📄 নারীরা পুরুষদের পাঁচটি জিনিসে অর্ধেক
মিরাছ, সাক্ষী, আকিকা, দিয়াত ও আজাদ।
📄 নারীর চাইতে পুরুষকে অধিক মিরাছ দেওয়ার হেকমত
ইসলাম পুরুষের প্রতি এমন কষ্ট ও অর্থনৈতিক দায়িত্ব অর্পণ করেছে যা নারীর প্রতি করে নাই। যেমন: বিবাহের মোহর প্রদান, ঘরবাড়ি নির্মাণ, স্ত্রী ও সন্তানদের খরচ ও সগোত্রীয় কেউ হত্যা করলে তার দিয়াত প্রদান। কিন্তু নারীর প্রতি কোন প্রকার খরচ করা বাধ্য নয়। না নিজের প্রতি আর না সন্তানদের প্রতি। আর ইসলাম এভাবেই নারীকে সম্মান প্রদান করেছে যার ফলে না আছে তার উপর কষ্টকর কোন শক্ত কাজ আর না আছে খরচাদির দায়িত্ব। বরং সবকিছুই উঠিয়ে দিয়েছে পুরুষের কাঁধে। এরপরেও দিয়েছে তাকে পুরুষের অর্ধেক। নারীর সম্পদ বাড়ে আর পুরুষের সম্পদ নিজের ও স্ত্রীর এবং সন্তানদের প্রতি খরচ করে কমে। আর ইহাই হচ্ছে দুই শ্রেণীর মাঝে ইনসাফ ও ন্যায়পরায়ণতা।
স্মরণ রাখুন! প্রতিপালক মহান আল্লাহ কোন বান্দার প্রতি জুলুম করেন না। আল্লাহ মহাজ্ঞনী ও বিজ্ঞ。
১. আল্লাহর বাণী- الرِّجَالُ قَوْمُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنْفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ . পুরুষরা নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল। এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে ---। [সূরা নিসা: আয়াত-৩৪]
২. আরো আল্লাহর বাণী- إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ وَإِيتَاءِ ذِي الْقُرْبَى وَيَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِ يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ . নিশ্চয় আল্লাহ নির্দেশ করেন ইনসাফ, ইহসান ও নিকট আত্মীয়-স্বজনদেরকে দেওয়ার জন্যে। আর নিষেধ করেন অশ্লীল ও নোংরা কাজ এবং সীমালঙ্ঘন করা থেকে। তোমাদেরকে উপদেশ দিয়েছেন যাতে করে তোমরা স্মরণ করতে পার। [সূরা নাহল: আয়াত-৯০]