📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হারানো ব্যক্তির আহকাম

📄 হারানো ব্যক্তির আহকাম


হারানো ব্যক্তির দুই অবস্থা: জীবিত অথবা মৃত্যু। আর প্রতিটি অবস্থার রয়েছে বিশেষ বিধান। তার স্ত্রীর বিধান, অন্যদের থেকে তার মিরাছ পাওয়ার বিধান, অন্যরা তার থেকে ওয়ারিছ হওয়ার বিধান, অন্যরা তার সঙ্গে ওয়ারিছ হবার বিধান। সুতরাং, যদি দুইটি অবস্থার কোন একটি অন্যটির উপর প্রাধান্য না পায় তবে একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি। সে সময়ের মধ্যে তালাশ করার অবকাশ পাওয়া যাবে এবং তার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আর ঐ সময় সীমা নির্ধারণের ব্যাপারটা বর্তাবে বিচারক সাহেবের ইজতিহাদের উপরে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হারানো ব্যক্তির অবস্থাসমূহ

📄 হারানো ব্যক্তির অবস্থাসমূহ


১. হারানো ব্যক্তি যদি উত্তরাধিকারী রেখে গেছে এমন হয়, তাহলে তার অপেক্ষার সময় সীমা শেষ হওয়ার পরেও যদি তার ব্যাপারটা স্পষ্ট না হয়, তবে সে মারা গেছে বলে হুকুম জারি করা হবে এবং তার নিজস্ব সম্পদ বণ্টন করা হবে। আর যে তাকে উত্তরাধিকার বানিয়েছে তার সম্পদ থেকে যা তার জন্যে আটকিয়ে রাখা হয়েছে সেটাও তার মৃত্যুর হুকুম জারির সময় যারা উপস্থিত উত্তরাধিকার ছিল তাদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হবে। কিন্তু যারা তার অপেক্ষার সময় মারা গেছে তারা ব্যতীত。

২. আর যদি হারানো ব্যক্তি উত্তরাধিকার হয় এবং তার সাথে কেউ না থাকে, তবে তার সম্পদ তার জন্য আটক করে রাখতে হবে যতক্ষণ না তার বিষয়টা স্পষ্ট হয়। অথবা অপেক্ষার সময় সীমা শেষ না হয়। আর যদি তার সাথে উত্তরাধিকারীরা থাকে ও বণ্টন চায়, তবে কম দ্বারা তাদের সঙ্গে সমাধা করতে হবে। আর বাকি সম্পদ তার ব্যাপারটা সুস্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আটকিয়ে রাখতে হবে। যদি জীবিত থাকে তাহলে তার অংশ গ্রহণ করবে নতুবা তার হকদারের নিকট ফেরত দেবে。

অতএব, হারানো ব্যক্তিকে জীবিত ধরে মাসয়ালাটি ভাগ করতে হবে। অত:পর তাকে মৃত ধরে ভাগ করতে হবে। এরপর যে ব্যক্তি দু' টি অংকতে কম ও বেশি অংশ পাচ্ছে তাকে কমটা দিতে হবে। আর যে দু' টি মাসয়ালাতে সমান সমান অংশ পাচ্ছে তাকে তার সম্পূর্ণ অংশ দিতে হবে। আর যে শুধুমাত্র একটি অংকতে অংশ পাচ্ছে তাকে কিছুই দেওয়া হবে না। আর বাকি অংশ আটকিয়ে রাখতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত হারানো ব্যক্তির খবর সুস্পষ্ট না হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px