📄 দৃষ্টি পড়তে সাথে সাথে ফিরিয়ে নেবে
عَنْ جَرِيرٍ (رضى) قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنْ نَظْرِ الْفَجَاةِ فَقَالَ اصْرِفْ بَصَرَكَ .
জারীর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম-কে জিজ্ঞেস করলাম, হঠাৎ যদি কারো উপর নজর পড়ে যায়, তাহলে কি করব? উত্তরে তিনি বললেন, সত্ত্বর দৃষ্টিকে ফিরিয়ে নিবে।
عَنْ جَرِيرٍ (رضى) قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنْ نَظْرِ الْفَجَاةِ فَقَالَ اصْرِفْ بَصَرَكَ .
জারীর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম-কে জিজ্ঞেস করলাম, হঠাৎ যদি কারো উপর নজর পড়ে যায়, তাহলে কি করব? উত্তরে তিনি বললেন, সত্ত্বর দৃষ্টিকে ফিরিয়ে নিবে। (মুসলিম ও আবু দাউদ)
📄 প্রথম দৃষ্টি বা হঠাৎ দৃষ্টি গোনাহের নয়
عَنْ بُرَيْدَةَ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لِعَلِيٌّ يَا عَلِيُّ لَا تَتَّبِعِ النَّظَرَةَ النَّظَرَةَ فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَ لَكَ الْآخِرَةَ .
বুরায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম আলীকে (রা). বললেন, হে আলী! প্রথম দৃষ্টির পর দ্বিতীয়বার তাকাবে না। প্রথম দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে, কিন্তু দ্বিতীয়বার তাকালে তা ক্ষমার অযোগ্য।
عَنْ بُرَيْدَةَ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لِعَلِيٌّ يَا عَلِيُّ لَا تَتَّبِعِ النَّظَرَةَ النَّظَرَةَ فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَ لَكَ الْآخِرَةَ .
বুরায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম আলীকে (রা). বললেন, হে আলী! প্রথম দৃষ্টির পর দ্বিতীয়বার তাকাবে না। প্রথম দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে, কিন্তু দ্বিতীয়বার তাকালে তা ক্ষমার অযোগ্য। (আবু দাউদ)
📄 প্রত্যেক অঙ্গের যেনা
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَى ابْنِ آدَمَ حَظِّهُ مِنَ الزِّنَا أَدْرَكَ ذَلِكَ لَا مَحَالَةَ فَزِنَا الْعَيْنَيْنِ النظرُ وَزِنَا النِّسَانِ الْمَنْطِقُ وَالنَّفْسُ تَمَنَّى وَتَশْتَهِي وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ ذَلِكَ أَوْ يُكَذِّبُهُ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের একটি বিধান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, অবশ্যই সে অপরাধে দণ্ডিত হবে। তা হচ্ছে, চক্ষুদ্বয়ের যিনা (ব্যভিচার) কামনাপূর্ণ দৃষ্টি, মুখের যিনা অশ্লীল কথাবার্তা, মনের যিনা অবৈধ কামন-বাসনা। পরে লজ্জাস্থান সে বাসনানুযায়ী তা (ব্যভিচার) বাস্তবায়ন করে অথবা তা থেকে বিরত থাকে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَى ابْنِ آدَمَ حَظِّهُ مِنَ الزِّنَا أَدْرَكَ ذَلِكَ لَا মَحَالَةَ فَزِنَا الْعَيْنَيْنِ النظرُ وَزِنَا النِّسَانِ الْمَنْطِقُ وَالنَّفْسُ تَمَنَّى وَتَশْتَهِي وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ ذَلِكَ أَوْ يُكَذِّبُهُ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের একটি বিধান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, অবশ্যই সে অপরাধে দণ্ডিত হবে। তা হচ্ছে, চক্ষুদ্বয়ের যিনা (ব্যভিচার) কামনাপূর্ণ দৃষ্টি, মুখের যিনা অশ্লীল কথাবার্তা, মনের যিনা অবৈধ কামন-বাসনা। পরে লজ্জাস্থান সে বাসনানুযায়ী তা (ব্যভিচার) বাস্তবায়ন করে অথবা তা থেকে বিরত থাকে। (আবু দাউদ)
📄 নেকাব পরা বা মুখমন্ডল ঢেকে রাখার নির্দেশ
يَأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لَأَزْوَاجِكَ وَبَنْتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ، ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ .
হে নবী! আপনার স্ত্রী, কন্যা ও ঈমানদার মহিলাদের বলে দিন, তারা যেন তাদের চাদর দিয়ে নিজেদের উপর ঘোমটা টেনে দেয়। এতে তাদের পরিচয় পাওয়া যাবে এবং তারা উত্যক্ত হবে না।” (সূরা আহযাব : ৫৯)
يَأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لَأَزْوَاجِكَ وَبَنْتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ، ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ .
হে নবী! আপনার স্ত্রী, কন্যা ও ঈমানদার মহিলাদের বলে দিন, তারা যেন তাদের চাদর দিয়ে নিজেদের উপর ঘোমটা টেনে দেয়। এতে তাদের পরিচয় পাওয়া যাবে এবং তারা উত্যক্ত হবে না।” (সূরা আহযাব : ৫৯)