📄 স্বপ্নে বীর্যপাত হলে নারীদেরও গোসল করা ফরয
عَنْ أُمِّ سُلَيْمٍ (رضى) حَدَّثَتْ أَنَّهَا سَأَلَتْ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا رَأَتْ ذَلِكَ الْمَرْأَةُ فَلْتَغْتَسِلُ فَقَالَتْ أَمْ سُلَيْمٍ وَاسْتَحْيَيْتُ مِنْ ذَلِكَ قَالَتْ وَهَلْ يَكُونُ هُذَا فَقَالَ نَبِي الله ﷺ نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ إِنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أبيضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيق أَصْفَرُ فَمِنْ أَيْهِمَا عَلَا أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ .
উম্মে সুলাইম (রা) (হযরত আনাসের মাতা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, তিনি আল্লাহর নবী ﷺ-কে নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে বললেন, স্বপ্নে পুরুষরা যেমন দেখে থাকে (স্বপ্ন দোষ হয়), নারীরাও যদি তেমন দেখে, তাহলে কি করবে? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, নারী যদি এরূপ দেখে তাহলে তাকে গোসল করতে হবে। নবী ﷺ এর স্ত্রী উম্মে সালামা বলেন, এতে আমি খুব লজ্জাবোধ করলাম। কিন্তু সুলাইম আবার প্রশ্ন করলেন, মেয়েদেরও কি এরূপ হয়? (অর্থাৎ তাদেরও কি স্বপ্নদোষ হয়?) জবাবে আল্লাহর নবী ﷺ বললেন, হ্যাঁ হয়। যদি নারীদের বীর্যপাত নাই হয় তাহলে ক্ষেত্রবিশেষে সন্তান তাদের আকৃতির অনুরূপ হয় কেমন করে? পুরুষের বীর্য গাঢ় এবং সাদা। আর মেয়েদের বীর্য পাতলা ও হলুদাভ। সুতরাং মেয়ে এবং পুরুষের মধ্যে যার বীর্য প্রাধান্য বিস্তার করে কিংবা যার পানির (রতির) প্রাবল্য হয় অথবা বলেছেন, (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) আগে নির্গত হয়, সন্তান তার মতো হয়ে জন্মগ্রহণ করে।
عَنْ أُمِّ سُلَيْمٍ (رضى) حَدَّثَتْ أَنَّهَا سَأَلَتْ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا رَأَتْ ذَلِكَ الْمَرْأَةُ فَلْتَغْتَسِلُ فَقَالَتْ أَمْ سُلَيْمٍ وَاسْتَحْيَيْتُ مِنْ ذَلِكَ قَالَتْ وَهَلْ يَكُونُ هُذَا فَقَالَ نَبِي الله ﷺ نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ إِنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أبيضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيق أَصْفَرُ فَمِنْ أَيْهِمَا عَلَا أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ .
উম্মে সুলাইম (রা) (হযরত আনাসের মাতা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, তিনি আল্লাহর নবী ﷺ-কে নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে বললেন, স্বপ্নে পুরুষরা যেমন দেখে থাকে (স্বপ্ন দোষ হয়), নারীরাও যদি তেমন দেখে, তাহলে কি করবে? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, নারী যদি এরূপ দেখে তাহলে তাকে গোসল করতে হবে। নবী ﷺ এর স্ত্রী উম্মে সালামা বলেন, এতে আমি খুব লজ্জাবোধ করলাম। কিন্তু সুলাইম আবার প্রশ্ন করলেন, মেয়েদেরও কি এরূপ হয়? (অর্থাৎ তাদেরও কি স্বপ্নদোষ হয়?) জবাবে আল্লাহর নবী ﷺ বললেন, হ্যাঁ হয়। যদি নারীদের বীর্যপাত নাই হয় তাহলে ক্ষেত্রবিশেষে সন্তান তাদের আকৃতির অনুরূপ হয় কেমন করে? পুরুষের বীর্য গাঢ় এবং সাদা। আর মেয়েদের বীর্য পাতলা ও হলুদাভ। সুতরাং মেয়ে এবং পুরুষের মধ্যে যার বীর্য প্রাধান্য বিস্তার করে কিংবা যার পানির (রতির) প্রাবল্য হয় অথবা বলেছেন, (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) আগে নির্গত হয়, সন্তান তার মতো হয়ে জন্মগ্রহণ করে। (মুসলিম)
📄 ঋতুর বা হায়েজের গোসলে নারীদের চুলের বেনী প্রসঙ্গে
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أَشَدُّ ضَفْرِ رَأْسِي أَفَانْقُضُهُ لِغُসْلِ الْجَنَابَةِ قَالَ لَا إِنَّمَا يَكْفِيكِ أَنْ تَحْتِي عَلَى رَأْسِكِ ثَلَاثَ حَثَيَاتٍ ثُمَّ تُفِيضِينَ عَلَيْكِ الْمَاءَ فَتَطْهِরِينَ.
উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো মাথার চুলের বেন বেঁধে রাখি। সুতরাং জানাবাতের তথা পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসলের সময় কি আমি তা খুলে ফেলব? তিনি বললেন, না। বরং তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট হবে যে, তুমি মাথার ওপর তিন আঁজলা পানি ঢেলে দেবে। অতঃপর সারা শরীরে পানি ঢেলে পবিত্রতা অর্জন করবে।
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ (رضى) قَالَتْ قُلْتُ يَا রَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أَশَدُّ ضَفْرِ رَأْسِي أَفَانْقُضُهُ لِغُسْلِ الْجَنَابَةِ قَالَ لَا إِنَّمَا يَكْفِيكِ أَنْ تَحْتِي عَلَى رَأْسِكِ ثَلَاثَ حَثَيَاتٍ ثُمَّ تُفِيضِينَ عَلَيْكِ الْمَاءَ فَتَطْهِরِينَ.
উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো মাথার চুলের বেন বেঁধে রাখি। সুতরাং জানাবাতের তথা পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসলের সময় কি আমি তা খুলে ফেলব? তিনি বললেন, না। বরং তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট হবে যে, তুমি মাথার ওপর তিন আঁজলা পানি ঢেলে দেবে। অতঃপর সারা শরীরে পানি ঢেলে পবিত্রতা অর্জন করবে। (মুসলিম)
📄 স্বামী-স্ত্রীর লজ্জাস্থান একত্রে মিলিত হলে গোসল ফরজ
عَنْ عَائِشَةَ (رضى) قَالَتْ إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغَسْلُ فَعَلْتُهُ أَنَا وَ رَسُولُ اللهِ ﷺ .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পুরুষাঙ্গের খাতনার স্থান স্ত্রীর (যৌনাঙ্গের) খাতনার স্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। আমি (আয়েশা) ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছি, অতঃপর আমরা গোসল করেছি।
عَنْ عَائِশَةَ (رضى) قَالَتْ إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغَسْلُ فَعَلْتُهُ أَنَا وَ رَسُولُ اللهِ ﷺ .
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পুরুষাঙ্গের খাতনার স্থান স্ত্রীর (যৌনাঙ্গের) খাতনার স্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। আমি (আয়েশা) ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছি, অতঃপর আমরা গোসল করেছি। (তিরমিযী)
📄 ঋতুবতী নারীর সঙ্গে সঙ্গম করলে কাফফারা
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ قَالَ مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوِ كَاهِنًا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সঙ্গম করে অথবা স্ত্রীর বাহ্যদ্বারে সংগম করে অথবা গণক ঠাকুরের কাছে যায় সে মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর অবতীর্ণ হওয়া জিনিসের প্রতি অবিশ্বাস করে।
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি যদি ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে জায়েয মনে করে সঙ্গম লিপ্ত হয় তবে সে বাস্তবিকপক্ষেই কাফের হয়ে যাবে। অথবা নবী করীম ﷺ-এর আদেশটি একটি কড়া নির্দেশ বলে পরিগণিত হবে। কেননা অন্য হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করলে দান-খয়রাত করার হুকুম দিয়েছেন। এমন ঋতু অবস্থায় স্ত্রীসঙ্গম করা যদি কুফরী হতো নবী (সা) এমন ব্যক্তিকে শুধু দান-খয়রাত করা হুকুম কেন দিলেন। কারণ কাফেরের উপর দান খয়রাত করা ওয়াজিব নয়। ইমাম বুখারীর মতে এ হাদীসে ব্যবহৃত 'কুফর' শব্দটি অকৃতজ্ঞতা অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوِ كَاهِنًا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সঙ্গম করে অথবা স্ত্রীর বাহ্যদ্বারে সংগম করে অথবা গণক ঠাকুরের কাছে যায় সে মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর অবতীর্ণ হওয়া জিনিসের প্রতি অবিশ্বাস করে। (তিরমিযী)
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি যদি ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে জায়েয মনে করে সঙ্গম লিপ্ত হয় তবে সে বাস্তবিকপক্ষেই কাফের হয়ে যাবে। অথবা নবী করীম ﷺ-এর আদেশটি একটি কড়া নির্দেশ বলে পরিগণিত হবে। কেননা অন্য হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করলে দান-খয়রাত করার হুকুম দিয়েছেন। এমন ঋতু অবস্থায় স্ত্রীসঙ্গম করা যদি কুফরী হতো নবী (সা) এমন ব্যক্তিকে শুধু দান-খয়রাত করা হুকুম কেন দিলেন। কারণ কাফেরের উপর দান খয়রাত করা ওয়াজিব নয়। ইমাম বুখারীর মতে এ হাদীসে ব্যবহৃত 'কুফর' শব্দটি অকৃতজ্ঞতা অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।