📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ফরায়েজ বিষয়ের জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব

📄 ফরায়েজ বিষয়ের জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব


ফরায়েজ বিষয়ক জ্ঞান অতি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদা সম্পন্ন এবং প্রতিদানের দিক থেকে অনেক উচ্চ ও মহান। এর গুরুত্বের ফলে আল্লাহ তা'য়ালা নিজেই এটা নির্ধারণ করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি প্রত্যেক উত্তরাধিকারীর অংশ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন এবং বহু ক্ষেত্রে অনেক আয়াতে এসবের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কারণ, ধন-সম্পদ ও তার ভাগ-বণ্টন মানুষের কাছে এক লোভনীয় বিষয়। আর মিরাস সাধারণত: নারী-পুরুষ, ছোট-বড় দুর্বল-সবল সকল প্রকৃতির লোকদের মাঝেই হয়ে থাকে; যেন এক্ষেত্রে খেয়াল-খুশি ও প্রবৃত্তির অনুপ্রবেশ না ঘটে। তাই মহান আল্লাহ নিজেই এর সুস্পষ্টভাবে ভাগ-বণ্টন করে দিয়েছেন। এ ছাড়া আল্লাহ তাঁর স্বীয় কিতাব কুরআনে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ইনসাফ ও নিজ জ্ঞানানুযায়ী সকলের কল্যাণ ভিক্তিক সুষম বণ্টনের ব্যবস্থা করেছেন। মহানবী ﷺ ইলমে ফারায়েযের গুরুত্ব বিবেচনায় বলেছেন- تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَعَلِّمُوهَا النَّاسَ فَإِنَّهَا نِصْفُ الْعِلْمِ. অর্থাৎ, তোমরা ইলমে ফারায়েয শিক্ষা গ্রহণ কর এবং মানুষকে তা শিক্ষা দাও। কেননা তা জ্ঞানের অর্ধেক।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 মানুষের অবস্থাসমূহ

📄 মানুষের অবস্থাসমূহ


মানুষের দুটি অবস্থা : জীবন আর মরণ। ফরায়েজ বিদ্যায় বেশির ভাগ বিধি-বিধান মৃত্যুর সাথে সম্পৃক্ত। তাই ইহা জ্ঞানের অর্ধেক এবং প্রতিটি মানুষই এ জ্ঞানের মুখাপেক্ষী।

জাহিলি যুগের লোকেরা ছোটদেরকে বঞ্চিত করে শুধু বড়দেরকে মিরাস দিত। এভাবে মহিলাদের বঞ্চিত করে কেবল পুরুষদেরকে উত্তরাধিকার দিত। আর বর্তমানের জাহেলিয়াত নারীদেরকে তাদের অধিকারের উপরে পদ, কাজ ও সম্পদ দিয়েছে। এর ফলে অনিষ্ট বেড়েছে ও ফাসাদ-বিপর্যয় বিস্তার লাভ করেছে। পক্ষান্তরে, ইসলাম নারী জাতিকে ইনসাফের ভিত্তিতে অধিকার দিয়েছে, উচ্চ মর্যাদায় আসীন করেছে এবং অন্যান্যদের মতো তার উপযুক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ফরায়েজ বিদ্যার পরিচয়

📄 ফরায়েজ বিদ্যার পরিচয়


এটি এমন বিদ্যার নাম যা দ্বারা উত্তরাধিকার কোন্ ব্যক্তি পাবে, আর কে পাবে না এবং কে কী পরিমাণ পাবে তা জানা যায়। ইসলামি শাস্ত্র অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তাঁর উত্তরাধিকারীদের মাঝে নির্ধারিত অংশে ভাগ করে দেওয়াকে ফরায়েজ বলে।

এর বিষয়বস্তু : মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত (স্থাবর ও অস্থাবর) সমস্ত সম্পদ।
এর উপকারিতা : উত্তরাধিকারীদের প্রত্যেকের নিকট যার যার অধিকার পৌঁছে দেওয়া।

ফারীযা : (সম্পত্তির নির্ধারিত অংশ) ইহা হচ্ছে সেই নির্ধারিত অংশ যা শরিয়ত নির্দিষ্ট করে দিয়েছে যেমন: তৃতীয়াংশ, চতুর্থাংশ ইত্যাদি।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকারসমূহ

📄 পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকারসমূহ


পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত অধিকার মোট পাঁচটি। ইহা বিদ্যমান থাকলে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে। অধিকার ৫টি নিম্নরূপ

১. পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে মৃত ব্যক্তির কাফন-দাফন ইত্যাদির ব্যবস্থা করা।
২. ঐসব অধিকারসমূহ আদায় করা যা সরাসরি পরিত্যক্ত সম্পদের সাথে সম্পৃক্ত যেমন: বন্ধক ইত্যাদির সাহায্যে সংঘটিত ঋণ।
৩. সাধারণ ঋণ, চাই তা আল্লাহর হোক যেমন: জাকাত, কাফ্ফারা ইত্যাদি অথবা মানুষের হোক।
৪. এরপর অসিয়ত।
৫. পরিশেষে উত্তরাধিকার।

ফন্ট সাইজ
15px
17px