📄 নৌযুদ্ধে মহিলাদের অংশগ্রহণ
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَنْصَارِيِّ (رضى) قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ دَخَلَ رَسُولُ اللهِ ﷺ عَلَى بِنْتِ مِلْحَانَ فَاتِّكَا عِنْدَهَا ثُمَّ ضَحِكَ فَقَالَتْ لِمَ تَضْحَকْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي يَرْكَبُونَ الْبَحْرَ الْأَخْضَرَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَثَلُهُمْ مَثَلُ الْمُلُوكِ عَلَى الْأَسِرَةِ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَدْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِى مِنْهُمْ قَالَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا مِنْهُمْ ثُمَّ عَادَ فَضَحِكَ فَقَالَتْ لَهُ مَثْلَ أَوْ مِمَّا ذَلِكَ فَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ فَقَالَتْ أَدْعُ اللهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ قَالَ أَنْتِ مِنَ الْأَوَّلِينَ وَلَسْتِ مِنَ الْآخِرِينَ قَالَ قَالَ أَنَسٌ فَتَزَوجَتْ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ فَرَكِبَتِ الْبَحْرَ مَعَ بِنْتِ فَرَظَةً فَلَمَّا قَفَلَتْ رَكِبَتْ دَابَّتَهَا فَوَقَصَتْ بِهَا فَسَقَطَتْ عَنْهَا فَمَاتَتْ .
আব্দুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (উম্মে হারাম) বিনতে মিলহানের কাছে গমন করলেন এবং সেখানে তিনি বালিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। তারপর (জাগ্রত হয়ে) হাসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার হাসির কারণ কি? তিনি জবাব দিলেন, (আমি দেখতে পেলাম) আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক লোক আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) সবুজ সমুদ্রে (ভূমধ্য সাগর) (জাহাজে) আরোহণ করবে। তাদের দৃশ্য যেন সিংহাসনে অধিষ্ঠিত বাদশাহ্ মতো। তিনি (বিনতে মিলহান) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য দোয়া করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তুমি তাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত কর। তিনি পুনরায় ঘুমালেন এবং (জাগ্রত হয়ে) হাসলেন। তিনি (বিনতে মিলহান) আবার তাঁকে আগের মতো হাসির কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তিনি আগের মতোই জবাব দিলেন। তিনি বললেন, আপনি দোয়া করুন যেন আল্লাহ আমাকেও তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন, তুমি পরবর্তী দলে না হয়ে বরং সর্বপ্রথম দলেরই অন্তর্ভূক্ত থাকবে। আনাস (রা) বলেছেন, অতঃপর তিনি উবাদাহ ইবনে সামেত (রা)-এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং কারাযার কন্যার সাথে (নৌযুদ্ধে) সমুদ্র যাত্রা করেন। অতঃপর ফিরে এসে যখন তিনি তাঁর (জন্য আনীত) সওয়ারীতে আরোহণ করেন, জন্তুটি তাঁকে ফেলে দিলে তাঁর ঘাড় মটকে যায় এবং ইন্তেকাল করেন।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَنْصَارِيِّ (رضى) قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ دَخَلَ رَسُولُ اللهِ ﷺ عَلَى بِنْتِ মِلْحَانَ فَاتِّكَا عِنْدَهَا ثُمَّ ضَحِكَ فَقَالَتْ لِمَ تَضْحَকْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ نَাসٌ মِّنْ أُمَّتِي يَرْكَبُونَ الْبَحْرَ الْأَখ্ضَرَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ মַثَلُهُمْ মַثَلُ الْمُلُوكِ عَلَى الْأَسِرَةِ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَدْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِى মִনْهُمْ قَالَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا মִনْهُمْ ثُمَّ عَادَ فَضَحِكَ فَقَالَتْ لَهُ মַثَلَ أَوْ মִমَّا ذَلِكَ فَقَالَ لَهُ মִثْلَ ذَلِكَ فَقَالَتْ أَدْعُ اللهَ أَنْ يَجْعَلَنِي মִনْهُمْ قَالَ أَنْتِ মִنَ الْأَوَّلِينَ وَلَسْتِ মִنَ الْآخِرِينَ قَالَ قَالَ أَنَسٌ فَتَزَوجَتْ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ فَرَكِبَتِ الْبَحْرَ মَعَ بِنْتِ فَرَظَةً فَلَمَّا قَفَلَتْ رَكِبَتْ دَابَّتَهَا فَوَقَصَتْ بِهَا فَسَقَطَتْ عَنْهَا فَمَاتَتْ .
আব্দুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (উম্মে হারাম) বিনতে মিলহানের কাছে গমন করলেন এবং সেখানে তিনি বালিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। তারপর (জাগ্রত হয়ে) হাসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার হাসির কারণ কি? তিনি জবাব দিলেন, (আমি দেখতে পেলাম) আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক লোক আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) সবুজ সমুদ্রে (ভূমধ্য সাগর) (জাহাজে) আরোহণ করবে। তাদের দৃশ্য যেন সিংহাসনে অধিষ্ঠিত বাদশাহ্ মতো।
তিনি (বিনতে মিলহান) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য দোয়া করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তুমি তাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত কর। তিনি পুনরায় ঘুমালেন এবং (জাগ্রত হয়ে) হাসলেন। তিনি (বিনতে মিলহান) আবার তাঁকে আগের মতো হাসির কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তিনি আগের মতোই জবাব দিলেন। তিনি বললেন, আপনি দোয়া করুন যেন আল্লাহ আমাকেও তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন, তুমি পরবর্তী দলে না হয়ে বরং সর্বপ্রথম দলেরই অন্তর্ভূক্ত থাকবে।
আনাস (রা) বলেছেন, অতঃপর তিনি উবাদাহ ইবনে সামেত (রা)-এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং কারাযার কন্যার সাথে (নৌযুদ্ধে) সমুদ্র যাত্রা করেন। অতঃপর ফিরে এসে যখন তিনি তাঁর (জন্য আনীত) সওয়ারীতে আরোহণ করেন, জন্তুটি তাঁকে ফেলে দিলে তাঁর ঘাড় মটকে যায় এবং ইন্তেকাল করেন। (বুখারী)
📄 যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যা করা নিষেধ
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضٍ مَغَازِي رَسُولِ الله ﷺ مَقْتُولَةٌ فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَتْلَ النِّسَاءِ والصَّبْيَانِ .
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল-এর কোনো এক যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যায় ঘৃণা ও অসম্মতি প্রকাশ করেছেন।
ব্যাখ্যা: যদি নারীরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে তখন সে নারীকে হত্যা করা জায়েয, অন্যথা সমস্ত আলেম একমত যে, ওদেরকে হত্যা করা হারাম। অথবা যে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তবে যুদ্ধ পরিচালনা করে কিংবা পরামর্শ দেয় তখন তাকে হত্যা করা জায়েয।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضٍ মַغَازِي رَسُولِ الله ﷺ মَقْتُولَةٌ فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَتْلَ النِّسَاءِ والصَّبْيَانِ .
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল-এর কোনো এক যুদ্ধে একজন নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যায় ঘৃণা ও অসম্মতি প্রকাশ করেছেন। (মুসলিম)
ব্যাখ্যা: যদি নারীরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে তখন সে নারীকে হত্যা করা জায়েয, অন্যথা সমস্ত আলেম একমত যে, ওদেরকে হত্যা করা হারাম। অথবা যে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তবে যুদ্ধ পরিচালনা করে কিংবা পরামর্শ দেয় তখন তাকে হত্যা করা জায়েয।
📄 নারী নেতৃত্ব অকল্যাণকর
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ (رضى) قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللَّهُ بِكَلِمَةٍ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَيَّامَ الْجَمَلِ بَعْدَمَا كِدْتُ أَنَّ الْحَقِّ بِأَصْحَابِ الْجَمَلِ فَأُقَاتِلُ مَعَهُمْ قَالَ بَلَغَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ قَدَ مَلَكُوا عَلَيْهِمْ بِنْتَ كِسْرَى قَالَ لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ امْرَأَةً .
আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর কাছ থেকে আমি যে কথা শুনেছি, তা থেকে আল্লাহ আমাকে অনেক ফায়দা দান করেছেন। অর্থাৎ জামাল যুদ্ধের সময়, আমি মনে করতাম যে, হক জামাল ওয়ালাদের অর্থাৎ আয়েশা (রা)-এর পক্ষে রয়েছে। কাজেই আমি তাঁর পক্ষ অবলম্বন করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল রাসূলুল্লাহ এর সেই কথা, যা তিনি বলেছিলেন কিসরার কন্যার সিংহাসনে আরোহণের খবর শুনে। তিনি বলেছিলেন, সে জাতি কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না, যে তার (রাষ্ট্রীয়) গুরুদায়িত্ব কোনো মহিলার হাতে সোপর্দ করে।
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ (رضى) قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللَّهُ بِكَلِمَةٍ سَمِعْتُهَا মִنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَيَّامَ الْجَمَلِ بَعْدَمَا كِدْتُ أَنَّ الْحَقِّ بِأَصْحَابِ الْجَمَلِ فَأُقَاتِلُ মَعَهُمْ قَالَ بَلَغَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ قَدَ মَلَكُوا عَلَيْهِمْ بِنْتَ كِسْرَى قَالَ لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ امْرَأَةً .
আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর কাছ থেকে আমি যে কথা শুনেছি, তা থেকে আল্লাহ আমাকে অনেক ফায়দা দান করেছেন। অর্থাৎ জামাল যুদ্ধের সময়, আমি মনে করতাম যে, হক জামাল ওয়ালাদের অর্থাৎ আয়েশা (রা)-এর পক্ষে রয়েছে। কাজেই আমি তাঁর পক্ষ অবলম্বন করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল রাসূলুল্লাহ এর সেই কথা, যা তিনি বলেছিলেন কিসরার কন্যার সিংহাসনে আরোহণের খবর শুনে। তিনি বলেছিলেন, সে জাতি কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না, যে তার (রাষ্ট্রীয়) গুরুদায়িত্ব কোনো মহিলার হাতে সোপর্দ করে। (বুখারী)
📄 চুরির অপরাধে পুরুষ-মহিলার হাত কর্তন
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رَبِّعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম বলেছেন, দীনারের (স্বর্ণমুদ্রা) এক-চতুর্থাংশ মূল্য পরিমাণ চুরির দায়ে হাত কাটা যাবে।
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رَبِّعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম বলেছেন, দীনারের (স্বর্ণমুদ্রা) এক-চতুর্থাংশ মূল্য পরিমাণ চুরির দায়ে হাত কাটা যাবে। (বুখারী)