📄 স্ত্রীদের সাথে সদাচরণের নির্দেশ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ والْيَوْمِ الآخِرِ فَإِذَا শِهدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّمُ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتُ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلْعِ وَإِنْ أَعْوَجَ শَيْءٍ فِي الضَّلْعِ أَعْلاهُ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার কর্তব্য হলো, কোন অপছন্দনীয় অবস্থা বা ঘটনার সম্মুখীন হলে উত্তম কথা বলা অথবা নীরবতা অবলম্বন করা। আর তোমরা মেয়েদের সাথে সৎ ও উত্তম আচরণ কর। কেননা, তাদেরকে পাঁজরের বাঁকা হাড় (বক্র স্বভাব) দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের দিককার হাড় সবচেয়ে বেশি বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে চাও তাহলে তা ভেঙে ফেলবে। আর যদি যেমন আছে তেমনি রাখ তাহলে তা বাঁকাই হতে থাকবে। অতএব তোমরা স্ত্রীদের সাথে উত্তম আচরণ কর।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ মَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ والْيَوْمِ الآخِرِ فَإِذَا শِهدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّমُ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتُ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلْعِ وَإِنْ أَعْوَجَ শَيْءٍ فِي الضَّلْعِ أَعْلاهُ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার কর্তব্য হলো, কোন অপছন্দনীয় অবস্থা বা ঘটনার সম্মুখীন হলে উত্তম কথা বলা অথবা নীরবতা অবলম্বন করা। আর তোমরা মেয়েদের সাথে সৎ ও উত্তম আচরণ কর। কেননা, তাদেরকে পাঁজরের বাঁকা হাড় (বক্র স্বভাব) দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের দিককার হাড় সবচেয়ে বেশি বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে চাও তাহলে তা ভেঙে ফেলবে। আর যদি যেমন আছে তেমনি রাখ তাহলে তা বাঁকাই হতে থাকবে। অতএব তোমরা স্ত্রীদের সাথে উত্তম আচরণ কর। (মুসলিম)
📄 স্ত্রীর একটি কাজ পছন্দনীয় না হলেও অন্যটি পছন্দনীয় হবে
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةٌ إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا أَخَرَ أَوْ قَالَ غَيْرَهُ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, কোন ঈমানদার পুরুষ যেন কোন ঈমানদার নারীর প্রতি (স্বামী স্ত্রীর প্রতি) ঘৃণা-বিদ্বেষ বা শত্রুতা পোষণ না করে, কারণ তার একটি স্বভাব পছন্দনীয় না হলেও অন্য একটি স্বভাব অবশ্যই পছন্দনীয় হবে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةٌ إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا أَخَرَ أَوْ قَالَ غَيْرَهُ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, কোন ঈমানদার পুরুষ যেন কোন ঈমানদার নারীর প্রতি (স্বামী স্ত্রীর প্রতি) ঘৃণা-বিদ্বেষ বা শত্রুতা পোষণ না করে, কারণ তার একটি স্বভাব পছন্দনীয় না হলেও অন্য একটি স্বভাব অবশ্যই পছন্দনীয় হবে। (মুসলিম)
📄 উত্তম স্ত্রীর গুণাবলি
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَيُّ النِّسَاءِ خَيْرٌ قَالَ الَّتِي تَسُرُّهُ إِذَا أَنْظَرَ وَتُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلَا تُخَالِفُهُ فِيمَا يَكْرَهُ فِي نَفْسِهَا وَمَالِهِ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলে কারীম-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, কোন স্ত্রীলোক উত্তম? উত্তরে রাসূলে কারীম বললেন, যে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে যখন সে তার দিকে তাকাবে, অনুসরণ ও আদেশ পালন করবে যখন সে তাকে কোন কাজের হুকুম করবে এবং স্ত্রীকে নিজের ব্যবহারে এবং নিজের ধন সম্পদের ব্যাপারে সে যা অপছন্দ করে তাতে সে স্বামীর বিরুদ্ধচারণ করবে না।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَيُّ النِّসَاءِ خَيْرٌ قَالَ الَّتِي تَسُرُّهُ إِذَا أَنْظَرَ وَتُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلَا تُخَالِفُهُ فِيمَا يَكْرَهُ فِي نَفْسِهَا وَমَالِهِ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলে কারীম-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, কোন স্ত্রীলোক উত্তম? উত্তরে রাসূলে কারীম বললেন, যে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে যখন সে তার দিকে তাকাবে, অনুসরণ ও আদেশ পালন করবে যখন সে তাকে কোন কাজের হুকুম করবে এবং স্ত্রীকে নিজের ব্যবহারে এবং নিজের ধন সম্পদের ব্যাপারে সে যা অপছন্দ করে তাতে সে স্বামীর বিরুদ্ধচারণ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)
📄 স্ত্রী যেমন হওয়া উচিত
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ يَقُولُ مَا اسْتَفَادَ الْمُؤْمِنُ بَعْدَ تَقْوَى اللَّهِ خَيْرًا لَّهُ مِنْ زَوْجَةٍ صَالِحَةٍ إِنْ أَمَرَهَا أَطَاعَتْهُ وَإِنْ نَظَرَ إِلَيْهَا سَرْتَهُ وَإِنْ أَقْسَمَ عَلَيْهَا أَبَرَّتْهُ وَإِنْ غَابَ عَنْهَا نَصَحَتْهُ فِي نَفْسِهَا وَمَالِهِ .
আবূ উমামা (রা) থেকে, তিনি নবী কারীম হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি প্রায়ই বলতেন, মু'মিনের তাকওয়ার পক্ষে অধিক কল্যাণকর ও কল্যাণ লাভের উৎস হল সচ্চরিত্রবতী এমন একজন স্ত্রী, যাকে সে কোন কাজের আদেশ করলে সে তা অমান্য করে না, তার দিকে তাকালে সে তাকে সন্তুষ্ট করবে। সে যদি তার উপর কোন শপথ প্রদান করে, তবে সে তাকে শপথমুক্ত করবে। সে যদি স্ত্রী কাছ থেকে দূরে চলে যায়, তবে সে তার নিজের ব্যাপারে এবং স্বামীর ধন-সম্পত্তির ব্যাপারে তার কল্যাণ কামনা করবে।
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ يَقُولُ مَا اسْتَفَادَ الْمُؤْمِنُ بَعْدَ تَقْوَى اللَّهِ خَيْرًا لَّهُ مِنْ زَوْجَةٍ صَالِحَةٍ إِنْ أَمَرَهَا أَطَاعَتْهُ وَإِنْ نَظَرَ إِلَيْهَا سَرْتَهُ وَإِنْ أَقْسَمَ عَلَيْهَا أَبَرَّتْهُ وَإِنْ غَابَ عَنْهَا نَصَحَتْهُ فِي نَفْسِهَا وَমَالِهِ .
আবূ উমামা (রা) থেকে, তিনি নবী কারীম হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি প্রায়ই বলতেন, মু'মিনের তাকওয়ার পক্ষে অধিক কল্যাণকর ও কল্যাণ লাভের উৎস হল সচ্চরিত্রবতী এমন একজন স্ত্রী, যাকে সে কোন কাজের আদেশ করলে সে তা অমান্য করে না, তার দিকে তাকালে সে তাকে সন্তুষ্ট করবে। সে যদি তার উপর কোন শপথ প্রদান করে, তবে সে তাকে শপথমুক্ত করবে। সে যদি স্ত্রী কাছ থেকে দূরে চলে যায়, তবে সে তার নিজের ব্যাপারে এবং স্বামীর ধন-সম্পত্তির ব্যাপারে তার কল্যাণ কামনা করবে। (ইবনে মাজাহ)