيَوْمِ .
আবদুল্লাহ ইবনে যাময়া (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, তোমাদের কেউ যেন নিজ স্ত্রীকে দাসদের মত প্রহার না করে, অত:পর দিনের শেষে তার সাথে সংগমে লিপ্ত হয় (এটা শোভনীয় নয়)।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا يَجْلِدُ أَحَدُكُمْ إِمْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ ثُمَّ يُجَامِعُهَا فِي آخِرِ الْيَوْমِ .
আবদুল্লাহ ইবনে যাময়া (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, তোমাদের কেউ যেন নিজ স্ত্রীকে দাসদের মত প্রহার না করে, অত:পর দিনের শেষে তার সাথে সংগমে লিপ্ত হয় (এটা শোভনীয় নয়)। (বুখারী)
📄 সদ্যজাত শিশুর প্রতি কর্তব্য
عَنْ أَبِي رَافِعٍ (رضى) قَالَ رَفَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَذْنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ (رضى) بِالصَّلاةِ .
আবু রাফে (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলে কারীম কে আলী ইবনে আবু তালিব (রা) পুত্র হাসান-এর কানে সালাতের আযান দিতে দেখেছি, যখন ফাতিমা (রা) তাঁকে প্রসব করেছিলেন।
ব্যাখ্যা: সন্তান প্রসব হওয়ার পরই তার প্রতি নিকটাত্মীয়দের কর্তব্য কি, তা এ হাদীসটি হতে আগত হওয়া যায়। এতে বলা হয়েছে, ফাতিমা (রা) যখন হাসান (রা)-কে প্রসব করেন ঠিক তখনই নবী কারীম তাঁর দুই কানে আযানের ধ্বনি উচ্চারণ করেছিলেন। এই আযান পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের আযানেরই মত ছিল, তা থেকে ভিন্নতর কিছু ছিল না। এ থেকে সদ্যজাত শিশুর কানে এরূপ আযান দেয়া সুন্নত বলে প্রমাণিত হচ্ছে। এটি ইসলামী সংস্কৃতিরও একটি জরুরি কাজ। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী মানব শিশু যাতে তওহীদবাদী ও আল্লাহর অনন্যতায় বিশ্বাসী ও দ্বীন-ইসলামের প্রকৃত অনুসারী হয়ে গড়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম আল-জাওজিয়া বলেছেন- ‘সদ্যজাত শিশুর কানে সর্বপ্রথম আল্লাহর তাকবীর-নিরংকুশ শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা, আল্লাহ ছাড়া কেউ ইলাহ বা মা'বুদ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল- এই উদাত্ত সাক্ষ্য ও ঘোষণার ধ্বনি সর্বপ্রথম যেন ধ্বনিত হতে পারে, সে উদ্দেশ্যেই এই ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।
عَنْ أَبِي رَافِعٍ (رضى) قَالَ رَفَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَذْنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ (رضى) بِالصَّلاةِ .
আবু রাফে (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলে কারীম কে আলী ইবনে আবু তালিব (রা) পুত্র হাসান-এর কানে সালাতের আযান দিতে দেখেছি, যখন ফাতিমা (রা) তাঁকে প্রসব করেছিলেন। (তিরমিযী ও আবু দাউদ)
ব্যাখ্যা: সন্তান প্রসব হওয়ার পরই তার প্রতি নিকটাত্মীয়দের কর্তব্য কি, তা এ হাদীসটি হতে আগত হওয়া যায়। এতে বলা হয়েছে, ফাতিমা (রা) যখন হাসান (রা)-কে প্রসব করেন ঠিক তখনই নবী কারীম তাঁর দুই কানে আযানের ধ্বনি উচ্চারণ করেছিলেন। এই আযান পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের আযানেরই মত ছিল, তা থেকে ভিন্নতর কিছু ছিল না। এ থেকে সদ্যজাত শিশুর কানে এরূপ আযান দেয়া সুন্নত বলে প্রমাণিত হচ্ছে। ইসলামী সংস্কৃতিরও একটি জরুরি কাজ। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী মানব শিশু যাতে তওহীদবাদী ও আল্লাহর অনন্যতায় বিশ্বাসী ও দ্বীন-ইসলামের প্রকৃত অনুসারী হয়ে গড়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম আল-জাওজিয়া বলেছেন- ‘সদ্যজাত শিশুর কানে সর্বপ্রথম আল্লাহর তাকবীর-নিরংকুশ শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা, আল্লাহ ছাড়া কেউ ইলাহ বা মা'বুদ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল- এই উদাত্ত সাক্ষ্য ও ঘোষণার ধ্বনি সর্বপ্রথম যেন ধ্বনিত হতে পারে, সে উদ্দেশ্যেই এই ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।