📄 বিলাপ করে কান্নাকাটি করা নিষেধ
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ وَلَا يَعْصِبْنَكِ فِي مَعْرُوفٍ قَالَ النَّوحُ .
উম্মে সালামা (রা) নবী-এর সূত্রে বলেন, "তারা উত্তম কাজে তোমাদের অমান্য করবে না” (সূরা মুমতাহিনা: ১২), এর অর্থ 'বিলাপ করবে না"
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ وَلَا يَعْصِبْنَكِ فِي مَعْرُوفٍ قَالَ النَّوحُ .
উম্মে সালামা (রা) নবী-এর সূত্রে বলেন, "তারা উত্তম কাজে তোমাদের অমান্য করবে না” (সূরা মুমতাহিনা: ১২), এর অর্থ 'বিলাপ করবে না" (ইবনে মাজাহ)
📄 মহিলাদের কবরস্থানে গমন
অধিকাংশ আলিমের মতে, কোনো প্রকার ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকলে মহিলাদের কবরস্থানে যাওয়া জায়েয। তাদের মতের সপক্ষে দলীল হলো আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী কারীম (সা)-এর নিকট নিবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আমি কবরস্থানে গেলে কি বলবো? নবী করীম (সা) জবাব দিলেন, তুমি বলবে- قُولِي السَّلامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ . হে মু'মিন ও মুসলিম ঘরবাসী! তোমাদের ওপর সালাম বর্ষিত হোক। (মুসলিম) বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম (সা) এক কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, এক মহিলা কবরের উপর বসে বসে কাঁদছে। তিনি মহিলার কণ্ঠ থেকে কিছু অপছন্দনীয় কথা শুনে তাকে বললেন, انْقِي اللَّهَ وَاصْبِرِى . "আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো।" কিন্তু মহিলাটির কবরে আসার ব্যাপারে কিছু বলেননি।
অধিকাংশ আলিমের মতে, কোনো প্রকার ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা না থাকলে মহিলাদের কবরস্থানে যাওয়া জায়েয। তাদের মতের সপক্ষে দলীল হলো আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী কারীম (সা)-এর নিকট নিবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আমি কবরস্থানে গেলে কি বলবো? নবী করীম (সা) জবাব দিলেন, তুমি বলবে- قُولِي السَّلامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ . হে মু'মিন ও মুসলিম ঘরবাসী! তোমাদের ওপর সালাম বর্ষিত হোক। (মুসলিম) বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম (সা) এক কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, এক মহিলা কবরের উপর বসে বসে কাঁদছে। তিনি মহিলার কণ্ঠ থেকে কিছু অপছন্দনীয় কথা শুনে তাকে বললেন, انْقِي اللَّهَ وَاصْبِرِى . "আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো।" কিন্তু মহিলাটির কবরে আসার ব্যাপারে কিছু বলেননি। (বুখারী)
📄 মহিলাদের সোনা-রূপা ব্যবহারে সতর্কতা
يَا فَاطِمَةُ أَيُغَرْكِ أَنْ يَقُولَ النَّاسُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَفِي يَدِكِ سِلْسَلَةٌ مِّنَ النَّارِ .
"হে ফাতিমা! তুমি কি এই ভেবে গর্ববোধ করছো যে, লোকেরা বলবে রাসূলুল্লাহর কন্যা আগুনের হার হাতে নিয়েছে?
একথা বলে রাসূলুল্লাহ চলে যান। ফাতিমা হারটি বাজারে বিক্রি করে দেন এবং সেই অর্থ দিয়ে একটি দাস ক্রয় করে মুক্ত করে দেন। একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কানে এলে তিনি বলে উঠেন।
يَا فَاطِمَةُ أَيُغَرْكِ أَنْ يَقُولَ النَّاسُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَفِي يَدِكِ سِلْسَلَةٌ مِّنَ النَّارِ .
"হে ফাতিমা! তুমি কি এই ভেবে গর্ববোধ করছো যে, লোকেরা বলবে রাসূলুল্লাহর কন্যা আগুনের হার হাতে নিয়েছে?
একথা বলে রাসূলুল্লাহ চলে যান। ফাতিমা হারটি বাজারে বিক্রি করে দেন এবং সেই অর্থ দিয়ে একটি দাস ক্রয় করে মুক্ত করে দেন। একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কানে এলে তিনি বলে উঠেন।
📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর নফল রোযা
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ يَوْمًا مِنْ غَيْرِ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا بِإِذْنِهِ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহানবী বলেছেন, স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন রমযান মাসের রোযা ছাড়া অন্য (নফল) রোযা না রাখে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَزَوْجُهَا শَاهِدٌ يَوْمًا مِنْ غَيْرِ শَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا بِإِذْنِهِ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহানবী বলেছেন, স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন রমযান মাসের রোযা ছাড়া অন্য (নফল) রোযা না রাখে। (তিরমিযী)