📄 শিশুদের রোযা রাখা
عَنِ الرَّبِيعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ (رضى) قَالَتْ أَرْسَلَ النَّبِيُّ ﷺ غَدَاةَ عَاشُورَاءَ إِلَى قُرَى الْأَنْصَارِ مَنْ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ وَمَنْ أَصْبَحَ صَائِمًا فَلْيَصُمْ قَالَتْ فَكُنَّا نَصُومُهُ بَعْدَ نُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا وَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّهْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهُ ذَلِكَ حَتَّى يَكُونَ عِنْدَ الْإِفْطَارِ .
রুবাই বিনতে মু'আওয়ায (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আশুরার দিন সকালে নবী আনসারদের এলাকায় নির্দেশ পাঠালেন যে, যারা সকালে খেয়েছে তারা দিনের বাকী অংশে আর কিছু খাবে না। আর যারা রোযা রেখেছে তারা রোযা পূর্ণ করবে। হাদীসের বর্ণনাকীরনী বলেন, এরপর আমরাও রোযা রাখতাম এবং আমাদের শিশুদেরও রোযা রাখাতাম। তাদেরকে আমরা তুলা বা পশমের খেলনা তৈরী করে দিতাম। তারা কেউ খাওয়ার জন্য কাঁদলে আমরা তাদেরকে ঐ খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখতাম। আর এভাবেই ইফতারের সময় হয়ে যেত।
ব্যাখ্যা: শিশুদের রোযা পালন সম্পর্কে অধিকাংশ উলামার মত হল, রোযা তাদের উপরে ফরয নয়। তবে অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তাদেরকে রোযা রাখতে বলা যাবে। তাহলে বড় হয়ে তারা সহজেই রোযা রাখতে পারবে।
عَنِ الرَّبِيعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ (رضى) قَالَتْ أَرْسَلَ النَّبِيُّ ﷺ غَدَاةَ عَাশُورَاءَ إِلَى قُرَى الْأَنْصَارِ مَنْ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ وَمَنْ أَصْبَحَ صَائِمًا فَلْيَصُمْ قَالَتْ فَكُنَّا نَصُومُهُ بَعْدَ نُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا وَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّهْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهُ ذَلِكَ حَتَّى يَكُونَ عِنْدَ الْإِفْطَارِ .
রুবাই বিনতে মু'আওয়ায (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আশুরার দিন সকালে নবী আনসারদের এলাকায় নির্দেশ পাঠালেন যে, যারা সকালে খেয়েছে তারা দিনের বাকী অংশে আর কিছু খাবে না। আর যারা রোযা রেখেছে তারা রোযা পূর্ণ করবে। হাদীসের বর্ণনাকীরনী বলেন, এরপর আমরাও রোযা রাখতাম এবং আমাদের শিশুদেরও রোযা রাখাতাম। তাদেরকে আমরা তুলা বা পশমের খেলনা তৈরি করে দিতাম। তারা কেউ খাওয়ার জন্য কাঁদলে আমরা তাদেরকে ঐ খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখতাম। আর এভাবেই ইফতারের সময় হয়ে যেত। (বুখারী)
ব্যাখ্যা: শিশুদের রোযা পালন সম্পর্কে অধিকাংশ উলামার মত হল, রোযা তাদের উপরে ফরয নয়। তবে অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তাদেরকে রোযা রাখতে বলা যাবে। তাহলে বড় হয়ে তারা সহজেই রোযা রাখতে পারবে।
📄 মহিলাদের ই’তেকাফ
عَنْ عَائِشَةَ (رضى) زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتَّى تَوَفَّاهُ اللَّهُ ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ مِنْ بَعْدِهِ .
নবী-পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী রমযানের শেষ দশ দিনে ই'তেকাফে বসতেন যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁকে উঠিয়ে দিলেন। তারপর তাঁর পত্নীগণও (শেষ দশকে) ই'তেকাফ করতেন।
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَশْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتَّى تَوَفَّاهُ اللَّهُ ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ مِنْ بَعْدِهِ .
নবী-পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী রমযানের শেষ দশ দিনে ই'তেকাফে বসতেন যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁকে উঠিয়ে দিলেন। তারপর তাঁর পত্নীগণও (শেষ দশকে) ই'তেকাফ করতেন। (বুখারী)
📄 শিশুদের হজ্ব
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) قَالَ رَفَعَتْ امْرَأَةٌ صَبِيا لَهَا إلَى النَّبِيِّ اللهِ فِي حَجَّةٍ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ آلِهَذَا حَجٌ قَالَ نَعَمْ وَلَكِ أَجْرٌ .
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজ্জের সময় এক মহিলা তার শিশু সন্তানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে উঁচিয়ে ধরে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! এই শিশুর জন্যও কি হজ্জ? তিনি বলেন, হ্যাঁ, তবে সওয়াব হবে তোমার।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ (رضى) قَالَ رَفَعَتْ امْرَأَةٌ صَبِيا لَهَا إلَى النَّبِيِّ اللهِ فِي حَجَّةٍ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ آلِهَذَا حَجٌ قَالَ نَعَمْ وَلَكِ أَجْرٌ .
জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজ্জের সময় এক মহিলা তার শিশু সন্তানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে উঁচিয়ে ধরে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! এই শিশুর জন্যও কি হজ্জ? তিনি বলেন, হ্যাঁ, তবে সওয়াব হবে তোমার। (ইবনে মাজাহ)
📄 হায়েয ও নেফাসগ্রস্ত মহিলাদের ইহরাম
عَنْ عَائِشَةَ (رضى) قَالَتْ نُفِسَتْ أَسْمَاءُ بِنْهُ عُمَيْسٍ بِالشَّجَرَةِ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَبَا بَكْرٍ أَنْ يَأْمُرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ وَتُهِلْ .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শাজারা (যুল হুলায়ফা) নামক স্থানে উমাইস কন্যা আসমা (রা)-র নিফাস হলো। রাসূলুল্লাহ আবু বকর (রা)-কে নির্দেশ দিলেন যে, তিনি যেন তাকে গোসল করে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেন।
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ نُفِسَتْ أَسْمَاءُ بِنْهُ عُمَيْسٍ بِالشَّجَرَةِ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَبَا بَكْرٍ أَنْ يَأْمُرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ وَتُهِلْ .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শাজারা (যুল হুলায়ফা) নামক স্থানে উমাইস কন্যা আসমা (রা)-র নিফাস হলো। রাসূলুল্লাহ আবু বকর (রা)-কে নির্দেশ দিলেন যে, তিনি যেন তাকে গোসল করে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেন। (ইবন মাজাহ)