📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ফরায়েজ বিদ্যার পরিচয়

📄 ফরায়েজ বিদ্যার পরিচয়


এটি এমন বিদ্যার নাম যা দ্বারা উত্তরাধিকার কোন্ ব্যক্তি পাবে, আর কে পাবে না এবং কে কী পরিমাণ পাবে তা জানা যায়। ইসলামি শাস্ত্র অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তাঁর উত্তরাধিকারীদের মাঝে নির্ধারিত অংশে ভাগ করে দেওয়াকে ফরায়েজ বলে।

এর বিষয়বস্তু : মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত (স্থাবর ও অস্থাবর) সমস্ত সম্পদ।
এর উপকারিতা : উত্তরাধিকারীদের প্রত্যেকের নিকট যার যার অধিকার পৌঁছে দেওয়া।

ফারীযা : (সম্পত্তির নির্ধারিত অংশ) ইহা হচ্ছে সেই নির্ধারিত অংশ যা শরিয়ত নির্দিষ্ট করে দিয়েছে যেমন: তৃতীয়াংশ, চতুর্থাংশ ইত্যাদি।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকারসমূহ

📄 পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকারসমূহ


পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকার মোট পাঁচটি। ইহা বিদ্যমান থাকলে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে। অধিকার ৫টি নিম্নরূপ

১. পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে মৃত ব্যক্তির কাফন-দাফন ইত্যাদির ব্যবস্থা করা।
২. ঐসব অধিকারসমূহ আদায় করা যা সরাসরি পরিত্যক্ত সম্পদের সাথে সম্পৃক্ত যেমন: বন্ধক ইত্যাদির সাহায্যে সংঘটিত ঋণ।
৩. সাধারণ ঋণ, চাই তা আল্লাহর হোক যেমন: জাকাত, কাফ্ফারা ইত্যাদি অথবা মানুষের হোক।
৪. এরপর অসিয়ত।
৫. পরিশেষে উত্তরাধিকার।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 উত্তরাধিকারের ভিত্তিসমূহ

📄 উত্তরাধিকারের ভিত্তিসমূহ


উত্তরাধিকারের ভিত্তি তিনটি

১. উত্তরাধিকারের মূল মালিক (মৃত ব্যক্তি)।
২. উত্তরাধিকারীগণ।
৩. মিরাস তথা পরিত্যক্ত সম্পদ।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 উত্তরাধিকারের কারণসমূহ

📄 উত্তরাধিকারের কারণসমূহ


উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি:

১. সঠিক বিবাহ বন্ধন, যার ফলে স্বামী-স্ত্রী একজন অপরজনের উত্তরাধিকারী হবে।
২. বংশীয় সম্পর্ক, ইহা মূল নিকটাত্মীয়তার সূত্রে হতে পারে যেমন : মাতা-পিতা, শাখাগত নিকটাত্মীয় যেমন : সন্তান-সন্ততি, পার্শ্বের আত্মীয়তা যেমন: ভাই, চাচা ও তাদের সন্তান-সন্ততি।
৩. অনুগ্রহের সম্পর্ক, এটি এমন এক সম্পর্ক যা কোন মনিব স্বীয় দাসমুক্তির অনুগ্রহ দ্বারা অর্জন করে থাকে, ফলে উক্ত দাস-দাসীর বংশীয় কিংবা নির্ধারিত অন্য কোন উত্তরাধিকার না থাকলে পূর্বের মনিব তার ওয়ারিস হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px