📄 মহিলাদের মাথা মুন্ডানো নিষেধ
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ نَهَى أَنْ تَحْلِقَ الْمَرْأَةُ رَأْسَهَا .
আয়েশা (রা) থেকে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে যে, নবী মহিলাদেরকে তাদের মাথা মুণ্ডন করতে নিষেধ করেছেন।
ব্যাখ্যা: বিশেষজ্ঞ আলেমগণ এই হাদীস অনুসারে মহিলাদের মাথা মুণ্ডনের অনুমতি দেন না, তবে (ইহরাম মুক্ত হওয়ার জন্য) কিছু চুল ছাঁটার অনুমতি দেন। হজ্জ এবং উমরার সময় মাথা মুণ্ডন করা বা চুল ছেঁটে খাট করা পুরুষদের জন্য অপরিহার্য। উমরাকারীকে সাফা-মারওয়ান সাঈ করার পর এবং হজ্জ পালনকারীকে কোরবানীর পর মিনায় কর্তব্য পালন করতে হয়। স্ত্রীলোকেরা মাথার চুল সামান্য খাট করবে। হজ্জ বা উমরা ছাড়া অন্য কোন সময়ে মহিলাদের মাথার চুল কাটা বা ছেঁটে ফেলা জায়েয নয়।
عَنْ عَائِশَةَ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ نَهَى أَنْ تَحْلِقَ الْمَرْأَةُ رَأْسَهَا .
আয়েশা (রা) থেকে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে যে, নবী মহিলাদেরকে তাদের মাথা মুণ্ডন করতে নিষেধ করেছেন। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: বিশেষজ্ঞ আলেমগণ এই হাদীস অনুসারে মহিলাদের মাথা মুণ্ডনের অনুমতি দেন না, তবে (ইহরাম মুক্ত হওয়ার জন্য) কিছু চুল ছাঁটার অনুমতি দেন। হজ্জ এবং উমরার সময় মাথা মুণ্ডন করা বা চুল ছেঁটে খাট করা পুরুষদের জন্য অপরিহার্য। উমরাকারীকে সাফা-মারওয়ান সাঈ করার পর এবং হজ্জ পালনকারীকে কোরবানীর পর মিনায় কর্তব্য পালন করতে হয়। স্ত্রীলোকেরা মাথার চুল সামান্য খাট করবে। হজ্জ বা উমরা ছাড়া অন্য কোন সময়ে মহিলাদের মাথার চুল কাটা বা ছেঁটে ফেলা জায়েয নয়।
📄 সর্বোত্তম মহিলা
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍ (رضى) وَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ إِنَّمَا الدُّنْيَا مَتَاعٌ وَلَيْسَ مِنْ مَتَاعِ الدُّنْيَا শَيْءٌ أَفْضَلَ مِنَ الْمَرْأَةِ الصَّالِحَةِ .
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সারা দুনিয়াই হলো সম্পদ। আর দুনিয়ার মধ্যে পুণ্যবতী স্ত্রীলোকের চেয়ে অধিক উত্তম কোন সম্পদ নেই।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍ (رضى) وَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ إِنَّمَا الدُّنْيَا مَتَاعٌ وَلَيْسَ مِنْ مَتَاعِ الدُّنْيَا শَيْءٌ أَفْضَلَ مِنَ الْمَرْأَةِ الصَّالِحَةِ .
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সারা দুনিয়াই হলো সম্পদ। আর দুনিয়ার মধ্যে পুণ্যবতী স্ত্রীলোকের চেয়ে অধিক উত্তম কোন সম্পদ নেই। (ইবনে মাজাহ)
📄 প্রস্তাবিত বিয়ের পূর্বে পাত্রী দেখা
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَرَادَ أَنْ يَتَزَوَّجَ امْرَأَةً فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ اِذْهَبْ فَانْظُرُ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا فَتَزَوَّجَهَا فَذَكَرَ مِنْ مُوَافَقَتِهَا .
আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) এক নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে রাসূলুল্লাহ তাকে বলেন, তুমি গিয়ে তাকে দেখে নাও, কেননা তা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। অত:পর তিনি তাই করলেন এবং তাকে বিয়ে করলেন। পরে তাঁর কাছে তাদের দাম্পত্য সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করা হয়।
عَنْ أَنَسِ بْنِ মَالِكِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ শُعْبَةَ أَرَادَ أَنْ يَتَزَوَّجَ امْرَأَةً فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ اِذْهَبْ فَانْظُرُ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا فَتَزَوَّجَهَا فَذَكَرَ مِنْ مُوَافَقَتِهَا .
আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। মুগীরা ইবনে শোবা (রা) এক নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে রাসূলুল্লাহ তাকে বলেন, তুমি গিয়ে তাকে দেখে নাও, কেননা তা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। অত:পর তিনি তাই করলেন এবং তাকে বিয়ে করলেন। পরে তাঁর কাছে তাদের দাম্পত্য সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করা হয়। (ইবনে মাজাহ)
📄 বিয়েতে নারীদের মোহর প্রাপ্তির অধিকার
عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ السُّلَمِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ الا لا تُغَالُوا صَدَقَةَ النِّسَاءِ فَإِنَّهَا لَوْ كَانَتْ مَكْرُومَةً فِي الدُّنْيَا أَوْ تَقْوَى عِنْدَ اللهِ لَكَانَ أَوْلَاكُمْ بِهَا نَبِيُّ اللَّهِ ﷺ مَا عَلِمْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَكَحَ শَيْئًا مِّنْ نِسَائِهِ وَلَا أَنْكَحَ শَيْئًا مِنْ بَنَاتِهِ عَلَى أَكْثَرَ مِنْ تَنْتَى عَشْرَةَ أُوقِيَةً .
আবুল আজফা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেছেন, সাবধান! তোমরা উচ্চহারে নারীদের মোহর বৃদ্ধি কর না। কেননা তা যদি দুনিয়াতে সম্মানের বস্তু অথবা আল্লাহর কাছে তাকওয়ার বস্তু হত তবে তোমাদের চেয়ে আল্লাহর নবী এ ব্যাপারে বেশি উদ্যোগী হতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ বার উকিয়ার বেশি মোহরে তার কোন স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন অথবা তার কোন কন্যাকে বিয়ে দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই।
ব্যাখ্যা: আলেমদের মতে এক উকিয়া চল্লিশ দিরহামের সমান এবং বার উকিয়া চার শত আশি দিরহামের সমান।
عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ السُّلَمِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ الا لا تُغَالُوا صَدَقَةَ النِّسَاءِ فَإِنَّهَا لَوْ كَانَتْ মַكْرُومَةً فِي الدُّنْيَا أَوْ تَقْوَى عِنْدَ اللهِ لَكَانَ أَوْلَاكُمْ بِهَا نَبِيُّ اللَّهِ ﷺ مَا عَلِمْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَكَحَ শَيْئًا مِّنْ نِسَائِهِ وَلَا أَنْكَحَ শَيْئًا مِنْ بَنَاتِهِ عَلَى أَكْثَرَ مِنْ تَنْتَى عَশْرَةَ أُوقِيَةً .
আবুল আজফা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেছেন, সাবধান! তোমরা উচ্চহারে নারীদের মোহর বৃদ্ধি কর না। কেননা তা যদি দুনিয়াতে সম্মানের বস্তু অথবা আল্লাহর কাছে তাকওয়ার বস্তু হত তবে তোমাদের চেয়ে আল্লাহর নবী এ ব্যাপারে বেশি উদ্যোগী হতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ বার উকিয়ার বেশি মোহরে তার কোন স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন অথবা তার কোন কন্যাকে বিয়ে দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: আলেমদের মতে এক উকিয়া চল্লিশ দিরহামের সমান এবং বার উকিয়া চার শত আশি দিরহামের সমান।