📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হত্যাকারীর মিরাছের বিধান

📄 হত্যাকারীর মিরাছের বিধান


হত্যাকারীর মিরাছের বিধান: হত্যাকারীর দুই অবস্থা

১. যে উত্তরাধিকার তার পূর্বসূরিকে একাকী বা অন্যদের সাথে সরাসরি শরিক হয়ে কিংবা কারণ হয়ে কোন অধিকার ছাড়া হত্যা করে সে তার মিরাছ পাবে না। আর কোন অধিকার ছাড়া হত্যা হলো: যাতে জামানত রয়েছে কিসাস অথবা দিয়াত কিংবা কাফফারা। যেমন: ইচ্ছাকৃত হত্যা, ইচ্ছাকৃত হত্যার ন্যায় হত্যা, ভুল করে হত্যা। আর যা ভুলে হত্যার হুকুমে আসবে যেমন: হত্যার কারণ ঘটানো, ছোট বাচ্চা, ঘুমন্ত ব্যক্তি এবং পাগল ব্যক্তির হত্যা। সুতরাং ইচ্ছা করে হত্যাকারী মিরাছ পাবে না। এর হেকতম হলো: সে এর দ্বারা অগ্রিম মিরাছ পেতে চেয়েছিল। আর যে ব্যক্তি কোন জিনিস তার সময়ের পূর্বে পেতে চায় তাকে তা থেকে বঞ্চিত করে শাস্তি দিতে হয়। এ ছাড়া আরো কারণ হলো: হত্যার দরজা বন্ধকরণ এবং রক্তের হেফাজত করার জন্য; যাতে করে লোভ-লালসা রক্তপাতের কারণ না হয়। আর যদি হত্যা ইচ্ছা করে না হয় তবে তাকে মিরাছ থেকে বঞ্চিত করা হবে না。

২. হত্যা যদি কিসাস স্বরূপ হয় বা দণ্ড হিসাবে কিংবা জীবন রক্ষা ইত্যাদি হয় তাহলে মিরাছ থেকে বঞ্চিত হবে না।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 মুরতাদ ও কুড়ানো শিশুর মিরাছ

📄 মুরতাদ ও কুড়ানো শিশুর মিরাছ


১. মুরতাদ তথা দ্বীনত্যাগী কারো উত্তরাধিকার হবে না এবং কাউকে সে উত্তরাধিকারও বানাবে না। যদি সে মুরদাত অবস্থায় মারা যায় তবে তার সমস্ত সম্পদ মুসলমানদের বাইতুল মালে জমা হবে。

২. কুড়ানো শিশুর যদি কোন ওয়ারিস না থাকে তাহলে তার সমস্ত সম্পদ মুসলমানদের বাইতুল মালে জমা হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px