📄 ঋতুবতী নারীর সঙ্গে সঙ্গম করলে কাফফারা
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ قَالَ مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوِ كَاهِنًا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সঙ্গম করে অথবা স্ত্রীর বাহ্যদ্বারে সংগম করে অথবা গণক ঠাকুরের কাছে যায় সে মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর অবতীর্ণ হওয়া জিনিসের প্রতি অবিশ্বাস করে।
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি যদি ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে জায়েয মনে করে সঙ্গম লিপ্ত হয় তবে সে বাস্তবিকপক্ষেই কাফের হয়ে যাবে। অথবা নবী করীম ﷺ-এর আদেশটি একটি কড়া নির্দেশ বলে পরিগণিত হবে। কেননা অন্য হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করলে দান-খয়রাত করার হুকুম দিয়েছেন। এমন ঋতু অবস্থায় স্ত্রীসঙ্গম করা যদি কুফরী হতো নবী (সা) এমন ব্যক্তিকে শুধু দান-খয়রাত করা হুকুম কেন দিলেন। কারণ কাফেরের উপর দান খয়রাত করা ওয়াজিব নয়। ইমাম বুখারীর মতে এ হাদীসে ব্যবহৃত 'কুফর' শব্দটি অকৃতজ্ঞতা অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوِ كَاهِنًا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সঙ্গম করে অথবা স্ত্রীর বাহ্যদ্বারে সংগম করে অথবা গণক ঠাকুরের কাছে যায় সে মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর অবতীর্ণ হওয়া জিনিসের প্রতি অবিশ্বাস করে। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি যদি ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে জায়েয মনে করে সঙ্গম লিপ্ত হয় তবে সে বাস্তবিকপক্ষেই কাফের হয়ে যাবে। অথবা নবী করীম ﷺ-এর আদেশটি একটি কড়া নির্দেশ বলে পরিগণিত হবে। কেননা অন্য হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করলে দান-খয়রাত করার হুকুম দিয়েছেন। এমন ঋতু অবস্থায় স্ত্রীসঙ্গম করা যদি কুফরী হতো নবী (সা) এমন ব্যক্তিকে শুধু দান-খয়রাত করা হুকুম কেন দিলেন। কারণ কাফেরের উপর দান খয়রাত করা ওয়াজিব নয়। ইমাম বুখারীর মতে এ হাদীসে ব্যবহৃত 'কুফর' শব্দটি অকৃতজ্ঞতা অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
📄 ঋতুবতী নারী ও নাপাক ব্যক্তির কুরআন পাঠ নিষেধ
عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَقْرَأُ الْحَائِضُ وَلَا الْجُنُبُ شَيْئًا مِّنَ الْقُرْآنِ .
ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঋতুবতী নারী ও নাপাক ব্যক্তি (যার উপর গোসল ফরয) কুরআনের কোনো অংশ তেলাওয়াত করবে না।
ব্যাখ্যা: আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি একই সনদসূত্রে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশও বর্ণনা করেছেন যে, নাপাক ব্যক্তি ও হায়েযগ্রস্ত নারী কুরআন তেলাওয়াত করবে না। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈর এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। তাদের পরবর্তীগণ যেমন, সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল, মুবারক, শাফিঈ, আহমদ, ইসহাক বলেন, নাপাক ও হায়েয অবস্থায় কুরআনের কোনো অংশ পাঠ করবে না; কিন্তু কোনো আয়াতের অংশবিশেষ অথবা শব্দ ইত্যাদি পাঠ করতে পারবে। তাঁরা নাপাক ব্যক্তি ও হায়েযগ্রস্ত নারীকে তসবীহ-তাহলীল (সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ইত্যাদি পড়ার অনুমতি দিয়েছেন।
عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَا تَقْرأُ الْحَائِضُ وَلَا الْجُنُبُ শَيْئًا مِّنَ الْقُرْآنِ .
ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঋতুবতী নারী ও নাপাক ব্যক্তি (যার উপর গোসল ফরয) কুরআনের কোনো অংশ তেলাওয়াত করবে না। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি একই সনদসূত্রে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশও বর্ণনা করেছেন যে, নাপাক ব্যক্তি ও হায়েযগ্রস্ত নারী কুরআন তেলাওয়াত করবে না। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈর এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। তাদের পরবর্তীগণ যেমন, সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল, মুবারক, শাফিঈ, আহমদ, ইসহাক বলেন, নাপাক ও হায়েয অবস্থায় কুরআনের কোনো অংশ পাঠ করবে না; কিন্তু কোনো আয়াতের অংশবিশেষ অথবা শব্দ ইত্যাদি পাঠ করতে পারবে। তাঁরা নাপাক ব্যক্তি ও হায়েযগ্রস্ত নারীকে তসবীহ-তাহলীল (সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ইত্যাদি পড়ার অনুমতি দিয়েছেন।
📄 মহিলাদের মসজিদে যাবার অনুমতি
عَنْ سَالِمٍ (رضى) عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا اسْتَأْذَنَتْ أَحَدُكُمْ امْرَأَتُهُ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلا يَمْنَعْهَا .
সালেম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী বলেছেন, তোমাদের কারো স্ত্রী তার স্বামীর কাছে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে।
عَنْ سَالِمٍ (رضى) عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا اسْتَأْذَنَتْ أَحَدُكُمْ امْرَأَةٌ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلا يَمْنَعْهَا .
সালেম (রা) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী বলেছেন, তোমাদের কারো স্ত্রী তার স্বামীর কাছে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। (মুসলিম)
📄 ঘুমের কারণে অথবা ভুলে বিতরের সালাত ছুটে গেলে
عَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَنْ نَامَ عَنِ الْوِتْرِ أَوْ نَسِيَهُ فَلْيُصَلِّ إِذَا ذَكَرَ وَإِذَا اسْتَيْقَظَ .
আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি বিতরের সালাত না পড়ে ঘুমিয়ে পড়ল অথবা তা পড়তে ভুলে গেল, সে যেন স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে অথবা ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে তা পড়ে নেয়।
عَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِيِّ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَنْ نَامَ عَنِ الْوِتْرِ أَوْ نَسِيَهُ فَلْيُصَلِّ إِذَا ذَكَرَ وَإِذَا اسْتَيْقَظَ .
আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি বিতরের সালাত না পড়ে ঘুমিয়ে পড়ল অথবা তা পড়তে ভুলে গেল, সে যেন স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে অথবা ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে তা পড়ে নেয়। (তিরমিযী)