📄 যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যা করা নিষেধ
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضٍ مَغَازِي رَسُولِ الله ﷺ مَقْتُولَةٌ فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَتْلَ النِّسَاءِ والصَّبْيَانِ .
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল-এর কোনো এক যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যায় ঘৃণা ও অসম্মতি প্রকাশ করেছেন।
ব্যাখ্যা: যদি নারীরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে তখন সে নারীকে হত্যা করা জায়েয, অন্যথা সমস্ত আলেম একমত যে, ওদেরকে হত্যা করা হারাম। অথবা যে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তবে যুদ্ধ পরিচালনা করে কিংবা পরামর্শ দেয় তখন তাকে হত্যা করা জায়েয।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضٍ মַغَازِي رَسُولِ الله ﷺ মَقْتُولَةٌ فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَتْلَ النِّسَاءِ والصَّبْيَانِ .
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল-এর কোনো এক যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যায় ঘৃণা ও অসম্মতি প্রকাশ করেছেন। (মুসলিম)
ব্যাখ্যা: যদি নারীরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে তখন সে নারীকে হত্যা করা জায়েয, অন্যথা সমস্ত আলেম একমত যে, ওদেরকে হত্যা করা হারাম। অথবা যে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তবে যুদ্ধ পরিচালনা করে কিংবা পরামর্শ দেয় তখন তাকে হত্যা করা জায়েয।
📄 নারী নেতৃত্ব অকল্যাণকর
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ (رضى) قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللَّهُ بِكَلِمَةٍ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَيَّامَ الْجَمَلِ بَعْدَمَا كِدْتُ أَنَّ الْحَقِّ بِأَصْحَابِ الْجَمَلِ فَأُقَاتِلُ مَعَهُمْ قَالَ بَلَغَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ قَدَ مَلَكُوا عَلَيْهِمْ بِنْتَ كِسْرَى قَالَ لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ امْرَأَةً .
আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর কাছ থেকে আমি যে কথা শুনেছি, তা থেকে আল্লাহ আমাকে অনেক ফায়দা দান করেছেন। অর্থাৎ জামাল যুদ্ধের সময়, আমি মনে করতাম যে, হক জামাল ওয়ালাদের অর্থাৎ আয়েশা (রা)-এর পক্ষে রয়েছে। কাজেই আমি তাঁর পক্ষ অবলম্বন করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল রাসূলুল্লাহ এর সেই কথা, যা তিনি বলেছিলেন কিসরার কন্যার সিংহাসনে আরোহণের খবর শুনে। তিনি বলেছিলেন, সে জাতি কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না, যে তার (রাষ্ট্রীয়) গুরুদায়িত্ব কোনো মহিলার হাতে সোপর্দ করে।
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ (رضى) قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللَّهُ بِكَلِمَةٍ سَمِعْتُهَا মִنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَيَّامَ الْجَمَلِ بَعْدَمَا كِدْتُ أَنَّ الْحَقِّ بِأَصْحَابِ الْجَمَلِ فَأُقَاتِلُ মَعَهُمْ قَالَ بَلَغَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ قَدَ মَلَكُوا عَلَيْهِمْ بِنْتَ كِسْرَى قَالَ لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ امْرَأَةً .
আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর কাছ থেকে আমি যে কথা শুনেছি, তা থেকে আল্লাহ আমাকে অনেক ফায়দা দান করেছেন। অর্থাৎ জামাল যুদ্ধের সময়, আমি মনে করতাম যে, হক জামাল ওয়ালাদের অর্থাৎ আয়েশা (রা)-এর পক্ষে রয়েছে। কাজেই আমি তাঁর পক্ষ অবলম্বন করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল রাসূলুল্লাহ এর সেই কথা, যা তিনি বলেছিলেন কিসরার কন্যার সিংহাসনে আরোহণের খবর শুনে। তিনি বলেছিলেন, সে জাতি কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না, যে তার (রাষ্ট্রীয়) গুরুদায়িত্ব কোনো মহিলার হাতে সোপর্দ করে। (বুখারী)
📄 চুরির অপরাধে পুরুষ-মহিলার হাত কর্তন
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رَبِّعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম বলেছেন, দীনারের (স্বর্ণমুদ্রা) এক-চতুর্থাংশ মূল্য পরিমাণ চুরির দায়ে হাত কাটা যাবে।
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رَبِّعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম বলেছেন, দীনারের (স্বর্ণমুদ্রা) এক-চতুর্থাংশ মূল্য পরিমাণ চুরির দায়ে হাত কাটা যাবে। (বুখারী)
📄 শুধু ঘরের ভেতরে নয়, প্রয়োজনে ঘরের বাইরেও মহিলাদের কর্মের অনুমতি
عنْ جَابِرٍ (رضى) قَالَ طُلِقَتْ خَالَتِي ثَلَاثًا فَخَرَجَتْ تَجُدُ نَخْلاً لَهَا فَلَقِيَهَا رَجُلٌ فَنَهَاهَا فَأَنَتِ النَّبِيِّ ﷺ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فقَالَ لَهَا أُخْرُجِي فَجُدِى نَخْلَكِ لَعَلَكِ أَنْ تَصَدِّقِي مِنْهُ أَوْ تَفْعَلِي خَيْرًا .
জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা তিন তালাক প্রাপ্ত হলেন। অতঃপর তিনি খেজুর গাছ কাটার জন্য বেরিয়ে পড়লেন। তখন এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ ঘটলে সে তাকে এ কাজ করতে বারণ করলো। তারপর মহিলাটি রাসূল -এর কাছে এসে এ ব্যাপারটি (কাজটি) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে রাসূল তাকে বললেন, তুমি বাইরের বাগানে যাও এবং নিজের খেজুর গাছ কাট (আর বিক্রি কর)। এই টাকা দিয়ে সম্ভবত তুমি দান-খয়রাত অথবা জীবিকা নির্বাহের মতো কোন ভাল কাজ করতে পারবে।
عنْ جَابِرٍ (رضى) قَالَ طُلِقَتْ خَالَتِي ثَلَاثًا فَخَرَجَتْ تَجُدُ نَخْلاً لَهَا فَلَقِيَهَا رَجُلٌ فَنَهَاهَا فَأَنَتِ النَّبِيِّ ﷺ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فقَالَ لَهَا أُخْرُجِي فَجُدِى نَخْلَكِ لَعَلَكِ أَنْ تَصَدِّقِي মִنْهُ أَوْ تَفْعَلِي خَيْرًا .
জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা তিন তালাক প্রাপ্ত হলেন। অতঃপর তিনি খেজুর গাছ কাটার জন্য বেরিয়ে পড়লেন। তখন এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ ঘটলে সে তাকে এ কাজ করতে বারণ করলো। তারপর মহিলাটি রাসূল -এর কাছে এসে এ ব্যাপারটি (কাজটি) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে রাসূল তাকে বললেন, তুমি বাইরের বাগানে যাও এবং নিজের খেজুর গাছ কাট (আর বিক্রি কর)। এই টাকা দিয়ে সম্ভবত তুমি দান-খয়রাত অথবা জীবিকা নির্বাহের মতো কোন ভাল কাজ করতে পারবে। (আবু দাউদ)