📄 যে ব্যক্তির উত্তরাধিকারদের মাঝে পেটের বাচ্চাও আছে তাদের দুই অবস্থা
১. হয়তো পেটের বাচ্চা প্রসব পর্যন্ত অপেক্ষা করবে ও বাচ্চার অবস্থা প্রকাশ পাবে, এরপর সম্পদ বণ্টন করবে।
২. অথবা বাচ্চা ভূমিষ্ট হওয়ার পূর্বেই বণ্টন করবে। এ অবস্থায় পেটের বাচ্চার জন্য দুইজন ছেলে বা মেয়ের মিরাছের চেয়ে বেশি রেখে বাকিরা বণ্টন করে নেবে। আর যখন জন্মগ্রহণ করবে তখন সে তার অধিকার নেবে আর যা বাকি থাকবে তা তার হকদাররা গ্রহণ করবে। আর যাকে পেটের বাচ্চা বারণ করে না যেমন: দাদা তিনি তার পূর্ণ হক নিয়ে নেবে। আর যার হক কমিয়ে দেয় যেমন: স্ত্রী ও মা তারা কম নিবে। আর যে পেটের বাচ্চার কারণে বাদ পড়ে যায় তাকে কিছুই দেওয়া হবে না যেমন ভাইয়েরা। এর অংশ বিরত রাখতে হবে যতক্ষণ বাচ্চা না জন্মে。
অতএব, যদি কোন ব্যক্তি গর্ভবতী স্ত্রী, দাদী ও সহোদর ভাই রেখে মারা যায়, তাহলে মাসয়ালা (২৪) দ্বারা হবে। দাদীর জন্যে ষষ্ঠাংশ চাই স্ত্রীর পেটের বাচ্চা ছেলে হোক বা মেয়ে কিংবা মৃত্যু হোক। আর স্ত্রীর জন্যে অষ্টমাংশ যদি বাচ্চা জীবিত জন্মগ্রহণ করে এবং এক-চতুর্থাংশ মৃত্যু জন্ম গ্রহণ করলে। স্ত্রীকে যা একিন তথা অষ্টমাংশ দেবে। আর সহোদর ভাই যদি বাচ্চা ছেলে হয় তাহলে বাদ পড়ে যাবে। আর যদি মেয়ে হয় তাহলে বাকি অংশ পরে পাবে। আর যদি মৃত্যু জন্মগ্রহণ করে বাকি অংশ নেবে। তাই তার মিরাছ দেওয়া বিরত থাকবে।