📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 সন্তান লালন-পালনে স্ত্রী স্বামীকে সাহায্য করা

📄 সন্তান লালন-পালনে স্ত্রী স্বামীকে সাহায্য করা


عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) قَالَ هَلَكَ أَبِي وَتَرَكَ سَبْعَ بَنَاتٍ أوْ تِسْعَ بَنَاتٍ فَتَزَوَّجْتُ امْرَأَةٌ نَيْبًا فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ تزوجت يَا جَابِرُ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقَالَ بِكْرًا أَوْ نَيِّبًا قُلْتُ بَلْ نَيِّبًا قَالَ فَهَلَا جَارِيَةٌ تُلاعِبُهَا وَتُلاعِبُكَ وَتُضَاحِكُهَا وَتُضَاحِكُكَ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ هَلَكَ وَتَرَكَ بَنَاتٍ فَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ اجِيْتَهُنَّ بِمِثْلِهِنَّ فَتَزَوَّجْتُ امْرَأَةٌ تَقُومُ عَلَيْهِنَّ وَتُصْلِحُهُنَّ فَقَالَ بَارَكَ اللَّهُ لَكَ أَوْ قَالَ خَيْرًا .

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা সাত অথবা ন'টি কন্যা সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করেন। অতঃপর আমি এক প্রাপ্তবয়স্কা মহিলাকে বিবাহ করি। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জাবের! তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কুমারী না প্রাপ্তবয়স্কা? আমি বললাম, প্রাপ্তবয়স্কা। তিনি বললেন, তুমি কেন কুমারী বিয়ে করলে না, যাতে তুমি তার সাথে এবং সে তোমার সাথে আমোদ-আহলাদ করতে পারতে। জাবের (রা) বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আবদুল্লাহ (রা) কয়েকটি কন্যা সন্তান রেখে মারা যান। আমি ওদেরই বয়সী কুমারী মেয়ে আনা পছন্দ করিনি। তাই আমি এক বয়স্কা মহিলাকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেছি, যেন সে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশোধনের দায়িত্ব পালন করতে পারে। তিনি বলেন, আল্লাহ তোমাকে বরকত দিন অথবা কল্যাণ দান করুন।

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) قَالَ هَلَكَ أَبِي وَتَرَكَ سَبْعَ بَنَاتٍ أوْ تِسْعَ بَنَاتٍ فَتَزَوَّجْتُ امْرَأَةٌ نَيْبًا فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ تزوجت يَا جَابِرُ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقَالَ بِكْرًا أَوْ نَيِّبًا قُلْتُ بَلْ نَيِّبًا قَالَ فَهَلَا جَارِيَةٌ تُلاعِبُهَا وَتُلاعِبُكَ وَتُضَاحِكُهَا وَتُضَاحِكُكَ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ هَلَكَ وَتَرَكَ بَنَاتٍ فَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ اجِيْتَهُنَّ بِמִثْلِهِنَّ فَتَزَوَّجْتُ امْرَأَةٌ تَقُومُ عَلَيْهِنَّ وَتُصْلِحُهُنَّ فَقَالَ بَارَكَ اللَّهُ لَكَ أَوْ قَالَ خَيْرًا .

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা সাত অথবা ন'টি কন্যা সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করেন। অতঃপর আমি এক প্রাপ্তবয়স্কা মহিলাকে বিবাহ করি। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জাবের! তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কুমারী না প্রাপ্তবয়স্কা? আমি বললাম, প্রাপ্তবয়স্কা। তিনি বললেন, তুমি কেন কুমারী বিয়ে করলে না, যাতে তুমি তার সাথে এবং সে তোমার সাথে আমোদ-আহলাদ করতে পারতে। জাবের (রা) বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আবদুল্লাহ (রা) কয়েকটি কন্যা সন্তান রেখে মারা যান। আমি ওদেরই বয়সী কুমারী মেয়ে আনা পছন্দ করিনি। তাই আমি এক বয়স্কা মহিলাকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেছি, যেন সে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশোধনের দায়িত্ব পালন করতে পারে। তিনি বলেন, আল্লাহ তোমাকে বরকত দিন অথবা কল্যাণ দান করুন। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্বামীর সন্তান লালন-পালন সওয়াবের কাজ

📄 স্বামীর সন্তান লালন-পালন সওয়াবের কাজ


عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لِي مِنْ أَجْرِفِي بَنِي أَبِي سَلَمَةَ أَنْ أَنْفِقَ عَلَيْهِمْ وَلَسْتُ بِنَارِكَتِهِمْ هُكَذَا وَهُكَذَا إِنَّمَا هُمْ بَنِي قَالَ نَعَمْ لَكِ أَجْرُمَا أَنْفَقْتِ عَلَيْهِمْ .

উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আবু সালামার সন্তানদের ভরণ-পোষণ করাতে আমার কি সওয়াব হবে? আমি তাদেরকে এভাবে এ অবস্থায় (দরিদ্র) ছেড়ে দিতে পারছি না। এরা আমরাই সন্তান। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তাদের জন্য যা ব্যয় করছ, তার সওয়াব তুমি পাবে।

عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لِي مِنْ أَجْرِفِي بَنِي أَبِي سَلَمَةَ أَنْ أَنْفِقَ عَلَيْهِمْ وَلَسْتُ بِنَارِكَتِهِمْ هُكَذَا وَهُكَذَا إِنَّمَا هُمْ بَنِي قَالَ نَعَمْ لَكِ أَجْرُمَا أَنْفَقْتِ عَلَيْهِمْ .

উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আবু সালামার সন্তানদের ভরণ-পোষণ করাতে আমার কি সওয়াব হবে? আমি তাদেরকে এভাবে এ অবস্থায় (দরিদ্র) ছেড়ে দিতে পারছি না। এরা আমরাই সন্তান। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তাদের জন্য যা ব্যয় করছ, তার সওয়াব তুমি পাবে। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 সদ্যজাত শিশুর উত্তরাধিকার স্বত্ব ও শিশু মৃত্যুর জানাযায়

📄 সদ্যজাত শিশুর উত্তরাধিকার স্বত্ব ও শিশু মৃত্যুর জানাযায়


عَنْ جَابِرٍ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ صَلَّى عَلَيْهِ وَوَرِثَ .

জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সদ্যজাত শিশু চিৎকার দিলে তার (জানাযার) নামায পড়তে হবে এবং সে ওয়ারিস হবে।

عَنْ جَابِرٍ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ صَلَّى عَلَيْهِ وَوَرِثَ .

জাবের (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সদ্যজাত শিশু চিৎকার দিলে তার (জানাযার) নামায পড়তে হবে এবং সে ওয়ারিস হবে। (ইবনে মাজাহ)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 অনুমতি চাইতে হবে সালামের মাধ্যমে

📄 অনুমতি চাইতে হবে সালামের মাধ্যমে


يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى نَسْتَانِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا ، ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ - فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا فِيهَا أَحَدًا فَلَا تَدْخُلُوهَا حَتَّى يُؤْذَنَ لَكُمْ وَإِنْ قِبْلَ لَكُمْ ارْجِعُوا فَارْজِعُوا هُوَ أَزْكَى لَكُمْ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ - لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ مَسْكُونَةٍ فِيهَا مَتَاعٌ لَّكُمْ ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ .

“হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের বসতঘর ব্যতীত অন্যের বসতঘরে অনুমতি না নিয়ে এবং তাদেরকে সালাম না দিয়ে প্রবেশ করবে না। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আশা করা যায় তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে। যদি তোমরা তাতে কাউকে না পাও তবে তাতে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হবে। আর যদি তোমাদেরকে বলা হয়, ফিরে যাও, তাহলে ফিরে যাবে। এটা তোমাদের জন্য পবিত্রতম ব্যাপার। তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ জ্ঞাত রয়েছেন। যেসব ঘরে কেউ বাস করে না, সেরূপ ঘরে তোমাদের জিনিস-পত্র থাকলে তাতে প্রবেশ তোমাদেরকে কোন গোনাহ হবে না। আর যা তোমরা প্রবেশ কর এবং যা গোপন কর আল্লাহ সবই জানেন।

يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْখُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى نَسْتَانِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا ، ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ - فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا فِيهَا أَحَدًا فَلَا تَدْখُلُوهَا حَتَّى يُؤْذَنَ لَكُمْ وَإِنْ قِبْلَ لَكُمْ ارْجِعُوا فَارْজِعُوا هُوَ أَزْكَى لَكُمْ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ - لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَدْখُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ মَسْكُونَةٍ فِيهَا মَتَاعٌ لَّكُمْ ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ .

“হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের বসতঘর ব্যতীত অন্যের বসতঘরে অনুমতি না নিয়ে এবং তাদেরকে সালাম না দিয়ে প্রবেশ করবে না। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আশা করা যায় তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে। যদি তোমরা তাতে কাউকে না পাও তবে তাতে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হবে। আর যদি তোমাদেরকে বলা হয়, ফিরে যাও, তাহলে ফিরে যাবে। এটা তোমাদের জন্য পবিত্রতম ব্যাপার। তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ জ্ঞাত রয়েছেন। যেসব ঘরে কেউ বাস করে না, সেরূপ ঘরে তোমাদের জিনিস-পত্র থাকলে তাতে প্রবেশ তোমাদেরকে কোন গোনাহ হবে না। আর যা তোমরা প্রবেশ কর এবং যা গোপন কর আল্লাহ সবই জানেন। (সূরা আন-নূর: ২৭-২৯)

ফন্ট সাইজ
15px
17px