📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 সন্তানকে অন্যের মুখাপেক্ষী না করে যাওয়া চাই

📄 সন্তানকে অন্যের মুখাপেক্ষী না করে যাওয়া চাই


عَنْ سَعْدٍ (رضى) قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَعُودُنِي وَأَنَا مَرِيض بِمَكَّةَ فَقُلْتُ لِى مَالٌ أُوصِي بِمَا لِى كُلِّهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَالশَّطْرُ قَالَ لَا قُلْتُ فَالثلث قَالَ الثلث وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ أَنْ تَدَعَ وَرَثَعَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ মِّنْ أَنْ تَدَعَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ فِي أَيْدِيهِمْ وَمَهُمَا أَنْفَقْتَ فَهُوَ لَكَ صَدَقَةٌ حَتَّى اللَّقْمَةَ تَرْفَعُهَا فِي فِي امرَأَتِكَ وَلَعَلَّ اللَّهُ يَرْفَعُكَ يَنْتَفِعُ بِكَ نَاسٌ وَيَضُرُّ بِكَ أَখَرُونَ .

সা'দ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কায় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে নবী আমাকে দেখতে আসেন। আমি তখন তাঁকে বললাম, আমার যে সম্পদ আছে; আমি কি সবটুকু সম্পদ ওসিয়াত করতে পারি? তিনি বলেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক মাল? তিনি বলেন, না। আমি আবার বললাম, এক-তৃতীয়াংশের জন্য? তিনি বলেন, এক-তৃতীয়াংশের ওসিয়াত করতে পার। তবে এটাও বেশি। প্রয়োজন পূরণের জন্য নিজের ওয়ারিসগণ অন্যের কাছে হাত পাততে বাধ্য হবে- এরূপ অবস্থায় তাদেরকে রেখে যাওয়ার পরিবর্তে ধনী অবস্থায় রেখে যাওয়া তোমার জন্য অনেক ভাল। তুমি তাদের জন্য যখনই যা কিছু খরচ কর, তা তোমার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে খাবারের যে গ্রাসটি তুলে দাও তাও সদকা হিসেবে গণ্য হবে। আল্লাহর তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। সম্ভবত তোমার দ্বারা এক শ্রেণীর লোক উপকৃত এবং আর এক শ্রেণীর লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

عَنْ سَعْدٍ (رضى) قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَعُودُنِي وَأَنَا মَرِيض بِমַকَّةَ فَقُلْتُ لِى মَالٌ أُوصِي بِমَا لِى كُلِّهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَالশَّটْرُ قَالَ لَا قُلْتُ فَالثلث قَالَ الثلث وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ أَنْ تَدَعَ وَرَثَعَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ মِّنْ أَنْ تَدَعَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ فِي أَيْدِيهِمْ وَমֶهুমَا أَنْفَقْتَ فَهُوَ لَكَ صَدَقَةٌ حَتَّى اللَّقْمَةَ تَرْفَعُهَا فِي فِي امرَأَتِكَ وَلَعَلَّ اللَّهُ يَرْفَعُكَ يَنْتَفِعُ بِكَ نَাসٌ وَيَضُرُّ بِكَ أَখَرُونَ .

সা'দ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কায় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে নবী আমাকে দেখতে আসেন। আমি তখন তাঁকে বললাম, আমার যে সম্পদ আছে; আমি কি সবটুকু সম্পদ ওসিয়াত করতে পারি? তিনি বলেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক মাল? তিনি বলেন, না। আমি আবার বললাম, এক-তৃতীয়াংশের জন্য? তিনি বলেন, এক-তৃতীয়াংশের ওসিয়াত করতে পার। তবে এটাও বেশি। প্রয়োজন পূরণের জন্য নিজের ওয়ারিসগণ অন্যের কাছে হাত পাততে বাধ্য হবে- এরূপ অবস্থায় তাদেরকে রেখে যাওয়ার পরিবর্তে ধনী অবস্থায় রেখে যাওয়া তোমার জন্য অনেক ভাল।

তুমি তাদের জন্য যখনই যা কিছু খরচ কর, তা তোমার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে খাবারের যে গ্রাসটি তুলে দাও তাও সদকা হিসেবে গণ্য হবে। আল্লাহর তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। সম্ভবত তোমার দ্বারা এক শ্রেণীর লোক উপকৃত এবং আর এক শ্রেণীর লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 পরিবারের জন্য এক বছরের খরচ সঞ্চয় রাখা

📄 পরিবারের জন্য এক বছরের খরচ সঞ্চয় রাখা


عَنْ عُمَرَ (رضى) أَنَّ النَّبِيَّ الله كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَيَحْبِسُ لِأَهْلِهِ قُوْتَ سَنَتِهِمْ .

উমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী নযীরের (বাগানের) খেজুর বিক্রি করে দিতেন এবং নিজ পরিবারের এক বছরর (পরিমাণ) খোরাক সঞ্চয় করে রাখতেন।

عَنْ عُمَرَ (رضى) أَنَّ النَّبِيَّ الله كَانَ يَبِيعُ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَيَحْبِسُ لِأَهْلِهِ قُوْتَ سَنَتِهِمْ .

উমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী নযীরের (বাগানের) খেজুর বিক্রি করে দিতেন এবং নিজ পরিবারের এক বছরর (পরিমাণ) খোরাক সঞ্চয় করে রাখতেন। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার সম্পদ থেকে সন্তানের জন্য ব্যয়

📄 স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার সম্পদ থেকে সন্তানের জন্য ব্যয়


عن عُرْوَةَ (رضى) أَنْ عَائِশَةَ قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مَسِيكَ فَهَلْ عَلَى حَرَجٌ أَنْ أَطْعِمَ مِنَ الَّذِي لَهُ عِبَالَنَا قَالَ لَا إِلَّا بِالْمَعْرُوفِ ..

উরওয়া (র) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রা) বলেন, হিন্দ বিনতে ওতবা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আবু সুফিয়ান কৃপণ লোক। আমি যদি তার মাল থেকে সন্তানদের খাবারের ব্যবস্থা করি তাহলে এতে কি আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেন, না, তবে ন্যায়সঙ্গতভাবে।

عن عُرْوَةَ (رضى) أَنْ عَائِশَةَ قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ মَسِيكَ فَهَلْ عَلَى حَرَجٌ أَنْ أَطْعِمَ مِنَ الَّذِي لَهُ عِبَالَنَا قَالَ لَا إِلَّا بِالْمَعْرُوفِ ..

উরওয়া (র) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রা) বলেন, হিন্দ বিনতে ওতবা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আবু সুফিয়ান কৃপণ লোক। আমি যদি তার মাল থেকে সন্তানদের খাবারের ব্যবস্থা করি তাহলে এতে কি আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেন, না, তবে ন্যায়সঙ্গতভাবে। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্বামীর সংসারে স্ত্রীর কাজ কর্মের মর্যাদা

📄 স্বামীর সংসারে স্ত্রীর কাজ কর্মের মর্যাদা


عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ (رضى) أَنْ فَاطِمَةَ أَتَتِ النَّبِيِّ ﷺ تَশ্কুরُ إِلَيْهِ مَا تَلْقَى فِي يَدِهَا مِنَ الرَّحَى وَبَلَغَهَا أَنَّهُ قَدْ جَاءَ رَقِيقٌ فَلَمْ تُصَادِفُهُ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِعَائِশَةَ فَلَمَّا جَاءَ أَخْبَرَتْهُ عَائِশَةُ قَالَ فَجَاءَنَا وَقَدْ أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا فَذَهَبْنَا نَقُومُ فَقَالَ عَلَى مَكَانِكُمَا فَجَاءَ فَقَعَدَ بَيْنِي وَبَيْنَهَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى بَطْنِي فَقَالَ أَلَا أَدُلُّكُمَا عَلَى خَيْرٍ মِّمَّا سَأَلْتُمَا إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا أَوْ أَوَيْتُمَا إِلَى فِرَাশِكُمَا فَسَبِّحَا ثلاثًا وثلاثين وَاحْمَدًا ثَلاثًا وَثَلاثِينَ وَكَبِّرًا أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ فَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمَا مِنْ خَادِمٍ .

আলী (রা) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা (রা) তাঁর হাতে যাঁতা ঘুরানোর ফলে ফোসকা পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে নবী ﷺ-এর কাছে এলেন। তিনি জানতে পেরেছেন যে, তাঁর কাছে কিছু গোলাম এসেছে। কিন্তু তাঁর সাথে ফাতিমার দেখা হলো না। তিনি আয়েশাকে ঘটনা বলে গেলেন। তিনি বাড়ীতে আসলে আয়েশা (রা) তাঁকে অবহিত করলেন। আলী (রা) বলেন, তিনি আমাদের কাছে এমন সময় আসলেন, যখন আমরা ঘুমোতে বিছানা শুয়েছি। আমরা উঠতে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন, উভয়ে নিজ স্থানে থাক। তিনি এসে আমার ও ফাতিমার মাঝখানে বসলেন। আমি আমার পেটে তাঁর পদদ্ব্যের স্পর্শ অনুভব করলাম। তিনি বললেন, তোমরা যা চেয়েছ আমি তার চেয়েও অধিক কল্যাণকর জিনিসের কথা কি তোমাদের বলে দেবে না? যখন তোমরা বিছানায় ঘুমোতে যাবে তখন তেত্রিশবার 'সুবহানাল্লাহ' (আল্লাহ অতীব পবিত্র), তেত্রিশবার 'আলহামদুলিলাহ' (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য) এবং চৌত্রিশবার 'আল্লাহ আকবার' (আল্লাহ মহান) পড়বে। এটা তোমাদের উভয়ের জন্য খাদেমের চেয়ে উত্তম।

عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ (رضى) أَنْ فَاطِمَةَ أَتَتِ النَّبِيُّ ﷺ تَশ্কুরُ إِلَيْهِ مَا تَلْقَى فِي يَدِهَا مِنَ الرَّحَى وَبَلَغَهَا أَنَّهُ قَدْ جَاءَ رَقِيقٌ فَلَمْ تُصَادِفُهُ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِعَائِশَةَ فَلَمَّا جَاءَ أَخْبَرَتْهُ عَائِশَةُ قَالَ فَجَاءَنَا وَقَدْ أَخَذْنَا মَضَاجِعَنَا فَذَهَبْنَا نَقُومُ فَقَالَ عَلَى মَكَانِكুমَا فَجَاءَ فَقَعَدَ بَيْنِي وَبَيْنَهَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى بَطْنِي فَقَالَ أَلَا أَدُلُّكুমَا عَلَى خَيْرٍ মِّমَّا سَأَلْتুমَا إِذَا أَخَذْتুমَا মَضَاجِعَكুমَا أَوْ أَوَيْتুমَا إِلَى ফِرَাশিকুমা ফাসাব্বিহা ছালাছান ওয়া ছালাছিনা ওয়াহমাদা ছালাছান ওয়া ছালাছিনা ওয়া কাব্বিরা আরবাআন ওয়া ছালাছিনা ফাহুয়া খাইরুল লাকুমা মিন খাদিমিন।

আলী (রা) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা (রা) তাঁর হাতে যাঁতা ঘুরানোর ফলে ফোসকা পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে নবী ﷺ-এর কাছে এলেন। তিনি জানতে পেরেছেন যে, তাঁর কাছে কিছু গোলাম এসেছে। কিন্তু তাঁর সাথে ফাতিমার দেখা হলো না। তিনি আয়েশাকে ঘটনা বলে গেলেন। তিনি বাড়ীতে আসলে আয়েশা (রা) তাঁকে অবহিত করলেন। আলী (রা) বলেন, তিনি আমাদের কাছে এমন সময় আসলেন, যখন আমরা ঘুমোতে বিছানা শুয়েছি। আমরা উঠতে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন, উভয়ে নিজ স্থানে থাক। তিনি এসে আমার ও ফাতিমার মাঝখানে বসলেন। আমি আমার পেটে তাঁর পদদ্ব্যের স্পর্শ অনুভব করলাম। তিনি বললেন, তোমরা যা চেয়েছে আমি তার চেয়েও অধিক কল্যাণকর জিনিসের কথা কি তোমাদের বলে দেবে না? যখন তোমরা বিছানায় ঘুমোতে যাবে তখন তেত্রিশবার 'সুবহানাল্লাহ' (আল্লাহ অতীব পবিত্র), তেত্রিশবার 'আলহামদুলিলাহ' (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য) এবং চৌত্রিশবার 'আল্লাহ আকবার' (আল্লাহ মহান) পড়বে। এটা তোমাদের উভয়ের জন্য খাদেমের চেয়ে উত্তম। (বুখারী)

ফন্ট সাইজ
15px
17px