📄 অপবাদের শাস্তি প্রমাণিত হওয়া
অপবাদী নিজে স্বীকার করলে অথবা অপবাদের পক্ষে দু' জন ন্যায়পরায়ণ পুরুষ সাক্ষী দিলে অপবাদ প্রমাণিত হবে।
📄 অপবাদ আরোপকারীর প্রকারভেদ
অপবাদ আরোপকারী দুই শ্রেণীর
প্রথমত, যদি অপবাদকারী স্বাধীন অথবা দাস হয় আর যার প্রতি অপবাদ আরোপ করা হয়েছে সে মুহসিন হয়, তাহলে তার শাস্তি ৮০ বেত্রাঘাত।
দ্বিতীয়ত: যদি মুহসিন না এমন ব্যক্তিকে অপবাদ দেয়া হয় তাহলে তার প্রতি কোন শাস্তি নেই। কিন্তু এ থেকে বিরত রাখার জন্য তাকে তিরস্কার ও ভর্ৎসনা করতে হবে।
"মুহসিন” বলতে এখানে মুসলিম, স্বাধীন, শরিয়তের আজ্ঞাপ্রাপ্ত, পূতপবিত্র ও দ্বীনদার ব্যক্তি, যার অনুরূপ মানুষ সহবাস করতে সক্ষম।
অপবাদের শাস্তি যার প্রতি অপবাদ দেয়া হয়েছে তার হক। এ জন্য নিম্নের কার্যাদি আরোপ হবে: ক্ষমা করলে অপবাদের শাস্তি রহিত হয়ে যাবে। আর যার প্রতি অপবাদ আরোপ করা হয়েছে সে না চাইলে শাস্তি বাস্তবায়ন করা যাবে না। আর দাসের প্রতিও পুরা ৮০ বেত্রাঘাত শাস্তি বাস্তবায়ন করতে হবে।
📄 অপবাদের শাস্তি রহিত হওয়া
অপবাদী যিনার কথা স্বীকার করলে অথবা যিনা প্রমাণিত হলে অপবাদের শাস্তি রহিত হয়ে যাবে। অনুরূপ কোন স্বামী স্ত্রীর ওপর যিনার অপবাদ দেয়ার পর লি'আন করলে শাস্তি বাদ পড়ে যাবে।
📄 অপবাদের শাস্তি প্রমাণিত হলে যা করতে হবে
অপবাদের শাস্তি প্রমাণিত হলে অপবাদ আরোপকারীর ওপর শাস্তি বাস্তবায়ন হবে। আর তওবা ব্যতীত তার কোন ধরনের সাক্ষী গ্রহণ করা যাবে না এবং তওবা না করা পর্যন্ত তাকে ফাসেক বলে ভূষিত করতে হবে।