📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্বামিকে কষ্ট দেয়া নিষেধ

📄 স্বামিকে কষ্ট দেয়া নিষেধ


عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لا تُؤْذِي امْرَأَةٌ زَوْجَهَا فِي الدُّنْيَا إِلَّا قَالَتْ زَوْجَتُهُ مِنَ الْحُورِ الْعِيْنِ لَا تُؤْذِيهِ قَاتَلَكِ اللَّهُ فَإِنَّمَا هُوَ عِنْدَكَ دَخِيلٌ يُوشِكُ أَنْ يُفَارِقَكِ إِلَيْنَا .

মুআয ইবনে জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যখনই কোন স্ত্রীলোক পৃথিবীতে তার স্বামীকে কষ্ট দেয় তখনই (জান্নাতের) আয়তলোচনা হুরদের মধ্যে তার (ভাবী) স্ত্রী বলেন, হে অভাগিনী! তাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন! তিনি তো তোমার কাছে ক্ষণস্থায়ী মেহমান। অচিরেই তিনি তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন।

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لا تُؤْذِي امْرَأَةٌ زَوْجَهَا فِي الدُّنْيَا إِلَّا قَالَتْ زَوْجَتُهُ مِنَ الْحُورِ الْعِيْنِ لَا تُؤْذِيهِ قَاتَلَكِ اللَّهُ فَإِنَّمَا هُوَ عِنْدَكَ دَخِيلٌ يُوشِكُ أَنْ يُفَارِقَكِ إِلَيْنَا .

মুআয ইবনে জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যখনই কোন স্ত্রীলোক পৃথিবীতে তার স্বামীকে কষ্ট দেয় তখনই (জান্নাতের) আয়তলোচনা হুরদের মধ্যে তার (ভাবী) স্ত্রী বলেন, হে অভাগিনী! তাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন! তিনি তো তোমার কাছে ক্ষণস্থায়ী মেহমান। অচিরেই তিনি তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন। (তিরমিযী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্ত্রীদের সাথে সদাচরণের নির্দেশ

📄 স্ত্রীদের সাথে সদাচরণের নির্দেশ


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ والْيَوْمِ الآخِرِ فَإِذَا শِهدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّمُ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتُ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلْعِ وَإِنْ أَعْوَجَ শَيْءٍ فِي الضَّلْعِ أَعْلاهُ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا .

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার কর্তব্য হলো, কোন অপছন্দনীয় অবস্থা বা ঘটনার সম্মুখীন হলে উত্তম কথা বলা অথবা নীরবতা অবলম্বন করা। আর তোমরা মেয়েদের সাথে সৎ ও উত্তম আচরণ কর। কেননা, তাদেরকে পাঁজরের বাঁকা হাড় (বক্র স্বভাব) দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের দিককার হাড় সবচেয়ে বেশি বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে চাও তাহলে তা ভেঙে ফেলবে। আর যদি যেমন আছে তেমনি রাখ তাহলে তা বাঁকাই হতে থাকবে। অতএব তোমরা স্ত্রীদের সাথে উত্তম আচরণ কর।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ মَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ والْيَوْمِ الآخِرِ فَإِذَا শِهدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّমُ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتُ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلْعِ وَإِنْ أَعْوَجَ শَيْءٍ فِي الضَّلْعِ أَعْلاهُ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا .

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার কর্তব্য হলো, কোন অপছন্দনীয় অবস্থা বা ঘটনার সম্মুখীন হলে উত্তম কথা বলা অথবা নীরবতা অবলম্বন করা। আর তোমরা মেয়েদের সাথে সৎ ও উত্তম আচরণ কর। কেননা, তাদেরকে পাঁজরের বাঁকা হাড় (বক্র স্বভাব) দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের দিককার হাড় সবচেয়ে বেশি বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে চাও তাহলে তা ভেঙে ফেলবে। আর যদি যেমন আছে তেমনি রাখ তাহলে তা বাঁকাই হতে থাকবে। অতএব তোমরা স্ত্রীদের সাথে উত্তম আচরণ কর। (মুসলিম)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্ত্রীর একটি কাজ পছন্দনীয় না হলেও অন্যটি পছন্দনীয় হবে

📄 স্ত্রীর একটি কাজ পছন্দনীয় না হলেও অন্যটি পছন্দনীয় হবে


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةٌ إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا أَخَرَ أَوْ قَالَ غَيْرَهُ .

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, কোন ঈমানদার পুরুষ যেন কোন ঈমানদার নারীর প্রতি (স্বামী স্ত্রীর প্রতি) ঘৃণা-বিদ্বেষ বা শত্রুতা পোষণ না করে, কারণ তার একটি স্বভাব পছন্দনীয় না হলেও অন্য একটি স্বভাব অবশ্যই পছন্দনীয় হবে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى ) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةٌ إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا أَخَرَ أَوْ قَالَ غَيْرَهُ .

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, কোন ঈমানদার পুরুষ যেন কোন ঈমানদার নারীর প্রতি (স্বামী স্ত্রীর প্রতি) ঘৃণা-বিদ্বেষ বা শত্রুতা পোষণ না করে, কারণ তার একটি স্বভাব পছন্দনীয় না হলেও অন্য একটি স্বভাব অবশ্যই পছন্দনীয় হবে। (মুসলিম)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 উত্তম স্ত্রীর গুণাবলি

📄 উত্তম স্ত্রীর গুণাবলি


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَيُّ النِّسَاءِ خَيْرٌ قَالَ الَّتِي تَسُرُّهُ إِذَا أَنْظَرَ وَتُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلَا تُخَالِفُهُ فِيمَا يَكْرَهُ فِي نَفْسِهَا وَمَالِهِ .

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলে কারীম-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, কোন স্ত্রীলোক উত্তম? উত্তরে রাসূলে কারীম বললেন, যে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে যখন সে তার দিকে তাকাবে, অনুসরণ ও আদেশ পালন করবে যখন সে তাকে কোন কাজের হুকুম করবে এবং স্ত্রীকে নিজের ব্যবহারে এবং নিজের ধন সম্পদের ব্যাপারে সে যা অপছন্দ করে তাতে সে স্বামীর বিরুদ্ধচারণ করবে না।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَيُّ النِّসَاءِ خَيْرٌ قَالَ الَّتِي تَسُرُّهُ إِذَا أَنْظَرَ وَتُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَ وَلَا تُخَالِفُهُ فِيمَا يَكْرَهُ فِي نَفْسِهَا وَমَالِهِ .

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলে কারীম-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, কোন স্ত্রীলোক উত্তম? উত্তরে রাসূলে কারীম বললেন, যে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে যখন সে তার দিকে তাকাবে, অনুসরণ ও আদেশ পালন করবে যখন সে তাকে কোন কাজের হুকুম করবে এবং স্ত্রীকে নিজের ব্যবহারে এবং নিজের ধন সম্পদের ব্যাপারে সে যা অপছন্দ করে তাতে সে স্বামীর বিরুদ্ধচারণ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)

ফন্ট সাইজ
15px
17px