📄 প্রস্তাবিত বিয়ের পূর্বে পাত্রী দেখা
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَرَادَ أَنْ يَتَزَوَّجَ امْرَأَةً فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ اِذْهَبْ فَانْظُرُ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا فَتَزَوَّجَهَا فَذَكَرَ مِنْ مُوَافَقَتِهَا .
আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) এক নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে রাসূলুল্লাহ তাকে বলেন, তুমি গিয়ে তাকে দেখে নাও, কেননা তা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। অত:পর তিনি তাই করলেন এবং তাকে বিয়ে করলেন। পরে তাঁর কাছে তাদের দাম্পত্য সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করা হয়।
عَنْ أَنَسِ بْنِ মَالِكِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ শُعْبَةَ أَرَادَ أَنْ يَتَزَوَّجَ امْرَأَةً فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ اِذْهَبْ فَانْظُرُ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا فَتَزَوَّجَهَا فَذَكَرَ مِنْ مُوَافَقَتِهَا .
আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) এক নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে রাসূলুল্লাহ তাকে বলেন, তুমি গিয়ে তাকে দেখে নাও, কেননা তা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। অত:পর তিনি তাই করলেন এবং তাকে বিয়ে করলেন। পরে তাঁর কাছে তাদের দাম্পত্য সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করা হয়। (ইবনে মাজাহ)
📄 বিয়েতে নারীদের মোহর প্রাপ্তির অধিকার
عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ السُّلَمِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ الا لا تُغَالُوا صَدَقَةَ النِّسَاءِ فَإِنَّهَا لَوْ كَانَتْ مَكْرُومَةً فِي الدُّنْيَا أَوْ تَقْوَى عِنْدَ اللهِ لَكَانَ أَوْلَاكُمْ بِهَا نَبِيُّ اللَّهِ ﷺ مَا عَلِمْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَكَحَ শَيْئًا مِّنْ نِسَائِهِ وَلَا أَنْكَحَ শَيْئًا مِنْ بَنَاتِهِ عَلَى أَكْثَرَ مِنْ تَنْتَى عَشْرَةَ أُوقِيَةً .
আবুল আজফা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেছেন, সাবধান! তোমরা উচ্চহারে নারীদের মোহর বৃদ্ধি কর না। কেননা তা যদি দুনিয়াতে সম্মানের বস্তু অথবা আল্লাহর কাছে তাকওয়ার বস্তু হত তবে তোমাদের চেয়ে আল্লাহর নবী এ ব্যাপারে বেশি উদ্যোগী হতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ বার উকিয়ার বেশি মোহরে তার কোন স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন অথবা তার কোন কন্যাকে বিয়ে দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই।
ব্যাখ্যা: আলেমদের মতে এক উকিয়া চল্লিশ দিরহামের সমান এবং বার উকিয়া চার শত আশি দিরহামের সমান।
عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ السُّلَمِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ الا لا تُغَالُوا صَدَقَةَ النِّسَاءِ فَإِنَّهَا لَوْ كَانَتْ মַكْرُومَةً فِي الدُّنْيَا أَوْ تَقْوَى عِنْدَ اللهِ لَكَانَ أَوْلَاكُمْ بِهَا نَبِيُّ اللَّهِ ﷺ مَا عَلِمْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَكَحَ শَيْئًا مِّنْ نِسَائِهِ وَلَا أَنْكَحَ শَيْئًا مِنْ بَنَاتِهِ عَلَى أَكْثَرَ مِنْ تَنْتَى عَশْرَةَ أُوقِيَةً .
আবুল আজফা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেছেন, সাবধান! তোমরা উচ্চহারে নারীদের মোহর বৃদ্ধি কর না। কেননা তা যদি দুনিয়াতে সম্মানের বস্তু অথবা আল্লাহর কাছে তাকওয়ার বস্তু হত তবে তোমাদের চেয়ে আল্লাহর নবী এ ব্যাপারে বেশি উদ্যোগী হতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ বার উকিয়ার বেশি মোহরে তার কোন স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন অথবা তার কোন কন্যাকে বিয়ে দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: আলেমদের মতে এক উকিয়া চল্লিশ দিরহামের সমান এবং বার উকিয়া চার শত আশি দিরহামের সমান।
📄 বিয়ের পর মোহর ধার্য করার আগেই স্বামীর মৃত্যু হলে
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةٌ وَلَمْ يَقْرِضُ لَهَا صَدَافًا وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا حَتَّى مَاتَ فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لَهَا مِثْلُ صَدَاقٍ نِسَائِهَا وَلَا وَكَسَ وَلَا শَطَطَ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ وَلَهَا الْمِبْرَاثُ فَقَامَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الأَশْجَعِي فَقَالَ قَضَى رَسُولُ الله ﷺ فِي بِرُوعَ بِنْتِ وَাশِقٍ امْرَأَةٍ مِنَّا مِثْلَ الَّذِي قَضَيْتَ فَفَرِحَ بِهَا ابْنُ مَسْعُودٍ .
ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, এক ব্যক্তি এক মহিলাকে বিয়ে করার পর তার মোহর নির্ধারণ না করে এবং তার সাথে সহবাস করার পূর্বে মারা গেল, তার বিধান কি? ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, স্ত্রীলোকটি তার পরিবারের অপর মেয়েদের সম-পরিমাণ মোহর পাবে, তার কমও নয় বেশিও নয়। সে তার স্বামীর মৃত্যুতে ইদ্দত পালন করবে এবং (তার) ওয়ারিসও হবে। তখন মাকিল ইবনে সিনান আল-আসজাই (রা) দাঁড়িয়ে বলেন, আপনি যেরূপ ফয়সালা করেছেন, রাসূলুল্লাহও আমাদের বংশের মেয়ে এবং ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআ সম্পর্কে অনুরূপ ফয়সালা করেছেন। এটা শুনে ইবনে মাসউদ (রা) খুবই আনন্দিত হন।
عَنِ ابْنِ মَسْعُودٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةٌ وَلَمْ يَقْرِضُ لَهَا صَدَافًا وَلَمْ يَدْখُلْ بِهَا حَتَّى মَاتَ فَقَالَ ابْنُ মَسْعُودٍ لَهَا মִثْلُ صَدَاقٍ نِسَائِهَا وَلَا وَكَسَ وَلَا শَটَটَ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ وَلَهَا الْمِبْرَاثُ فَقَامَ মَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الأَশ্জَعِي فَقَالَ قَضَى رَسُولُ الله ﷺ فِي بِرُوعَ بِنْتِ وَাশِقٍ امْرَأَةٍ مِنَّا মִثْلَ الَّذِي قَضَيْتَ فَفَرِحَ بِهَا ابْنُ মَسْعُودٍ .
ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, এক ব্যক্তি এক মহিলাকে বিয়ে করার পর তার মোহর নির্ধারণ না করে এবং তার সাথে সহবাস করার পূর্বে মারা গেল, তার বিধান কি? ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, স্ত্রীলোকটি তার পরিবারের অপর মেয়েদের সম-পরিমাণ মোহর পাবে, তার কমও নয় বেশিও নয়। সে তার স্বামীর মৃত্যুতে ইদ্দত পালন করবে এবং (তার) ওয়ারিসও হবে। তখন মাকিল ইবনে সিনান আল-আসজাই (রা) দাঁড়িয়ে বলেন, আপনি যেরূপ ফয়সালা করেছেন, রাসূলুল্লাহও আমাদের বংশের মেয়ে এবং ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআ সম্পর্কে অনুরূপ ফয়সালা করেছেন। এটা শুনে ইবনে মাসউদ (রা) খুবই আনন্দিত হন। (তিরমিযী)
📄 নারী নিজেকে বিয়ের জন্য পেশ করতে পারে
عَنْ هِশَامٍ (رضى) عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَتْ خَوْلَةٌ بِنْتُ حَكِيمٍ مِنَ الآتِي وَهَبْنَ أَنْفُسَهُنَّ لِلنَّبِيِّ ﷺ فَقَالَتْ عَائِশَةُ أَمَا تَسْتَحْيِ الْمَرْأَةُ أَنْ تَهَبَ نَفْسَهَا لِلرَّجُلِ فَلَمَّا نَزَلَتْ تُرْجِي مَنْ تَশَاءُ مِنْهُنَّ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ مَا أَرَى رَبِّكَ إِلَّا يُسَارِعُ فِي هَوَاكَ .
হিশাম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাওলা বিনতে হাকীম (রা) ঐ মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা নিজেদেরকে নবী কারীম-এর সামনে বিয়ের জন্য হেবা করেছিলেন। আয়েশা (রা) বলেন, পুরুষের কাছে নিজেকে হেবা করতে কোন মহিলার কি লজ্জা হয় না? যখন কুরআনের আয়াত "তুরজী মানে তাশাউ মিনহুন্না" অবতীর্ণ হলো, তখন আয়েশা (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখতে পাচ্ছি যে, আপনার রব আপনাকে খুশী করার জন্য আপনার মর্জি মাফিক (বিধান অবতীর্ণ করার ক্ষেত্রে) তাড়াতাড়ি করেছেন।
عَنْ هِশَামٍ (رضى) عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَتْ خَوْلَةٌ بِنْتُ حَكِيمٍ مِنَ الآتِي وَهَبْنَ أَنْفُسَهُنَّ لِلنَّبِيِّ ﷺ فَقَالَتْ عَائِশَةُ أَمَا تَসْتَحْيِ الْمَرْأَةُ أَنْ تَهَبَ نَفْسَهَا لِلرَّجُلِ فَلَمَّا نَزَلَتْ تُرْجِي মَنْ تَশَاءُ مِنْهُنَّ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ مَا أَرَى رَبِّكَ إِلَّا يُسَارِعُ فِي هَوَاكَ .
হিশাম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাওলা বিনতে হাকীম (রা) ঐ মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা নিজেদেরকে নবী কারীম-এর সামনে বিয়ের জন্য হেবা করেছিলেন। আয়েশা (রা) বলেন, পুরুষের কাছে নিজেকে হেবা করতে কোন মহিলার কি লজ্জা হয় না? যখন কুরআনের আয়াত "তুরজী মানে তাশাউ মিনহুন্না" অবতীর্ণ হলো, তখন আয়েশা (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখতে পাচ্ছি যে, আপনার রব আপনাকে খুশী করার জন্য আপনার মর্জি মাফিক (বিধান অবতীর্ণ করার ক্ষেত্রে) তাড়াতাড়ি করেছেন। (বুখারী)