📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 মহিলাদের কবরস্থানে গমন

📄 মহিলাদের কবরস্থানে গমন


অধিকাংশ আলিমের মতে, কোনো প্রকার ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকলে মহিলাদের কবরস্থানে যাওয়া জায়েয। তাদের মতের সপক্ষে দলীল হলো আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী কারীম (সা)-এর নিকট নিবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আমি কবরস্থানে গেলে কি বলবো? নবী করীম (সা) জবাব দিলেন, তুমি বলবে- قُولِي السَّلامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ . হে মু'মিন ও মুসলিম ঘরবাসী! তোমাদের ওপর সালাম বর্ষিত হোক। (মুসলিম) বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম (সা) এক কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, এক মহিলা কবরের উপর বসে বসে কাঁদছে। তিনি মহিলার কণ্ঠ থেকে কিছু অপছন্দনীয় কথা শুনে তাকে বললেন, انْقِي اللَّهَ وَاصْبِرِى . "আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো।" কিন্তু মহিলাটির কবরে আসার ব্যাপারে কিছু বলেননি।

অধিকাংশ আলিমের মতে, কোনো প্রকার ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকলে মহিলাদের কবরস্থানে যাওয়া জায়েয। তাদের মতের সপক্ষে দলীল হলো আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী কারীম (সা)-এর নিকট নিবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আমি কবরস্থানে গেলে কি বলবো? নবী করীম (সা) জবাব দিলেন, তুমি বলবে- قُولِي السَّلامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ . হে মু'মিন ও মুসলিম ঘরবাসী! তোমাদের ওপর সালাম বর্ষিত হোক। (মুসলিম) বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম (সা) এক কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, এক মহিলা কবরের উপর বসে বসে কাঁদছে। তিনি মহিলার কণ্ঠ থেকে কিছু অপছন্দনীয় কথা শুনে তাকে বললেন, انْقِي اللَّهَ وَاصْبِرِى . "আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো।" কিন্তু মহিলাটির কবরে আসার ব্যাপারে কিছু বলেননি। (বুখারী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 মহিলাদের সোনা-রূপা ব্যবহারে সতর্কতা

📄 মহিলাদের সোনা-রূপা ব্যবহারে সতর্কতা


يَا فَاطِمَةُ أَيُغَرْكِ أَنْ يَقُولَ النَّاسُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَفِي يَدِكِ سِلْسَلَةٌ مِّنَ النَّارِ .

"হে ফাতিমা! তুমি কি এই ভেবে গর্ববোধ করছো যে, লোকেরা বলবে রাসূলুল্লাহর কন্যা আগুনের হার হাতে নিয়েছে?

একথা বলে রাসূলুল্লাহ চলে যান। ফাতিমা হারটি বাজারে বিক্রি করে দেন এবং সেই অর্থ দিয়ে একটি দাস ক্রয় করে মুক্ত করে দেন। একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কানে এলে তিনি বলে উঠেন।

يَا فَاطِمَةُ أَيُغَرْكِ أَنْ يَقُولَ النَّاسُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَفِي يَدِكِ سِلْسَلَةٌ مِّنَ النَّارِ .

"হে ফাতিমা! তুমি কি এই ভেবে গর্ববোধ করছো যে, লোকেরা বলবে রাসূলুল্লাহর কন্যা আগুনের হার হাতে নিয়েছে?

একথা বলে রাসূলুল্লাহ চলে যান। ফাতিমা হারটি বাজারে বিক্রি করে দেন এবং সেই অর্থ দিয়ে একটি দাস ক্রয় করে মুক্ত করে দেন। একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কানে এলে তিনি বলে উঠেন।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর নফল রোযা

📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর নফল রোযা


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ يَوْمًا مِنْ غَيْرِ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا بِإِذْنِهِ .

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহানবী বলেছেন, স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন রমযান মাসের রোযা ছাড়া অন্য (নফল) রোযা না রাখে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَزَوْجُهَا শَاهِدٌ يَوْمًا مِنْ غَيْرِ শَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا بِإِذْنِهِ .

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহানবী বলেছেন, স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন রমযান মাসের রোযা ছাড়া অন্য (নফল) রোযা না রাখে। (তিরমিযী)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 শিশুদের রোযা রাখা

📄 শিশুদের রোযা রাখা


عَنِ الرَّبِيعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ (رضى) قَالَتْ أَرْسَلَ النَّبِيُّ ﷺ غَدَاةَ عَاشُورَاءَ إِلَى قُرَى الْأَنْصَارِ مَنْ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ وَمَنْ أَصْبَحَ صَائِمًا فَلْيَصُمْ قَالَتْ فَكُنَّا نَصُومُهُ بَعْدَ نُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا وَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّهْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهُ ذَلِكَ حَتَّى يَكُونَ عِنْدَ الْإِفْطَارِ .

রুবাই বিনতে মু'আওয়ায (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আশুরার দিন সকালে নবী আনসারদের এলাকায় নির্দেশ পাঠালেন যে, যারা সকালে খেয়েছে তারা দিনের বাকী অংশে আর কিছু খাবে না। আর যারা রোযা রেখেছে তারা রোযা পূর্ণ করবে। হাদীসের বর্ণনাকীরনী বলেন, এরপর আমরাও রোযা রাখতাম এবং আমাদের শিশুদেরও রোযা রাখাতাম। তাদেরকে আমরা তুলা বা পশমের খেলনা তৈরী করে দিতাম। তারা কেউ খাওয়ার জন্য কাঁদলে আমরা তাদেরকে ঐ খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখতাম। আর এভাবেই ইফতারের সময় হয়ে যেত।

ব্যাখ্যা: শিশুদের রোযা পালন সম্পর্কে অধিকাংশ উলামার মত হল, রোযা তাদের উপরে ফরয নয়। তবে অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তাদেরকে রোযা রাখতে বলা যাবে। তাহলে বড় হয়ে তারা সহজেই রোযা রাখতে পারবে।

عَنِ الرَّبِيعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ (رضى) قَالَتْ أَرْسَلَ النَّبِيُّ ﷺ غَدَاةَ عَাশُورَاءَ إِلَى قُرَى الْأَنْصَارِ مَنْ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ وَمَنْ أَصْبَحَ صَائِمًا فَلْيَصُمْ قَالَتْ فَكُنَّا نَصُومُهُ بَعْدَ نُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا وَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّهْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهُ ذَلِكَ حَتَّى يَكُونَ عِنْدَ الْإِفْطَارِ .

রুবাই বিনতে মু'আওয়ায (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আশুরার দিন সকালে নবী আনসারদের এলাকায় নির্দেশ পাঠালেন যে, যারা সকালে খেয়েছে তারা দিনের বাকী অংশে আর কিছু খাবে না। আর যারা রোযা রেখেছে তারা রোযা পূর্ণ করবে। হাদীসের বর্ণনাকীরনী বলেন, এরপর আমরাও রোযা রাখতাম এবং আমাদের শিশুদেরও রোযা রাখাতাম। তাদেরকে আমরা তুলা বা পশমের খেলনা তৈরি করে দিতাম। তারা কেউ খাওয়ার জন্য কাঁদলে আমরা তাদেরকে ঐ খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখতাম। আর এভাবেই ইফতারের সময় হয়ে যেত। (বুখারী)

ব্যাখ্যা: শিশুদের রোযা পালন সম্পর্কে অধিকাংশ উলামার মত হল, রোযা তাদের উপরে ফরয নয়। তবে অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তাদেরকে রোযা রাখতে বলা যাবে। তাহলে বড় হয়ে তারা সহজেই রোযা রাখতে পারবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px