📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 খুনছা তথা উভয়লিঙ্গদের (হিজড়া) মিরাছের নিয়ম

📄 খুনছা তথা উভয়লিঙ্গদের (হিজড়া) মিরাছের নিয়ম


১. খুনছার অবস্থা যদি অস্পষ্ট হয় তবে পুরুষের অর্ধেক ও মহিলার অর্ধেক মিরাছ পাবে।
২. যদি খুনছার অবস্থা প্রকাশ হওয়ার আশা করা যায় তবে তার বিষয় সুস্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদি অপেক্ষা না করে ভাগ-বণ্টন করতে চায় তবে খুনছা ও তার সঙ্গে যারা আছে তাদের সাথে ক্ষতি তথা কম দ্বারা কাজ সারতে হবে। আর বাকিগুলো আটকিয়ে রাখতে হবে যতক্ষণ খুনছার অবস্থা পার্থক্য না করা যায়। এ অবস্থায় খুনছাকে পুরুষ ধরে কাজ করতে হবে। অত:পর আবার তাকে মহিলা হিসেবে ধরতে হবে। আর খুনছা ও তার সঙ্গের ওয়ারিছদেরকে দুই অংশের কমটা দিতে হবে। আর বাকি সম্পদ তার অবস্থার পার্থক্য না করা পর্যন্ত আটকিয়ে রাখতে হবে。

উদাহরণ: এক ব্যক্তি এক ছেলে, এক মেয়ে এবং ছোট একটি খুনছা সন্তান রেখে মারা গেল। পুরুষ হলে মাসয়ালা হবে (৫) দ্বারা: ছেলের জন্যে দুই, মেয়ের জন্যে (১) এবং খুনছার জন্যে (২)। আর নারী হলে মাসয়ালা (৪) দ্বারা: ছেলের জন্যে (২), মেয়েরে জন্যে (১) এবং খুনছার জন্যে (১)।

ছেলে ও মেয়ের জন্য খুনছা পুরুষ হলে ক্ষতি। তাই তাদেরকে পুরুষ মাসয়ালা থেকে দিতে হবে। আর খুনছার জন্য সে নারী হলে ক্ষতি। তাই তাকে নারী মাসয়ালা থেকে দিতে হবে। অত:পর বাকি অংশ বিরত রাখা হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার বিষয় সুস্পষ্ট না হয়ে যায়।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 খুনছার অবস্থা জানার আলামত

📄 খুনছার অবস্থা জানার আলামত


খুনছার অবস্থা কিছু বিষয় দ্বারা সুস্পষ্ট হয় যেমন: দুই লিঙ্গের কোন একটি লিঙ্গ দিয়ে পেশাব অথবা বীর্য বের হওয়া। যদি দু' টি দিয়েই পেশাব বের হয় তবে যেটি দ্বারা আগে হবে সেটি ধরা হবে। আর যদি দুইটি হতে এক সাথে বের হয় তবে যেটি দ্বারা বেশি সেটি পরিগণিত হবে। এ ছাড়া যৌন আকর্ষণ, দাড়ি গজানো, মাসিক ঋতু, গর্ভবতী হওয়া, বুকের স্তন বড় হওয়া, স্তন থেকে দুধ বের হওয়া ইত্যাদি দ্বারাও বুঝা যাবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px